পাতা:বিশ্বকোষ দশম খণ্ড.djvu/৩৮৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নেপাল দাজ বৃক্ষময়ের তিন পুত্র ও একটী কস্ত ছিল । তিনি মৃত্যুর পূৰ্ব্বে জ্যেষ্ঠ পুত্ৰকে ভাতগাও, দ্বিতীয় রশমল্লকে বলেপা, তৃতীয় রত্নমল্লকে কাঠমাণ্ডু ও কস্তাকে পাটনের সামন্তরাজ্য ভাগ कब्रिग्नी ¢प्रब । क्रुि झम*:हे श्रृंद्रन्witङ्गग्न भtश विदांक इ७प्राग्न न कtण शैनदल शहेग्रां *ट्ज़न । ब्रांखा शचमल्ल ७हेक़cv अtन्न *াজ্য-বিভাগ করিয়া দিলেও প্রকৃত বংশধর অভাবে অথবা কোন অভাবনীয় কারণে বনেপ শু পাটনরাজ্য ভাতগাও ও কাঠমাণ্ডুর রাজবংশয় কয়ায়ত্ব ছয় । এই কারণেই নেপালের ইতিহাসে গোর্থ আক্রমণের পূৰ্ব্বে উক্ত হুইট রাজ্যের যৎকিঞ্চিৎ ইতিবৃত্ত পাওয়া যায়। ৫৯২ নেপালী সংবতে তাহার মৃত্যুতে নেপালরাজ্য এইরূপে বিভক্ত হইয় পড়ে। তাহার জ্যেষ্ঠপুত্র রায়মল্ল ভাতগাওএর পিতৃসিংহাসন প্রাপ্ত হন । এই সময়ে ভাতগাও রাজ্য পূৰ্ব্ব দুধকুশী পৰ্যন্ত বিস্তৃত ছিল । ইহার বংশে ভাতগাওএ তৎপুত্র প্রাণমল্প, পরে তৎপুত্র বিশ্বমল্ল রাজা হন । বিশ্বমল্ল অনেকগুলি মঠ ও দেবমন্দির স্থাপন করেন । ইহার পুত্র ত্ৰৈলোক্যমল্লের রাজত্বের পর তৎপুত্র জগজ্যোতিমল্ল শাসনভার গ্রহণ করেন। ইনিই ভাতগাও এ আদিভৈরবদেবের রথযাত্রা-উৎসব প্রবর্তন করেন। ইহার জীবলীল। শেষ হইলে, তৎপুত্র নরেন্দ্ৰমল্ল রাজা হন । । ইছার পর তৎপুত্র জগৎপ্রকাশমল্ল রাজপদ পাইয়। ৭৭৫ নেপাল ংবতে অনেক কীৰ্ত্তিস্তন্ত স্থাপন করেন । তচপালটোলগ্রামে দ্বারসিংহ ভারে ও বাসিংহ ভারো নামে দুই ব্যক্তি ভীমসেনের উদ্দেশুে একটী মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন । ৭৮২ নেংসং তিনি বিমলাস্নেহুমণ্ডপ ও ৭৮৭ নেংলং গরুড়ধ্বজ নামে একটী স্তস্ত নিৰ্ম্মাণ করান। ইহার পুত্র রাজা জিতামিত্র (৮০২ নেং সং) একটী ধৰ্ম্মশালা, নারায়ণ-মন্দির ও (৮০৩ নেং সং ) দত্তাত্রেয়েশের মন্দির স্থাপন করেন। ইছার পুত্র রাজা ভূপতীন্দ্রমপ্লের রাজত্ব সময়ে নেপালে একট স্ববৃহৎ দরবার ও নানা দেবদেবীর মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়। ইনি স্বয়ং ও পুত্র রণজিতের সাহায্যে ৮৩৮ নেং সং ভৈরবদেবের মন্দিরে