পাতা:বিশ্বকোষ ঊনবিংশ খণ্ড.djvu/৪২৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


است. بیبیسی বঙ্গদেশ ( খিলজীবংশ ) ऊँशंत्र शृङ्का वा ( श्रेिः ७०२ = ७२०s १: बः ) ।। ॐहङ्ग শবদেহ বেহারে স্থানান্তরিত ও সমাধিস্থ হইয়াছিল। উক্ত খিলজী বীরের সঙ্গে অনেক আফগান,মোগল ও ইরানীয় এদেশে আসিয়াছিল। তিনি অগণিত মুসলমান সেনাদল লইয় বাঙ্গালু, বেহার ও মগধের নানাস্থানে মুসলমান-শাসন বিস্তার করেন। তাহার আস্ত্রীর স্বজন ও আমীরগণ যাহারা তাহার সহিত ৰাঙ্গালায় আসিয়াছিলেন, তাহাদিগকে তিনি জায়গীর দিয়া বাঙ্গালায় বসাইয়াছিলেন । মহম্মদ-ই-বখতিয়ারের মৃত্যুসংবাদে তাহার বিশ্বস্ত বন্ধু ও দেবকোটেরসেনানায়ক মহম্মদ-ই-সিরান খিলজী বিশেষ ক্ষুব্ধ হন। কিন্তু যখন তিনি শুনিলেন, বগুলের শাসনকৰ্ত্ত আলীমৰ্দ্দান খ। তাহাকে ছুরিকাবিদ্ধ করিয়া তাহার প্রাণসংহার করিয়াছেন, তখন তাহার প্রতিহিংসা-বহি শতগুণে প্ৰজলিত হইয়া উঠিল, তিনি সদলে বগুলি অভিমুখে অগ্রসর হইয়া যুদ্ধে আলী মর্দনকে বন্দী এবং বাবা ইস্পাহানী নামক একজন কোতোয়ালের হস্তে তাহাকে সমর্পণ করিয়া রাজধানী অভিমুখে যাত্রা করিলেন । মহম্মদ সিরান লক্ষ্মণাবতীতে ফিরিয়া আসিলে মুসলমান সেনাধ্যক্ষের তথায় সমবেত হইয় তাহাকে একবাক্যে সৰ্ব্বপ্রধান মুসলমান অধিনায়ক বলিয়া স্বীকার করিল। মহম্মদ সিরান আজা উদ্দীন উপাধি সহ গৌড়ের মসনদে অধিষ্ঠিত হইলেন এবং মুসলমান-সেনাপতিগণকে অধীনস্থ সেনাদলের পোষণার্থ জায়গীর দান করিলেন । এদিকে রাজ্যাভিষেকের সুযোগে আলীমৰ্দ্দান কোতোয়ালকে উৎকোচ-দানে সস্তুষ্ট করিয়া স্বয়ং কারাবরোধ হইতে উন্মুক্ত হন। পরে তথা হইতে গোপনে দিল্লীযাত্রা করিয়া সম্রাট্‌ কুত্ব উদ্দীনের সমক্ষে বাঙ্গালার রাজনৈতিক বিপ্লবের কথা নিবেদন করেন। এই সংবাদ শ্রবণে এবং স্বীয় রাজশক্তির অবমাননা হইয়াছে ভাবিয়া সম্রাটু ক্রুদ্ধ হইলেন। তিনি তদগুেই অযোধ্যার শাসনকৰ্ত্ত কামার রুমিকে অবিলম্বে বাঙ্গাল অভিমুখে অগ্রসর হইতে আদেশ করিলেন। তদনুসারে কামার রুমি বাঙ্গালার অপরাপর মুসলমান সামন্ত সর্দারদিগকে বশীভূত করিয়া মহম্মদ সিরানকে দগুবিধান করিতে অগ্রসর হইলেন। যুদ্ধে পরাজিত হইয়া সিরান দলবল সহ কোচবিহার অভিমুখে পলাইয়া গেলেন। তথায় মুসলমান সর্দারগণ পরস্পরে আত্মকলহ উপস্থিত করিল। এক জন সর্দারের তরবারির আঘাতে গৌড়েশ্বর মহম্মদ সিরান নিহত হইলেন। কামার রুমি অবশিষ্ট সর্দারদিগকে ক্ষমা করিয়া বাঙ্গালী রাজ্য তাহদের মধ্যে বিভাগ করিয়া দিলেন। আলীমৰ্দান খিলজী বঙ্গবিজেতা মহম্মদ-ই-বখতিয়ার ধার XVII > er [ 8२S ] २त्राम' (थिलङ्गीरु३५) হত্যাকারী