পাতা:বিশ্বকোষ দশম খণ্ড.djvu/২৯৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মুনিয়া अलि निकछे ब्राङद्र नश्टवय श्ल विदांश् निरुिरु । किड़ অন্ত তিনকুলে তিনপুরুষ এবং কোন কোন মতে পাচপুরুষ পৰ্য্যস্ত বিবাহ নিষিদ্ধ। মুনিয়াজাতির অল্পবয়সেই কষ্টার বিবাহ দেয়, কিন্তু অর্থাভাবশতঃ কেহ কেহ একটু বেশী বয়সেও বিবাহ দিয়া থাকে। ইহাদের মধ্যে বহুবিবাহ প্রচলিত আছে, কিন্তু কাহারও দুয়ের অধিক পত্নী প্রায়ই দেথা যায় না, এবং বংশরক্ষার্থ কেহ একাধিক পরিবার গ্রহণ করিলেও নিন্দনীয় নহে। সাগাই প্রথায় বিধবাগণ নূতন স্বামী গ্রহণ করিতে পারে এবং ইচ্ছামত স্বামী মনোনীত করিতে পারে, কিন্তু বনিষ্ঠ কুটুম্বেশ্ব মধ্য হইতে লইতে পারে না। মুতস্বামীর কনিষ্ঠভ্রাতার সহিত অর্থাৎ দেবরের সহিত বিবাহ হওয়াই ইহার উপযুক্ত মনে করে। পত্নী অসতী হইলে অথবা পতিপত্নীর সহিত মিল ন হইলে পঞ্চায়ত হইতে পত্নীপরিহারের অনুমতি দেওয়া হয়। এইরূপে এক স্বামী পরিত্যাগ করিলে, মুনিয়া স্ত্রীলোকের অন্য স্বামীগ্রহণ | করিতে পারে, কিন্তু যদি একবার অস্ত্যজাতির সঙ্গে সহবাস করে, তাহা হইলে তাহাকে সমাজচ্যুত হইতে হইবে এবং ! অার স্বজাতির মধ্যে বিবাহ করিতে পারিবে না । ত্ৰিহুতীয় ব্রাহ্মণের ইহাদের বিবাহদি কার্য্যে পৌরোহিত্য | করিয়া থাকেন। ইহাদের বিবাহপ্রথা অন্তান্ত জাতির প্রথা অপেক্ষা একটু পূণকৃ। বরের মূল্য কুলীতি অনুসারে এক জোড়া কাপড় এবং এক টাকা হষ্টতে পাঁচ টাকা পর্যন্ত । এই মূল্যের নাম তিলক । বিবাহের পূৰ্ব্বে এই মূল্য নির্ণয় করিতে হয়। বিবাহের পর কল্প বরযাত্ৰিগণের সঙ্গে শ্বশুরালয়ে যায় না । যতদিন পৰ্য্যন্ত দ্বিতীয় সংস্কার না হয়, ততদিন পিত্রালয়েই থাকে। দ্বিতীয় সংস্কারের পর বর আত্মীয়কুটুম্বপ্রভৃতি লোকজনসহ সমারোহের সহিত স্ত্রীকে বাটতে লইয়া আইসে । ইহাকে দ্বিরাগমন বলে । অবধিয়া মুনিয়ার মধ্যে ‘আস্থাউই সাড়ী’ বলিয়া একটা আশ্চর্যপদ্ধতি প্রচলিত আছে, এই পদ্ধতি অনুসারে বরকন্যাকে বিবাহের সময় স্থানান্তরে থাকিতে হয়। বেহারে প্রচলিত হিন্দুধৰ্ম্মই মুনিয়াদের ধৰ্ম্ম । ইহাদের মধ্যে শক্তের সংখ্যাই অধিক ; কিন্তু বৈষ্ণবও অল্পপরিমাণে দেখা যায়। ভগবতী ইহাদের প্রধান আরাধ্যদেবী । ইহার বন্দী, গোরৈয়া এবং শীতলার পূজা মঙ্গলবার, বুধবার এবং শনিবারে করিয়া থাকে । স্ত্রীলোকেরা ও বালকেরা বিশেষ কোন দেবদেবীর পূজা করে না ; তবে সময় সময় স্ত্রীলোকগণ শীতলাপুজায় যোগ দেয়। সন্ন্যাসী ফকিরগণই এই জাতির গুরু । ইছাদের মৃতদেহ দাহ করা হইয়া থাকে। পাঁচবৎসরের মধ্যে