পাতা:বিভূতি রচনাবলী (তৃতীয় খণ্ড).djvu/৪৪১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


8ථH বিভূতি-রচনাবলী Des jours anciens Dead year behind Et je pleune And I weep. Verlain-এর বিষয়ে এ কথাটা ঠিকই মনে হয় যে, লেখক বৰ্ত্তমান যুগের লোককে মজাতে না পারলে সে কোন যুগের লোককেই মজাতে পারবে না । Bernard Shaw তাঁর Sanity of Art-এ যে কথা লিখেচেন, ভারি সত্যি । The writer who aims at producing the platitudes which are ‘not for this age but for all time' has his reward in being unreadable in all ages. Whilst Plato and Aristophanes peopling Athens with living men and women, Shakespeare peopling with Elizabethan Mechanics and Warwickshire hunts, Carpaccio painting the life of St. Ursula exactly as if she were a lady living in the street next to him, are still alive and at home everywhere among the dust and ashes of thousands of academic, punctilious, archaeologically correct men of letters and art. Montaign siszczą gryfů posT qŲ ETH HISIGII I “He was the greatest artist of all—he knew the art of living”. অনেক দিন আগে ঠিক এই দিনে আজমাবাদ কাছারী থেকে ঘোড়া ছটিয়ে কলবলিয়া পার হয়ে কাটারিয়া পলের ওপরে সয"াস্ত দেখেছিলাম । মেসে বসে আজ ডালহাউসি কোয়ার ঘরে বেরিয়ে এসে সে কথা মনে পড়ল ডায়েরী দেখে । কি উম্মন্তে জীবনের পরে কি বন্ধ জীবন যাপন করেচি এখানে । ठिक সেই বিকেলেই আজ বইয়ের গদামে বসেছিলাম ! আজ সারাদিনটা অত্যন্ত ঘোরা হয়েচে, বেলা সাতটা থেকে রাত এগারোটা পয্যন্ত । আমার মেস থেকে বেরিয়ে নীরদ চৌধুরীর বাড়িতে চা খেয়ে পশুপতিবাবর বাড়ি গিয়ে পেনেটীর বাগান-বাড়ি যাবার কথা বলি। বন্ধদের নতুন বাসায় যাই, তার আগে একবার নতুন পত্রিকার আপিসেও যাই । বেশী আন্ডা দিলে একটা অবসাদ আসে—শারীরিক ও মানসিক, যদিও আমি তা আজ অনুভব করি নি, তবুও আমার মনে হয় এতে কোনো আনন্দ নেই। তবে সপ্তাহে একদিন এমন বেড়ানো যেতে পারে—যদি অন্য সব ক’টা দিন নিজের কাজ করা যায় । লেখাপড়া সম্বন্ধেও দিনের মধ্যে বিভিন্ন শ্রেণীর ও বিভিন্ন বিষয়ের বই পড়া খুব খারাপ । এক বিষয়ে মনোনিবেশ অভ্যাস করতে হয়, এবং যে এক বিষয়ে মনোনিবেশ করে, সে হয়তো আরও পাঁচটা জিনিস থেকে বঞ্চিত আছে, কিন্ত সে সটি করতে পারে। অনেকদিন পরে পানিতর গেলাম। রাত্রে ইটিল্ডা ঘাটে নেমে একজন লোক পাওয়া গেল। সে আবার ইটিল্ডা বাজারের ডাক্তার। হাটের ভিড় ঠেলে রাত্রে পানিতর গিয়ে পৌছাই । উপেনবাবরে বাড়ি বেড়াতে গেলাম, বন্ধ শয্যা আশ্রয় করেছেন। পট্টীর সঙ্গে দেখা করলাম বাড়ির মধ্যে গিয়ে, ওরা জল-খাবার খাওয়ালে। নরেনের বাড়িতেও আবার খাবার খেলাম । তারপর পানিতরের ওপরের ঘরে ( দোতলার উপরের ঘরে ) রাত্রে শলেম । কোণে সেই খাটখানা পাতা আছে, প্রথম পানিতরে গিয়ে ঐ খাটখানাতে আমি শয়েছিলাম মনে আছে । ঠিক সেই পরানো জায়গাতে খাটখানা এখনও পাতা। রাতে কত কথা মনে পড়ল। আজ কত দিনের কথা যেন সে সব । জাঙ্গিপাড়ার দিনের কথা, সেই অন্ধকারময়