পাতা:বিশ্বকোষ দশম খণ্ড.djvu/১০৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নিজামরাজ্য মুসীনদীর উত্তরাংশে ইংরাজপ্রতিনিধি বাস করেন। নিজামের ও এই প্রতিনিধির বাটতে যাতায়াতের সুবিধায় জম্ভ একট সুরমা সেতু বর্তমান রহিয়াছে। নিজামের বর্তমান মন্ত্রী বার-দোয়ারিতে বাস করেন । গোলকগুীর মুসলমানবংশের জাদিপুরুষ সুলতান কুলীফুতবশাহের অধস্তন পঞ্চমপুরুষ স্থানীয় কুন্তবশাহ মহম্মদকুলীই ১৫৮৯ খৃষ্টাব্দে হায়দরাবাদ নগর স্থাপন করেন । মহম্মদকুলী এই নগর স্থাপনপূর্বক গোলকগু হইতে এই স্থানে রাজধানী আনয়ন করেন এবং নিঞ্জপত্নী ভাগমতীর নামানুসারে ইহাকে ভাগনগর কহিতেন। পরে উক্ত ভাগমতীর মৃত্যুর পর উচ্চার হায়দরাবাদ (অর্থাৎ হায়দরের নগর) নাম হয় । মহম্মদকুলী প্রবলপ্রতাপের সহিত ৩৪ বৎসর রাজত্ব করিয়া বহুদূর পর্যন্ত রাজ্য বিস্তার করেন। তিনি পূৰ্ব্বোক্ত জুমা-মসজিদ, মাদ্রাসা, নহবত-ঘাটের রাজবাট প্রভৃতি প্রস্তুত করিয়াছিলেন । তাছার মৃত্যুর পর, তাহার পুল সুলতান আবদুল্লা কুতবশাহ রাজ্যাভিষিক্ত হন । শাহজছানের রাজত্বকালে অরঙ্গজেব কর্তৃক কুতবশাহ . পরাজিত হন ও র্তাহার রাজ্য ছিন্ন ভিন্ন হয় । ১৬৭২ খৃষ্টাব্দে আবদুল্লার মৃত্যু হইলে, তাছার জামাত। অর্ণবুহোসেন সিংহাসনে আরোহণ করেন । ইহার সময় অরঙ্গজেব কর্তৃক এই রাজ্য পুনরায় লুষ্ঠিত ও অধিকৃত হয়। অরঙ্গ- ! জেব এই রাজ্য ভিন্ন ভিন্ন ভাগে বিভক্ত করিয়া, ভিন্ন ভিন্ন সেনানায়কের উপর উহার শাসনভার সমর্পণ করেন। বহুদিবস [ et ) পর্যান্ত চায়দরাবাদ রাজ্য এই প্রণালীতে শাসিত হইয়া আসিতে ছিল । অরঙ্গজেবের পুল্ল বাহাদুর শাহ ১৭১২ খৃষ্টাকে | পরলোক গমন করিলে, জুলফিকার গা দাক্ষিণাত্যের রাজপ্রতিনিধিত্বে ও দাউদ খা নামক পাঠান উহার শাসনকর্তৃত্বে নিয়োজিত হন । এই সময়ে বাহাদুর শাহের পুত্রদিগের মধ্যে সিংহাসন । লষ্টয় বিবাদ ও যুদ্ধ ঘটে । এই যুদ্ধে বাছাছুর শাহের প্রথম পুত্র | | | জহান্দার শাহ জয়ী হন ও সিংহাসন পান এবং দ্বিতীয় আজিম-উস্- | শান পরাজিত ও নিহত হন । জছান্দরের সহিত ১৭১২ খৃষ্টাব্দের ৷ ডিসেম্বর মাসে আজিম-উস্-শানের পুত্র ফর্থ-শিয়ারের যে যুদ্ধ হয়, তাছাতে প্রথমোক্ত ব্যক্তি নিহত হন ও শেষোক্ত বাক্তি ; রাজ্য লাভ করিয়াছিলেন। যাহার, ফরুখ-শিয়ারকে সাহায্য করিয়াছিল, তাহাদিগকে তিনি যথোচিত পুরস্কার ও উপাধি ; প্রদান করেন । এই সমস্ত সাহায্যকারিগণের মধ্যে চীন- ! ফিলিচ খাঁ নামক একবাক্তি নিজাম উলমূল আসঙ্গো উপাধি । নিজাম শাহ বান্ধী পড়েন, এজগু দাউদ খাকে উহার নিধন জন্তু ইঙ্গিত করিয়া একখানি পত্র লিখেন। দাউদ খা সম্রাটের ইঙ্গিতে ৰুরহানপুর