কাহারও মৃত্যু হইলে তাহার দেহ না পোড়াইয়া গোর দেওয়া হয়। Χ 8 [ ২৯৩ ] মুয়াজিস্মহম্মদ cमीमांभांछिं इहेtउ cभांब्राँ ७ शब* <यंडङ कङ्गां देशप्नब्र পৈতৃক ব্যবসা। বর্তমান সময়ে ইহাদের মধ্যে অনেকে রাস্ত নিৰ্ম্মাণ, পুষ্করিণীখনন, অট্টালিকানিৰ্ম্মাণ, ঘর ছাওয়া প্রভৃতি মজুরের কার্য্য করিয়া থাকে। কেহ কেহ আজ কাল কিঞ্চিৎ छमांछभि७ कब्रिग्रांरझ । शाझ्ष्मग्न छग्नि छम माहे, उॉरुॉब्रां শীতকালে কার্য্যের জন্য নানাদেশে ভ্রমণ করিয়া বেড়ায় । এই সমরে ইহারা কুটীর নিন্মাণ করিয়া তথায় বাস করে । বঙ্গদেশে আসিয়া ইহাদের অনেকে গোয়াল প্রভৃতির বাড়ীতে চাকরের কার্য্য করিয়া থাকে । পাটন, মুঙ্গের এবং মুজাফরপুরের মুনিয়ারা কুৰ্ম্মী, কোইরী প্রভৃতি জাতির সমকক্ষ এবং ব্রাহ্মণগণ ইহাদের জল খাইয়। থাকেন। কিন্তু ভাগলপুর, পূর্ণিয়, চম্পারণ, শাহাবাদ ও গয়ার মুনিয়াদের জল কেহ পান করে না, তথায় ইহারা তাতির সমতুল্য । ইহার ইদুর ও শুকর খাইয়া থাকে। ইহাদের সকলেই প্রায় মদিরাপ্রিয়। লুভ্র, লাদকের উত্তরপশ্চিমে অবস্থিত একটা জেলা। হিমা লয়ের উত্তরপশ্চিমে শায়ুক নদীর তীরে অক্ষা” ৩৫° হইতে ৩৬' উঃ এবং দ্রাঘি ৭৭ হইতে ৭৮ পূঃ মধ্যে অবস্থিত। তিব্বতের মধ্যে এই স্থান অতি উচ্চ এবং অমুর্বর। নিম্ন মুভ্রের গ্রামসংখ্যা তত অধিক নহে, তবে কি না এখানকার ভূমি সকল অপেক্ষাকৃত বেশী উৰ্ব্বর, তজ্জন্ত চাষবাসও বেশী রকম । মুলনী, আরঙ্গাবাদের অন্তর্গত একটা নগর। অক্ষা ১৯ ৪১ উঃ এবং দ্রাঘি ৭৪” ২৩ পুঃ । মুমহুলকোট, মলবার প্রদেশের একটা ক্ষুদ্র সংর। কোলি কদু হইতে ৫২ মাইল পূৰ্ব্বোত্তর ভাগে ; অক্ষা” ১১° ৩২' উঃ ও দ্রাঘি ৭৬° ৩৫' পূঃ মধ্যে অবস্থিত। মুক্তি, (বুমি) বেলুটাম্বানের কলাতের অন্তর্গত লুজের এক শ্রেণীর লোক। ইহারা মুসলমানধৰ্ম্মাবলম্বী। করাচীর মুস্ত্রিগণ কোন রাজপত্নীর গর্ভসস্থত বলিয়া গৌরব করিয়া থাকে। উক্ত রাজপত্নীর নয়ট পুত্র জন্মে, এই নিমিত্তই ঐ জাতিকে নওমৰ্দ্দি বলে। বর্তমান সময়ে ইহার ২২ট শাখায় বিভক্ত হইয়াছে। এই সমুদায় শাখাই উল্লিখিত ৯ পুত্র হইতে উৎপন্ন । মুয়াজিস্মহম্মদ, (নওয়াছিল) নবাব আলীবর্দীর ভ্রান্থপুত্র। আলীবর্দী বেহারের নবাবীপদে নিযুক্ত হইলে পর, কনিষ্ঠ ভ্রাতৃপুত্রের সহিত এক কল্পার বিবাহ দেন । ইহার গর্ভে মীর্জাगरुषप्लग्न छद्म श्ब्र । अिहे वोर्खाभश्ष cत्रप्रु निम्नाछषेत्कोण। বলিয়া বিখ্যাত হন । সিরাঞ্জের নানাদোষ সত্ত্বেও তালীিবর্দী ১৭৫৬ অব্দে তাহাকে স্বীয় উত্তরাধিকারী করেন ; এই জগু মুয়াজিস মহম্মদ বিলক্ষণ অসন্তোষ প্রকাশ করেন ; কেমন,