বলিয়া সাধারণে নিন্দিত হইলেও, তিনি বীর, সৎगांश्नैौ ७ कईकू*ण शिणन । डिनि वाकांश श्हेड क्झैिौण्ड উপস্থিত হইয়া দেখিলেন,দিল্লীশ্বর কুতুব সালে গজনী-বিজয়ে মাত্র করিতেছেন। আলীমর্দানও সম্রাটের সহকারিরূপে তথায় যাইয়া বিশেষ কৌশল ও রণপাণ্ডিত্য প্রদর্শন করেন। তাহাতে সস্তুষ্ট হইয়া সম্রাটু তাহাকে বাঙ্গালার রাজপ্রতিনিধি পদ দিয়াছিলেন। রাজাজ্ঞানুসারে হিসাম উদ্দীন অবুজ প্রভৃতি খিলজীবংশীয় সামন্তসর্দারগণ নবীন প্রতিনিধি আলীমৰ্দ্দানকে অভ্যর্থনার্থ কুশীনদীতীরে সমবেত হন। গৌড়েশ্বর আলীমৰ্দ্দন ঐ স্থানে সমাগত হইলে পরস্পরে মর্যাদাবিনিময়ের পর, সদলে দেবকোট অভি. মুখে যাত্রা করিলেন। এখানে কিছুদিন মসনদে উপবিষ্ট হইয়া তিনি পুনরায় লক্ষ্মণাবতী বা গৌড় রাজধানীতে উপনীত হইলেন। কেহই তাহার রাজ্যাধিকারে প্রতিবন্ধকতা করিল না। তিনি নিৰ্ব্বিরোধে বঙ্গের শাসনদও পরিচালনা করিতে লাগিলেন । ১২১ খৃষ্টাব্দে বা ৬০৭ হিজিরায় কুতুব উদ্দীনের মৃত্যু ঘটিলে আলীমৰ্দ্দান থী দিল্লী-রাজসরকারের অধীনতা-পাশ ছেদনপূৰ্ব্বক স্বয়ং মুলতান আল উদ্দীন নাম গ্রহণ করিয়া স্বাধীনভাবে বাঙ্গালা শাসন করিতে লাগিলেন। বাঙ্গালার মসনদে আরোহণের পূৰ্ব্বে মর্দানের হৃদয় প্রকৃত বীরপুরুষের স্তার ছিল। তিনি তৎকালে তীক্ষ বুদ্ধি ও রাজকীয় দূরদর্শিতার যথেষ্ট পরিচয় দিয়াছিলেন । রাজতক্তে উপবেশনানন্তর গৰ্ব্ব মদে মত্ত হইয় তাহার ঘোর চিত্তবিকার উপস্থিত হইল, তিনি ঘোরতর অত্যাচারী ও আত্মম্ভরী হইয়া উঠিলেন। র্তাহার প্রত্যেক কাৰ্য্যেই অনৈতিকতা ও অবিমূৰ্য্যকারিতা প্রকাশ পাইতে লাগিল । তাহার অধীনস্থ খিলজীবংশীয় ওমরাহগণ এবং সন্ত্রাস্ত প্রজাবৃন্দ রাজকৃত এরূপ হঠকারিত প্রভৃতি দোষ উপেক্ষা করিয়া নিশ্চিন্ত থাকিতে পারিলেন না। তাহারা উত্তরোত্তর বিরক্ত হইয়া অবশেষে ১২১২ খৃষ্টাৰে গৌড়েশ্বরকে গোপনে হত্যা করিল। রাজহত্যার অব্যবহিত পরেই, মুসলমান সর্দারবৃন্দ পুৰ্ব্ববৎ সমবেত হইয়া গঙ্গোত্তর জেলার সুপ্রসিদ্ধ সমস্ত হিসামু উদ্দীন অবুজ কে রাজসিংহাসনে অভিষিক্ত করিলেন। তিনি ঘোর রাজ্যের কোন সম্রাস্ত সর্দারবংশসস্তুত—অদৃষ্টান্বেষণে ভারতে আসিয়া মহম্মদ-ই-বখতিয়ারের অধীনে সেনানায়কের পদে নিযুক্ত হইয়াছিলেন। ক্রমে স্বীয় প্রভুর অনুগ্রহে গঙ্গোত্তর বিভাগের শাসনাধিকার প্রাপ্ত হন। র্তাহার বীরত্ব, সাহস ও কৰ্ম্মনিষ্ঠায় অপরাপর সর্দারগণ র্তাহার উপর শ্রদ্ধাবান ছিল। মহম্মদ সিরানের রাজ্যকালে কামার রুমির সমক্ষে তিনি দিল্লীশ্বরের অধীনতা স্বীকার করায় রাজভক্তির পুরস্কারস্বরূপ বিশেষরূপ সন্মানিত হইয়াছিলেন ।