পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৭৩৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। জগত যে দিকে চাহিছে, সে দিকে দেখিলু চাহিয়া, হেরি সে অসীম মাধুরী, হৃদয় উঠিছে গাহিয়া । নবীন আলেকে ভাতিছে, নবীন আশায় মাতিছে নবীন জীবন লড়িয়া, জয জয় উঠে ত্ৰিলোকে ॥ ভৈরবী—একতালা । সখী মোদের বেঁধে রাখ প্রেম-ডোরে। আমাদের ডেকে নিয়ে চরণ-তলে রাখ’ ধরে । রাধ হে প্রেম-ডোরে । কঠোর পরাণে কুটিল বয়ান, তোমার এ প্রেমের রাজ্য রেখেছি আঁধার করে। আপনার অভিমানে দুয়ার দিয়ে প্রণে গরবে অ, সে চাহি আপনা পানে । বুঝি এমনি করে হারব তোমারে, বুলিতে লুটাইব আপনার পাষাণ ভরে, তখন কারে ডেকে কঁদিব কাতর স্বরে | ইমন কল্যাণ—তেওর । সত্য মঙ্গল প্রেমময় তুমি ধ্ৰুবজ্যোতি তুমি অন্ধকারে । তুমি সদা যার ছদে বিরাজো দুখ জ্বল সেই পাশরে, সব দুখ জ্বালা সেই পাশরে । তোমার জ্ঞানে তোমারে ধ্যানে তব নামে কত মাধুরী ধেই ভকত সেই জানে, তুমি জানাও ঘরে সেই জানে। ওহে তুমি জানাও ঘরে সেই জানে। মিশ্রদেশ খাম্বাজ-ঝাপত্তাল । t শোন শোন আমাদের ব্যথা দেবদেব প্রভুদয়াময় । আমাদের ঝরিছে নয়ন, আমাদের ফাটিছে হৃদয়। চিরদিন আঁধার না রয় রবি উঠে নিশি দূর হয়, | এ দেশের মাথার উপরে, এ নিশীথ হবে মাৰূিজুলু। | অমৃত করিছ বিতরণ । છ8૭ চিরদিন রিবে নন, চিরদিন ফাটিবে হৃদয়। মরমে লুকান কত দুখ, ঢাকিয়া রয়েছি মান মুখ, কঁদবার নাই অবসর কথা নাই শুধু ফটে বুক। সঙ্কোচে ম্ৰিয়মাণ প্রাণ,দশদিশি বিভীষিকাময়, হেন হীন দীনহীন দেশে,বুঝি তব হবে না আলয় চিরদিন ঝরিবে নয়ন চিরদিন ফাটিৰে হৃদয় ॥ কোন কালে তুলিব কি মাথ । জাগিবে কি অচেতন প্রাণ। ভারতের প্রভাত গগনে উঠিবে কি তব জয় গান আশ্বাস বচন কোন ঠাই কোন দিন শুনিতে না পাই, শুনিতে তোমার বাণী তাই, মোরা সবে রয়েছি চাহিয়া। বল প্রভু মুছবে এ আঁধি, চিরদিন ফাটিবে না হিয়া ॥ | ভৈরব—ঝাগতল । সকলেরে কাছে ডাকি, 'আনন্দ-আলয়ে থাকি, পাইয়া অনন্ত প্রাণ, জগত গাঁহিছে গান, গগনে করিয়া বিচরণ ॥ মৃৰ্য্য শৃঙ্গ পথে ধায়, বিশাম সে নাহি চায়, সঙ্গে ধাধু গ্ৰন্থ পরিজন । লভিয় অসীম বল, ছুটিছে নক্ষত্রদল, চারিদিকে চলেছে কিরণ ॥ পাইবা অমৃতধর নব নব গ্রহ তারা, বিকশিয়া উঠে অনুক্ষণু । জাগে নল নব প্রাণ, চির জীবনের গান, • পুরিতেছে অনন্ত গগন । পূর্ণ লোক লোকান্তর, প্রাণে মগ্ন চরাচর, প্রাণের সাগরে সস্তরণ । জগতে যে দিকে চাই, বিনাশ বিরাম নাই, অহরহ চলে যত্ৰিগণ ॥ মোরা সবে কীটবং, সম্মুখে অনন্ত পথ, কি করিয়া করিব ভ্রমণ । অমৃতের কণা তব, পাথেয় দিয়েছ প্রভো | ক্ষুদ্র প্রাণে অনন্ত জীবন। \