পাতা:বিশ্বকোষ একাদশ খণ্ড.djvu/৬২৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পুরাণ (দেবীভাগবত যাইতে পারে"। তাহ বলিয়৷ এই গ্রন্থে অতি প্রাচীন পুরাণখ্যায়িকারও অভাব নাই । হিন্দুসমাজে পুরাণ, ভাগবত ও মহাভারত একের শ্ৰীকয়নিঃস্বত বলিয়। প্রচলিত আছে। কিন্তু ভাষাল আলোচনা করিলে এরূপ বোধ হয় না । ব্ৰহ্ম, বিষ্ণু, ব্ৰহ্মাও ও মহাভারতের ভাষা যেরূপ সরল, ওজস্বী ও মধ্যে মধ্যে গাম্ভীৰ্য্যশালী, ভাগবতের ভাষা সেরূপ নহে। ভাগবতের অনেক স্থানই কঠিন, অলঙ্কত, বিবিধ ছন্মোবিশিষ্ট ও গভীর চিন্তাসমুদ্ভূত। ভাগবতের নিজ উক্তি অমুসারেই ভাগবত মহাপুরাণ হইতে পারে না, কারণ তাহার পূৰ্ব্বে মহাভারত ও সকল পুরাণ প্রচলিত হইয়াছিল, তাহা ভাগবতকার নিজেই স্বীকার করিয়াছেন। ইহা যে পঞ্চমপুরাণ তাহ ভাগবতকার কোথাও প্রকাশ করেন নাই, বরং তিনি অষ্টাদশ পুরাণ-গণনা-কালে অষ্টাদশ পুরাণান্তর্গত ভাগবতকে একবার ৮ম ৬ ও একবার ৫ম পুরাণ বলিয়া গোল বাধাইয়াছেন । পুরাণার্ণবের শ্লোক অনুসারে আবার বিষ্ণুভাগবতকেই মহাপুরাণ বলিয়া মনে হয়। বাস্তবিক এই শ্ৰীভাগবত নানাথ্যানযুক্ত একখানি বৈষ্ণবীয় দার্শনিক গ্রন্থ। গীতায় ভগবান শ্ৰীকৃষ্ণ যে অপূৰ্ব্বমত প্রকাশ করিয়াছেন, পাঞ্চরাত্র ও ভাগবতগণ যে দার্শনিকমত স্বীকার করেন, বৈদাস্তিক মতের সহিত সেই সকল তত্ত্ব নানা-উপাখ্যানাদি দ্বারা সবিস্তারে বুঝাইবার জন্য ভাগবতের স্বষ্টি । সেই জগু দার্শনিক জগতে ভাগবতের সমধিক মাদর। এই জন্তই অপর সকল পুরাণ অপেক্ষ এই ভাগবতের উপর হিন্দুসাধারণের প্রগাঢ় অমুরাগ, যথেষ্ট সন্মান ও অচলা ভক্তি লক্ষিত হয়। বিশুদ্ধ বেদান্ত-মত এই ভাগবতে অতি সুন্দর উপায়ে বিবৃত হইয়াছে। সেই জন্তই ভাগবতকার লিখিয়াছেন –

  • &ौछाँगद5 x२ ॥१॥२७॥ + ॐ७|१दष्ठ ०२॥४७॥e !

(১) এই শ্ৰীমদ্ভাগবতের বহুসংখ্যক টকা দৃষ্ট হয়-অমৃততরঙ্গিণী, BBBBS BBBBBS BBBBBS BDDBBS BB BBBS BBBBS BBBS BBBBBBBS BBBDBBBBBS BBBBS BBBBDS আনন্দন্তীখকৃত ভাগবততাৎপৰ্য্যনির্ণয়, এবং জমার্দমভট, নরহরি, ও ঐমিবাসরচিত তাহার টীক, ধরম্বামি-কৃত ভাবার্থীপিক ও কেশবদাসকৃত ভাবার্ধদীপিকাস্নেহপূরিণী, কল্যাণরায় কর্তৃক তত্বদীপিকা, কৌৱসাধু, কুঞ্চগুট, ও গোপাল চক্ৰবৰ্ত্তাঁর টীকা, চূড়ামণি-চক্ৰবৰ্ত্তীর অস্বয়বোধিনী, নরসিংচাচার্যের ভাবপ্রকাশিকা, নৃহরির তাৎপৰ্য্যদীপিক, নারায়ণ, ভেদবাদী. যদুপতি, বল্লভাচাৰ্য্য, বিজয়ধ্বজতীর্থ, বিশ্বনাথ চক্রবর্তী, বিষ্ণুস্বামী, बौद्रग्नाशश, *ियब्राभ, ॐौनिवानीकां{ी, भङ7ांछिनवडौश, श्मभनट्रनि, হরিভাকু শুক্ল প্রভূতির টীক, এতদ্ভিন্ন মধুসূদন সরস্বতীয় ভাগবতপুরাণাদ্যশ্লোকত্রয়টক, কৃষ্ণদীক্ষিতের সুবোধিনী, সনাতন গোস্বামীর বৈঞ্চবছোৰিণী, বাস্থদেবের বুধরঞ্জিনী, বিটঠল-দীক্ষিতের নিবন্ধবিবৃতিপ্রকাশ, ব্ৰহ্মালম্বভারতীর একাদশস্কন্ধলায় প্রভৃতি উল্লেখযোগ্য। [ ७२8 ] পুরাণ ( দেবীভাগবত )

