পাতা:বিচিত্রা (প্রথম বর্ষ দ্বিতীয় খণ্ড).pdf/১৫৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

٢) গতির এই অসমত এই দীর্ঘ দুই মাইল পথ উভয় পক্ষকে শুধু পীড়ন করিবে -একপক্ষের সময় এবং অপর পক্ষের दृश्थाि नछे इछेहरु । খাটুলি থামাইয়া দ্বিজনাথ বলিলেন, “অনৰ্থক এ বিড়ম্বনায় কোনো লাভ নেই। তোমাদের হেঁটেও চলতে হবে, আবার যে খাটুলির উপর চলেছে তার সঙ্গে সমান গতি রাখতে হবে,- এ দোতরফা অবিচারের পাপ থেকে আমাকে পরিত্রাণ দাও । আমি এগিয়ে চলি, তোমরা সুবিধামত ধীরে ধীরে পিছনে এস।” অবস্থা হিসাবে এই প্ৰস্তাবের স্বপক্ষে এমন প্ৰবল যুক্তি ছিল যে ইহার বিরুদ্ধে বলিবার মতো কোনো কথাই <e> [ পৌষ ত” আপত্তি করা চলে না। এমন তৃতীয় কোনো ব্যক্তি থাকিবে না। যাহাকে অবলম্বন করিয়া সহজ হওয়া যাইতে পরিবে ;-মহবুব থাকিলেও চলিত, কিন্তু সে রহিল গাড়ী আগলাইয়া। যে দীর্ঘকাল উভয়কে এক সঙ্গে কাটাইতে হইবে সে সময় উভয়ের মধ্যে বাক্যালাপ হওয়া কঠিন, চুপ করিয়া থাকা কঠিনতর ; অথচ উপায় নাই। অগত্যা বিনয় এবং কমলা উভয়েই দ্বিজনাথের প্রস্তাব মোেনর দ্বারা অনুমোদিত করিল। দ্বিজনাথের ইঙ্গিতে বাহকেরা খাটুলি লইয়া দৌড় দিল ; দেখিতে দেখিতে খাটুলি দৃষ্টির অন্তরালে চলিয়া গেল । পাশাপাশি চলিতে চলিতে বিনয় বলিল, “মিস মিত্র, কমলা অথবা বিনয় খুজিয়া পাইল না। অথচ এই দীর্ঘ আপনার কষ্ট হ’লেই বলবেন, সামান্য জিরিয়ে নেওয়া দুই মাইল পথ পরস্পরের হৃদয়ের মধ্যে একটা সুতীব্ৰ উদ্দীপনা অবরুদ্ধ রাখিয়া পাশাপাশি বহুক্ষণ ধরিয়া চলিতে হইবে তাহার উদ্বেগও কম নয়। কিন্তু সে কথা বলিয়া याहद ।' কমলা কোনো কথা বলিল না, শুধু তাহার মুখখানা আরক্ত হইয়া উঠিল। (ক্রমশঃ)