পাতা:বর্ত্তমান বাঙ্গালা সাহিত্যের প্রকৃতি.pdf/৩১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


[ २१ ] কাৰ্য্যটা না করিখা পারি না ; পশ্চিম বঙ্গের লোকে লেখে—এ কাৰ্য্যট না করিয়া থাকিতে পরিল-পূর্ব বঙ্গের লোকে লেখে—তিবস্কৃত হইষা তিনি নীরব রহেন । পশ্চিম বঙ্গেব লোকে লেখে— তিরস্কৃত হইয তিনি নীরব থাকেন। পূর্ববঙ্গের লোকে লেখে—প্রায লোকে তীর্থমাত্রা করিয়া থাকে ; পশ্চিম বঙ্গেব লোকে লেখে—প্রাষ সকল লোকে তীর্থযাত্রা করিষা থাকে। পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিম বঙ্গেব লেখায এইরূপ আরও অনেক প্রভেদ বা পার্থক্য দৃষ্ট হয় । বস্তুতঃ প্রভেদ এত বেশী, যে,পূৰ্ব্ব বঙ্গেব অনেক প্রধান প্রধান লোকে বিবেচনা করেন যে, তথাকার লেখকদিগের প্রণীত স্কলপাঠ্য পুস্তকের সুবিচাব কলিকতাস্থিত সেন্টাল টেকস টুৰুক কমিটি কর্তৃক হইতে পারে না। এবং সেই জন্য তাহার পূর্ববঙ্গেব লোক লইযা ঢাকা নগরীতে একটা স্বতন্ত্র, টেকস টুবুক কমিটি গঠিত করাইবার জন্য একাধিক বাব শিক্ষা বিভাগেব কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন কবেন। ইহাও শুনিযাছি যে, স্তাব আণ্টনি ম্যাকণ্ডনেল, মহোদষ যখন কিছু দিনের জন্য বঙ্গেব সিংহাসনে উপবিষ্ট হইয়াছিলেন, তখন একবার পূর্ববঙ্গ হইতে