  • णविांडिशाब्रs fश् '्छ्i*षिखfषश्]८ष्ठ । उजगोष्ठङ्चगा मीमाजं चाशद्धि: हि१r ( ०२।१भ•१ ) এখন দেখা যাউক, দেবীভাগবতের মূল আলোচনা করিয়া কিরূপ পাওয়া যায়। দেবীভাগবতে দ্বিতীয় অধ্যায়ে লিখিত षt८छ्

"পুরাণমুত্তমং পুণ্যং শ্ৰীমদ্ভাগবতাভিধম্। অষ্টাদশসহস্রাণি শ্লোকান্তত্ব তু সংস্কৃতাঃ ॥ স্কন্ধ দ্বাদশ এবাত্র কৃষ্ণেন বিহিতাঃ শুভাঃ । ত্রিশতং পূর্ণমধ্যায় অষ্টাদশদ্ভূতাং স্বতঃ ॥ ১২ সৰ্গশ্চ প্রতিসর্গশ্চ বংশে মন্বস্তুরাণি চ । ংশামুচরিতঞ্চৈব পুরাণং পঞ্চলক্ষণম্।।” ( ১২১৮) এই শ্ৰীমদ্ভাগবত নামক পুরাণ সৰ্ব্বোত্তম ও পুণ্যপ্রদ, ইহা অষ্টাদশসহস্ৰ-সংখ্যক বিশুদ্ধ শ্লোকমালাসম্বলিত, ৩১৮ অধ্যায় পূর্ণ ও মঙ্গলময় ১২ট স্কন্ধবিশিষ্ট । সর্গ, প্রতিসর্গ, বংশাবলী, মন্বন্তর ও বংশানুচরিত এই পঞ্চলক্ষপযুক্ত ( এই ) পুরাণ । পঞ্চলক্ষণ ধরিলে এই দেবীভাগবতই মহাপুরাণ মধ্যে গণ্য । মৎস্ত প্রভৃতি পুরাণোক্ত লক্ষণ ও সমস্তই এই দেবীভাগবতে আছে । পুরাণার্ণবের বচনে ভাগবতে ৩৩২ অধ্যায় আছে ; কিন্তু দেবীভাগবতের মতে ৩১৮ অধ্যায় মাত্র । কাজেই অধ্যায় সংখ্যা লইয়! আবার মহাপুরাণত্ব সম্বন্ধে গোল থাকিতেছে । বিষ্ণুভাগবতে যেমন ভদ্রকালীর মাহাত্ম্য স্থচিত হইয়াছে, এই দেবীভাগবতে সেইরূপ রাধার মাহাত্ম্য বিবৃত হইয়াছে। বিষ্ণুভাগবত যেমন দার্শনিক-প্রধান, এই দেবীভাগবত সেইরূপ তন্ত্রাঙ্গুসারী। ইহাতে যথেষ্ট তন্ত্রের প্রভাব লক্ষিত হয়, এই জগুই দেবীযামল প্রভূতি তান্ত্রিকগন্থে এই দেবীভাগবতের প্রাধান্ত স্বীকৃত হইয়াছে। তন্ত্র প্রধান বলিয়াই কেহ যেন এমন মনে না করেন, যে দেবীভাগবত নিতান্ত আধুনিক । নেপাল হইতে খৃষ্টীয় ৬ষ্ঠ শতাব্দীতে লিখিত তন্ত্রগ্রন্থের পুথি পাওয়া গিয়াছে । এখন প্রমাণ পাওয়া যাইতেছে, খৃষ্টীয় ১ম শতাব্দীতেও তান্ত্রিক মতবিশেষ প্রচলিত হইয়াছিল। দেবতাদির মূৰ্বি-নিৰ্ম্মাণ করিয়া প্রতিষ্ঠ, ইহা তান্ত্রিক প্রভাব সময়েই প্রবপ্তিত হয়। দেবীভাগবত-নামধেয় শ্ৰীমদ্ভাগবতে বহু প্রাচীন কথা থাকিলেও তান্ত্রিক প্রভাবের সময় ইহার পুনর্সংস্কার হইয়া ছিল, তাহাতে সন্দেহ নাই। রাধার উপাসনাও তান্ত্রিক প্রস্তাবের ফল। বিষ্ণুভাগবতে সবিস্তর খ্ৰীকৃষ্ণচরিত ও গোপীগণের প্রসঙ্গ থাকিলেও রাধাচরিত নাই, স্পষ্টতঃ রাধার নামটী পৰ্য্যন্ত নাই। বিষ্ণুভাগবত-রচনাকালে রাধার উপাসনা প্রচनिष्ठ शहैरण अदष्टहे उन्राप्मा ब्रांथांमांशज़ा कथिठ इहेऊ, किरु না থাকায় বলিতে হইবে, তখনও রাধা বৈষ্ণবসমাজে গৃহীত