পাতা:বিশ্বকোষ ঊনবিংশ খণ্ড.djvu/১৩৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


লখিমপুর [ ১৩৩ } লগ্নিমপুর ব্ৰহ্মপুত্ৰনদই এখানকার প্রধান । বর্ষার সময় এই নদে সদিয়া •र्शस्त्र प्लेयात्र शङब्राज्र क्रम, क्रुि श्रष्टाछ सङ्गएउ ञ्जिस्त्र পৰ্য্যস্ত যায়। ঐ সময়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নৌকাগুলি “ব্রহ্মকুণ্ড"তীর্থ পৰ্য্যন্ত গমন করিতে পারে। ধিঙ্গ ও হিঙ্গ নামক শাখানীদ্বয় হিমালম্বপানি:স্থত হইয়া এখানে ব্ৰহ্মপুত্রে মিলিত হইয়াছে। ৰিঙ্গই তিব্বতের প্রসিদ্ধ ৎসানপু নদী। এতরি श्वपडी मद-ििश्त्र, ज्ऊि, दूजैौ-ििश्त्र, ङित्रब्राहे नशै। ७ লোহিতলী ব্ৰহ্মপুত্রের কলেবর বৃদ্ধি করিয়া এই জেলার মধ্যে প্রবাহিত আছে । কৃষিকার্যের উন্নতি ও বৃদ্ধির জন্য এখানকার কোন নদী বা জলায় বঁধে দেওয়া হয় নাই। প্রাচীন আসামরাজগণ রাজ্যের মঙ্গলার্থ যে সকল স্থান বাধ দ্বারা রক্ষা করিয়াছিলেন, তাহাই অস্থাপি সেইভাবে রক্ষিত আছে। উহার কোন কোনটী সামান্তরূপে সংস্কৃত হইয়াছে মাত্র । বস্তবিভাগের উৎপন্ন ত্রব্যের মধ্যে “রবার” নামক প্রসিদ্ধ বৃক্ষনিৰ্য্যাসই প্রধান। এতদ্ভিন্ন রেশম, মোম ও নানাবিধ ওষধি পাওয়া যায়। হস্তী, গণ্ডার, যন্তমহিষ, মিথুন নামক ৰন্তগোরু, হরিণ ও ভল্লুক প্রভৃতি পশু ও নানা জাতীয় পক্ষী বনপ্রদেশে স্বচ্ছদে বিহার করিতে দেখা যায়। ব্ৰহ্মকুণ্ড বা পরশুরামকুও এখানকার প্রধান তীর্থ। এখানে ব্ৰহ্মপুত্রের একটী শাখা প্রবাহিত। প্রতি বৎসর বহু তীর্থযাত্রী পৰ্ব্বতোপরিস্থ এই তীর্থসন্মশনে আসিয়া থাকে। নিকটস্থ প্রসিদ্ধ দেও ডুবি (রাক্ষসকুও)–একটা গভীর পর্বতগহবর। সিঙ্গ নদী যেখানে নাগাশৈল পরিত্যাগ করিয়াছে, সেইস্থানে অবস্থিত। এই স্থানের ইতিবৃত্ত অনেকাংশে আসামের ইতিহাসের সহিত সংশ্লিষ্ট। আসাম অধিকার-মানসে পূৰ্ব্বাঞ্চলবাসী রাজন্তবর্গ ব্ৰহ্মপুত্র বাহিয়া প্রথমেই লখিমপুরে প্রবেশলাভ করিয়াছিলেন। কিংবদন্তী এই, বাঙ্গালার পালরাজগণ এক সময়ে এতদ্দেশে প্রভাববিস্তারপূর্বক হিন্দু উপনিবেশ স্থাপন করিয়াছিলেন। তৎপরে বাঙ্গালার বারভূয়ারাজগণ আত্মকলহে প্ৰপীড়িত হইয়া বিবান্ধবিরহিত এই নিবিড় প্রদেশপ্রান্তে আসিয়া আর একটা উপনিবেশ স্থাপন করেন। অস্থাপি র্যাশকাটা ও লখিমপুরনগরসন্নিহিত দীধিকাদ্বয় তাহাদের কীৰ্ত্তিস্বরূপ বিদ্যমান রহিয়াছে। শানৰংশীয় চুটিয়াগশই প্রথমে পূৰ্ব্ব হইতে আসাম আক্রমণ করে। তাহারা বারকুয়াদিগকে এখান হইতে তাড়াইয়া দিয়া সুবর্ণক্র নদীতীরে বাস করিয়াছিল ; কিন্তু এই রাজ্যসম্ভোগ তাছাদের অদৃষ্ট অধিক কাল ঘটে নাই। খৃষ্টীয় ত্রয়োদশ শতাৰে আহম রাজগণ আসাম