মামক স্থানে অধিষ্ঠিত হইয় আপনাকে দাঙ্কিশ্বাত্যের রাজপ্রতিনিধি বলিয়া ঘোষণা করিলেন। ছোসেল আলী এই সংবাদে সাতিশয় ক্রুদ্ধ হইয়া, দাউদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ যাত্র করেন। ১৭১৬ খৃষ্টাকে উভয় পক্ষে যে ঘোরতর যুদ্ধ হর, তাহাতে দাউন নিহত হইলে, হোসেন আলী ও তাছার ভ্রাতা সৈয়দ আল্লা খ সম্রাট ফারুখশিয়ারের বিরুদ্ধে দিল্লী যাত্রা করিলেন। ১৭১৮ খৃষ্টা হইতে ১৭১৯ খৃষ্টা পৰ্য্যস্ত দিল্লীর সম্রাটুকে যে কি তুর্গতি ভোগ করিতে হইয়াছিল, তাহা ভারতবর্ষের ইতিহাসপাঠক মাত্রেই অবগত আছেন। ১৭১৯ খৃষ্টাব্দের ফেব্রুয়ারি মাসে হোসেন আলী ও আবৃন্ন খায় হুকুম মতে ফঞ্চ-শিয়ার झज्र इन । अनप्लग्न ऐंख् बांङ्कुच्चग्न झर्यौं-स्ने क्रोलो८क मांधा छा। অভিষিক্ত করেন । কিন্তু অল্প দিন মধ্যেই তাঙ্কার शू रब ७ মহম্মদ শাহ দিল্লীর সিংহাসনে আন্ধঢ় হন । ইহার রাজত্বকালে আসফজাহ ১৭২২ খৃষ্টাব্দে দিল্লীর উজীরত্ব গ্রহণ করেন। তৎপরে উজীরত্ব পরিত্যাগ ও দাক্ষিণাত্যের রাজপ্রতিনিধি মুবারিজ খাকে পরাস্ত ও নিহত করিয়া, হায়দরাবাদে নিজাম রাজ্য স্থাপন করেন । নিজাম শক, একজন মুসলমান জল-বাহী । পাটনানগরের নিকটে শের-শাহের সহিত যুদ্ধে পরাস্ত হইয়া পলাইবার সময় . সম্রাট হুমায়ুন চৌসানদীতে জলমগ্ন হন । এই সময় ঐ ব্যক্তি নদী হইতে জল বহন করিতেছিল। সে সম্রাটের এই দুরবস্থা দেখিয়। তাছাকে নদী হইতে উঠাষ্টয়া আনে। সম্রাট্র প্রাণ পাইয়। এই ব্যক্তিকে আগ্ৰায় লইয়া যান এবং কৃতজ্ঞতা দেখাইবার জন্ত অদ্ধদিন তাহাকে আগ্রার মসনদে (সিংহাসনে) বলাষ্টয়া রাখেন। তৎপরে তাছাকে আমার উপাধি ও বহু ধনরত্ন দান করেন । নিজাম-শহ,দক্ষিণাত্যের নিজাম-শাহী রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা। ইনি বাহ্মণীবংশের রাজমন্ত্রী নিজাম-উল-মুলকু-বেহুরীর জ্যেষ্ঠ পুর, প্রকৃত নাম আহ্মদশাচ । পিতার মৃত্যুর পর, ইনি বাহ্মণীরাজের অধীনতা পরিত্যাগ করিয়৷ ১৪৯০ খৃষ্টাব্দে আহ্মদনগরে স্বাধীনভাবে আপনাকে রাজা বলিয়া ঘোষণা করেন । সেই অবধি দক্ষিণাত্যে নিজাম-শাঙ্গরাজগণ ১৬২৬ খৃষ্টা পর্যাস্ত এইখানে রাজত্ব করেন । ইনি ১৫৩৮ খৃষ্টালে মৃত্যুকাল পর্যন্থ রাজত্ব করিয়াছিলেন । [ নিজাম-শাহী দেখ। ] লাভ করেন। ইতিমধ্যে স্কুলফিকার নিহত ও সৈয়দ হোসেন নিজাম-শাহ বাহ্মণী, দাক্ষিণাত্যের বাঙ্গণী-রাজবংশের বালক আলী দক্ষিণাত্যের রাজপ্রতিনিধিত্বে নিযুক্ত হন । কিন্তু হোসেন আলীর ক্ষমতা দেখিয়া ফরুখশিয়ার অত্যন্ত ভীত হইয়া X ২৭ রাজা । ১৪৬১ খৃষ্টাব্দে ইহার পিতা হুমায়ুনশাহের মৃত্যু হটলে ইনি দাক্ষিণাত্যের সিংহাসনে আরোহণ করেন। ইছার মাত৷