পাতা:বিভূতি রচনাবলী (একাদশ খণ্ড).djvu/১৩৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বিভূতি-রচনাৰলা بالا : —শুধু ভাল দিয়ে খাচ্চো কেন পাম ? —না, আর কাকরোল ভাতে । —মাছ মাংস পেলে না ? —তুমি খাবে না, কে ওসৰ হাঙ্গামা করে। মেয়েমাহুষের খাবার লোভ করতে নেই, জানো ? o —লোভের কথা হচ্চে না। মানুষকে খেতে তো হবে, খাটচো এতো—না খেলে শরীর টিকবে ? পান্না হেসে বললে—তোমাকে আর অত টিকটিক করতে হবে না খাওয়া নিয়ে। পুরুষ মাজুষের অন্য কাজ আছে, তাই দেখো গে । —ঝড় ভাবওয়াল কি বলছিল জানে। বলছিল, আমার সঙ্গে এসে যোগ দাও। চলে। একটা দল বেঁধে গান গেয়ে বেড়াই। —আমিও যাৰে ? —তুমি না হলে তো চলবেই না। তোমাকে নাচতে হবে, ঝড়র গান গাইতে হবে। ধাবে ? —না। কি দরকার ? আমি এক কি কম পয়সা রোজগার করতে পারি? নাচের দলে যোগ দিয়ে পরের অধীন হয়ে থাকার কি গরজ ? —ঝড় বলছিল—ও টাকা দেবে আমার ডিসপেনসারি খুলতে। —ওতেও যেও না। পরের অধীন হয়ে থাকা । —তবে কি করে চলবে ? —তুমি নির্তাবনায় বসে খাও। আমি থাকতে তোমার ভাতের অভাব হতে দেবে। না। তুমি যদি চুপ করেও বসে থাকে। তাহলে আমি চালিয়ে যাবো। আমার আয় কত। জানে ? —কত ? —যদি ঠিক-মত বায়ন হয়, খাটি, তবে মাসে নব্বই টাকা থেকে একশো টাকা । তোমার ভাবনা কি ? তোমার বাবুগিরির জুতো আমি কিনে দেবে, কাচি ধুতি আমি কিনে দেবেী— কাকরোল ভাতে দিয়ে ভাত খেতে খেতে পান্না ওর আয় আর ঐশ্বর্ষ্যের কথা ষে ভাবে বর্ণনা করলে তা আমার খুব ভালে লাগলে । ওর কোন কাণ্ডজ্ঞান নেই দেখচি। কাকে অায় বলে—e কিছু জানে না। একটা অপারেশন কেসে আমি আশি টাকা রোজগার করেছি একটিমাত্র বিকেল বেলাতে ৷ পান্না আমায় ওর আয় দেখাতে আসে । আমার হালি পায়। আসলে বয়েল ওর কম বলেও বটে আর সামান্তভাবেই ওদের জীবন কেটে এলেচে বলেও বটে, বেশী রোজগার কাকে বলে সে সম্বন্ধে কোনো ধারণা নেই ওর। এর BBBBDS DDD DB BBBS BB BBBB BBBB BBBSBBB DD BBD BBS