অধিকারপূর্বক প্রাধান্ত স্থাপন করেন। চুটিয়াজাতি ঐ সময়ে কিছুকালের জন্য আপনাদের প্রভাৰ অক্ষুণ্ণ রাখিতে চেষ্টা করে, কিন্তু অকৃতকাৰ্য্য হইয়া পার্শ্ববর্তী দরলজেলার XVII °8 পলাইয়া আইসে। এখানে তাহার ষে স্থানে বাস করিয়াছিল তাহা অস্থাপি চুটিয়া নামে পরিচিত। . এই জাহমগণও শানজাতীয়। তাহার পোঙ্গ রাজ্যের পাৰ্ব্বত্যভূভাগ হইতে দলবলে অগ্রসর হইয়া পশ্চিমাভিমুখে আসামে জালিয়া সমুপস্থিত হয় এবং বলসঞ্চয় করিয়া ক্রমে একটা দুৰ্দ্ধৰ্ষ জাতি হইয় উঠে। এই সময়ে তাহারা বাহুবলে উদ্‌গু হইয়া ব্ৰহ্মপুত্র প্রবাহিত উপত্যকাভূমে আপনাদের আধিপত্য বিস্তার করে। মোগলসম্রাট অরঙ্গজেবের প্রেরিত সেনাপতি মীরকুমাকে তাহারা পরাভূত করিয়া বঙ্গসীমাস্ত হইতে তাড়াইয়া দেয় । এই বংশীয় মহাপ্রতাপাম্বিত রাজা রুদ্রসিংহের শাসনকালে আসামরাজ্যে শান্তি ও সমৃদ্ধি বিরাজ করিয়াছিল। আহম ও আসাম খে। ] রাজা গৌরীনাথের রাজ্যকালেই লখিমপুরে আহমবংশের শাসকশক্তির লোপ হয়। দুৰ্ব্বল রাজা গৌরীনাথ বিদ্রোহিদলের ষড়যন্ত্রে পড়ির রাজ্যচ্যুত ও নিম্ন আসামে নিৰ্ব্বাসিত হন। তদনন্তর শক্রপক্ষীয়ের সেই সমৃদ্ধ রাজধানী ধ্বস্ত করিয়া দেয় । এই সময়ে মোয়ামারিয়া বা মরনজাতি ব্ৰহ্মপুত্র নদের দক্ষিণকুলে স্বাধীনতা স্থাপন করিয়া আপনাদের প্রভাব বিস্তার করে এবং খমৃতীর সদিয়া-বিভাগ লুণ্ঠন করিয়া উৎসাদিত করিতে থাকে। সেই অরাজক রাজ্যে কোনরূপ শৃঙ্খলা স্থাপিত হয় নাই, রাজ্যাপহারক বড় গোসাঞী কিছুতেই স্বশাসনব্যবস্থা করিতে পারিলেন না। প্রজাবৰ্গ উপদ্রব ও অত্যাচারের হস্ত হইতে পরিত্রাণ পাইবার জষ্ঠ রাজ্য ছাড়িয়া পলায়ন করিল। অবসর বুঝিরা ব্ৰহ্মরাজ উপযুপিরি লখিমপুর-আক্রমণ করিলেন,যুদ্ধবিগ্রহে আরও জনক্ষয় ঘটিল। জনশূন্ত প্রজাবৰ্গ নিরুপায় হইয়াও লখিমপুর নগরের সম্মুখে পুনরায় যুদ্ধার্থ আয়োজন করিল, দুৰ্দ্ধৰ্ষ ব্ৰহ্ম-সৈন্তের সমক্ষে হতবল আসামীগণ দাড়াইতে পারিল না। তাহার পৰাস্ত হইয়া পলাইতে চেষ্টা করিল, কিন্তু বিজেতৃদল পশ্চাদ্ধাবিত হইয় তাহাদের সমূলে নিহত করিল। ১৮২৫ খৃষ্টাব্দে ব্রহ্মসৈন্ত লখিমপুর হইতে বিতাড়িত হইল বটে, কিন্তু লখিমপুরের অদৃষ্টে অত্যাচারস্রোত সমভাবে প্রবাহিত হইতে লাগিল। ইংরাজরাজ নামে মাত্র আসাম প্রদেশ অধিকার করিলেন । র্তাহারা তখনও এতদ্দেশে স্বশাসন ব্যবস্থা করিতে পারেন নাই। ডিব্ৰুগড় উপবিভাগের অন্তর্গত মটকবিতাগ তৎকালে দেশীয় সর্দারের অধীনে শাসিত হইত। ১৮৩৯ খৃষ্টাৰে বৃদ্ধসর্দারের মৃত্যুর পর, তাহার বংশধরগণ ইংরাজরাজের প্রস্তাৰমত বাস্থান স্থিত শীত লু भौठ्ठाउ श्न । अिहे বৎসরে ইংরাজরাজ উত্তর-লখিমপুর ও "শিবসাগর-বিভাগ রাজ