পাতা:বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস (কায়স্থ কাণ্ড, প্রথমাংশ, রাজন্য কাণ্ড).djvu/১৫২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

$88 বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস { ৪র্থ অধ্যায় । নাই। রণশ্বরের বরেঞ্জের অধিকার অল্পকালস্থায়ী। কারণ রাজেন্দ্রচোলের প্রত্যাবর্তনের সচিত মহীপাল আবার সমস্ত রাঢ়গৌড় অধিকার করিয়া বসিয়াছিলেন । এই সময়ে দক্ষিণরাঢ়ের পরাক্রান্ত শুরনরপতিগণ গু সম্ভবত: পরাক্রান্ত মহীপালের নিকট রাঢ়ের অনেকটা হারাইতে বাধ্য হুইয়া থাকিবেন । কুলগ্রস্তে বরেন্দ্রশূরের পর প্রত্নামশরের নাম পাই।. দক্ষিণরাঢ়ে প্রস্থায়শূরের নাম ও বিশেষ প্রসিদ্ধি লাভ করিয়াছিল। তি#ি'গঙ্গাবাস উপলক্ষে যেখানে বাস করিতেন, সেই স্থান তাহার নামানুসারে প্রস্থ্যমনগর sគ្នា বলিয়৷ খ্যাত হইয়াছিল । স্মার্ক্স রফুলন এই প্রছামনগরের উল্লেখ করিয়াছেন । তিনি লিখিয়াছেন যে, ‘প্রত্নাম্ননগরের দক্ষিণ হইতে সরস্বতী নদীর উত্তরে গঙ্গাজল আসার এই স্থান দক্ষিণ-প্রয়াগ থানে প্রসিদ্ধ। এখানে স্নান করিলে প্রয়াগের স্তায় অক্ষয় o: পুণ্য ৫া ভ হয় ।* ষ্টহাতে মনে চয় যে, গঙ্গা প্রবাহিত এই স্থানও अवषृद्मिन%्रह्म একটী শক্তিশালী স্মাৰ্বসম্প্রদায়ের নেতৃত্বাধীন ও পুণ্যস্থান বলিয়া গণ্য ছিল। নদীয়া জেলায় ভাগীরণীতীরস্থ বৰ্ত্তমান চাকদহ নামক থানাই এক সময় প্রছামনগর নামে প্রসিদ্ধ ছিল। ভাগীরথীর চক্রাকার দঙ্গ পড়িয়া এই প্রাচীন স্থানের অধিকাংশ গঙ্গাগৰ্ভশায়ী এবং সেই সময় হইতে প্রত্ন্যমনগর চক্রদত বা চাকদহ নামে খ্যাত হইয়াছে । এখনও এখানকার জমিদারী সাবেক কাগজপত্রে এইস্থান ‘প্রহ্লামসর’ নামে লিখিত। এখনও চাকদহের একমাইল দূরে প্রহ্লামেশ্বর শিপ্লে দেবীর বৃহৎ ভগ্নমন্দির বিদ্যমান। মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদশাস্ত্রী মহাশয় এই মন্দিরকে ৮৯ শত বর্ষের প্রাচীন বলিয়া মনে করেন। ইঙ্গার কিছু দূরে প্রদ্ধামরাজপত্নী দময়ন্তীব নামানুসারে দময় &ীপুর, যেখানে রাজার গোশাল ছিল সেই "স্থান উত্তর-গোগৃহ এবং তাঙ্কার পাশ্বে যেখানে ঋগ্বেদী যাজ্ঞিক ব্রাহ্মণগণ বাস করিতেন, সেই স্থান খাগপুর বিদ্যমান। এইরূপ বর্তমান চাকদহের চারিদিকে অনেক প্রাচীন স্মৃতি বিদ্যমান। যেখানে দহ পড়িয়া সমৃদ্ধ প্রন্থায়নগর গঙ্গাগৰ্ভশায়ী ইয়াছে, এখন তাহার যে অংশটুকু সুপ্রাচীন বটবৃক্ষসমাচ্ছন্ন হইয়া জাগিয়া আছে, এথানকার সমস্ত পরগণার লোকের নিকট সেই স্থান অস্থাপি অতি পবিত্র তীর্থভূমি বলিয়া গণ্য। এখানকার মৃত্তিক লইয়াই স্থানীয় সকল লোকের দুর্গাপ্রতিমার কাঠামো প্রস্তুত হইয়া থাকে। আজও চাকদহ গঙ্গাবাসের উপযুক্ত স্বান বলিয়া বহুদূরদেশে পরিচিত। সুতরাং এই স্থানই যে এক সময় দক্ষিণরাঢ়াধিপ গ্রন্থায়শ্বরের ব্লাসভবন হেতু প্রস্থায়নগর নামে খ্যাত ছিল, সন্দেহ নাই। বর্তমান চাকদহ থানা পাজনেীর" পরগণার অন্তর্গত, এই পাজনেীর প্রছায়নগরেরই অপভ্রংশ। এক সময় পাজনেীর পরগণায় বহু পণ্ডিতের বাস ও যথেষ্ট সংস্কৃতচর্চা ছিল, তাহার অনেক প্রমাণ (విసి) “अष्ट्रान्त्रनशंझोक्काएमा मग्नबङIोखप्पोखरङ्ग । ठनकच्किवं★यहांशंख नंत्रांरङांग्नपू"tगंटl ॥ স্নাত্বা ডাক্ষরং পুণ্যং প্রাগ ইৰ লক্ষ্যতে। कचिपथब्रांत्र छचूज्रपने नeथीनाथाशक्निप्रश्नं ॥” (ब्रदूनकावब अशकडङरु )