পাতা:বঙ্গের জাতীয় ইতিহাস (ব্রাহ্মণ কাণ্ড, প্রথমাংশ).djvu/২৯৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রাঢ়ীয় ব্রাহ্মণ-বিবরণ ૨૧s বয়সে ইহলোক পরিত্যাগ করেন। তাহার মৃত্যুর পর শিবচন্দ্র মেয়াদী বন্দোবস্তান্ত্রসারে জমিদারীর অধিকারী হন। রাজা ভবানন্দের সময় হইতে রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সময় পৰ্য্যস্ত এই জমিদারী পুরুষানুক্ৰমে বৃদ্ধি হইয়ু আমিতেছিল, শিলচন্দ্রের সময় হইতেই ক্ষয় পাইতে আরম্ভ হইল। তিনি যে বিষয়কার্যে তুপটু ও অপরিমিতব্যয়ী ছিলেন, তাহ মূহে ; কেবল নির্দিষ্ট সময়মধ্যে রাজস্ব প্রদানে অসমর্থ হওয়াতেই তাছাদের বহু সম্পত্তি বাকি খাজানার দায়ে নিলামে উঠিতে লাগিল । তাহার কৰ্ম্মচারিগণের যড়যন্ত্রেও এ সময় অনেক সম্পত্তি নষ্ট হইল। তিনি মনের দুঃখে ৬০ বর্ষ বয়সে ( ১৭৮৮ খৃঃ অব্দে ) পরলোক গমন করেন । তাহার একমাত্র পুত্র ঈশ্বরচন্দ্র পৈতৃক সম্পত্তির অধিকারী হইলেন। কৃষ্ণচন্দ্রের সভায় যে সকল খ্যাতনামা পণ্ডিত ও কৰি বিরাজ করিতেন, তাহদের অনেকেই শিলচন্দ্রের সভা ও উজ্জ্বল করিয়া গিয়tছেন । রাজা ঈশ্বরচন্দ্রের সময় দশশালা বন্দোবস্ত হয়। রাজেন্দ্র কৃষ্ণচন্দ্র আপন জ্যেষ্ঠ পুত্র শিবচন্দ্র ব্যতীত আর সকল পুল্লেব মামহারা বন্দোবস্ত করিয়া যান। র্তাহার এতদিন কিছু করেন নাই। এখন দৰ্শশালা বন্দোবস্ত হইলে তাহারা পৈতৃক জমিদারীর ক্ষাংশ পাইবার জন্ত আদালতে নালিশ করিলেন। যদিও তাহদের মোকদম ড়ি মিস ইণ বটে, কিন্তু এই সময়ে মোকদ্দমার খবচ যোগাইতে ও নির্দিষ্ট সময়ে রাজস্ব দিতে না পরিায় নদীয়ারাজের বহু সম্পত্ত্বি নিলাম হইয়া গেল। তাহার উপর স্বরাপানে মৃত্ত থাকিয়া ঈশ্বরচন্দ্র বিষয়কৰ্ম্মের প্রতি তেমন মনোযোগ করিতেন ন!, সুতরাং যাহা হইবার তাহা হইল। তিনি অঞ্জন-নদী-তীরে শ্রীবন নাম দিয়া তথায় এক সুরম্য হস্ম্য নিৰ্ম্মাণ করান। তথায় অনেক সময় আযোদে মন্ত থাকিতেন। শারীবিক নিয়ম লঙ্ঘন প্রযুক্ত BB BB BBSKBD DDD KB BBBB BBBB DDDS BBBB S BB LL BB BBB (১৮-২ খৃঃ অব্দে ) গিরিশচন্দ্র নামে এক পুল্ল রাপিয়া লোকাস্তব গমন করেন। শারদমঙ্গলগ্ৰণেতা বিনয়-বাকৃপতি নামে এক প্রসিদ্ধ জ্যোতিবিদ ইহার সভা উজ্জল করিতেন । রাজা ঈশ্বরচন্দ্রের সময়ে পৈতৃক জমিদারীর অৰ্দ্ধেক হস্তান্তর হইয়াছিল। গিরিশচন্দ্র জমিদারী হাতে পাইলেও তাহার চৈতন্ত হইল না। তিনি কেবল স্বচ্ছ ব্যয় করিতে ভাল বাসিতেন। শেষে (১৮১৩ খৃঃ অব্দে ) যখন তাহার প্রধান পরগণ উখড়া বাকি খাজনার দায়ে নিলামে উঠিল, ভগন তিনি কিছু চিন্তিত হইয়াছিলেন। কিন্তু যখন বুঝিলেন যে, তাহার প্রধান কৰ্ম্মচারী ও আত্মীয় স্বজনের দোষে মগমূল্য সম্পত্তি মই হইতেছে, তখন র্তাগর মনে বৈৰাগ্য উপস্থিত হইল, তিনি সৰ্ব্বদাই দেবাচনায় অতিবাহিত । করিতে লাগিলেন। তিনি মাতিশয় ধাৰ্ম্মিক হইলেও বড় নিৰ্ব্বোধ ছিলেন। তাছার বুদ্ধির দোষে পৈতৃক জমিদারীর ৮৪ খানি পরগণার স্থানে এখন কেন গণা রহিল। তাহার অর্থকষ্ট হইলেও তিনি কথন ধৰ্ম্ম কৰ্ম্মে ক্ষান্ত হন ন’- Y বৃহৎ

  • বিশ্বকোষ ৪র্থভাগ কৃষ্ণচন্দ্র শব্দে বিস্তৃত বিবরণ দ্রষ্ট