স্বর্ণ ছাদ নিৰ্ম্মাণ করিয়া দেন। রণজিতমল্ল পিতার মৃত্যুর পর শাসনভার গ্রহণ করিয়া নেপালে অনেক অদ্ভুত কীৰ্ত্তি রাখিয়া যান। ইনি ৮৫৭ নেং সং অন্নপূর্ণ দেবীর মন্দিরে একটা বৃহৎ ঘণ্টা ঝুলাইম্বা দেন। ইহারই রাজত্বকালে ভাতগাও, ললিত-পাটন ও কান্তিপুর-রাজগণের মধ্যে পরস্পর বিরোধ উপস্থিত হয় । গোর্থদেশাধিপতি রাজা নরভূপাল তৎকালীন রাজাদিগকে এইরূপ হীনবল দেখিয়া নেপাল স্বাক্ৰমণ করিলেন। তিনি ত্রিশূলগঙ্গা নদী পার হইয়া | নেপালে উপস্থিত হইলে, নবকোটের বৈশরীজ তাহার বিরুদ্ধে X ৯৮ [ eసి ) הזוינס अश्वणद्र रुन । ५३ यूक cभर्षिङ्गिांश्च *ब्रॉजिङ इहेब्री चरमएल প্রত্যাগমন করেন । @ গোর্শাপতি নয়কৃপালের পুত্র স্বাৰা পৃথ্বীনারায়ণ রণজিতের ब्रांछङ्ग-गभग्न cन*ांड श्रृंद्रिभ*म खमां★भन कहङ्गम । ' ब्रचंछि७ র্তাহার আতিথ্য-গ্রহণে ও বিনীত আচার-ব্যবহার দর্শনে মিঞ্জ পুত্র বীর-নৃসিংছমল্পের সহিত তাহার মিত্রতা স্থাপন করিয়া দেন, কিন্তু যুবরাজ অকালে মানবলীল। সম্বরণ করায় ভাঙৰ্গাওয় । স্বৰ্য্যবংশীয় রাজগণের অস্তিত্ব লোপ হয় । রাজা যক্ষমল্ল দ্বিতীয়পুত্র রূণমল্লকে বণিকৃপুর ( বনেপ ) ও অার সাতটী গ্রামের শাসনভার অর্পণ করেন। তাছার অধিকারসীম। পূৰ্ব্বে ভূধকোণী ও পশ্চিমে সঙ্গানামক স্বান এবং উত্তরে সঙ্গাচক ও দক্ষিণে মেদিনা-মল নামক বস্তুভূমি পৰ্যন্ত বিস্তৃত ছিল । বণিকপুরের কোন ব্যক্তি ( ৬২২ মেং সং ) পশুপতিনাথকে একখানি মূল্যবান কবচ ও একমুখী রুদ্রাক্ষ উপহার দিবার কালে রাজাকে একথানি শীল উপঢৌকন দেন। ঐ শাল অস্থাপিও কান্তিপুর রাজধানীতে রক্ষিত আছে। রাজা যক্ষদলের তৃতীয় পুত্র রাজা রত্ন বা রতনমল্ল পিতার বিভাগামুসারে কাঠমাণ্ডুর রাজ্যভার প্রাপ্ত হন। এই রাজ্যের পূর্ণ সীমায় বাঘমতী, পশ্চিমে ত্রিশূলগঙ্গ, উত্তরে গোসাঞিথান ও দক্ষিণে পাটন-বিভাগের উত্তর সীমা । রাজা রত্নমল্ল পিতার মৃত্যু সময়ে; তাহার নিকট হইতে তুলজাদেবীর বীজমন্ত্র গ্রহণ করেন, প্রবাদ ঐ মন্ত্রবলে দেবী তাহার উপর সর্বদাই পরিতুষ্ট থাকিতেন। তঁহার জ্যেষ্ঠ ভ্রাতারা আপনাপন ভ্রাস্তবিশ্বাসের অনুবলে ভ্রাতার ভবিষ্যৎ উন্নতিতে কাতর হইয়া, ক্রমশঃই কনিষ্ঠের উপর বিরক্তভাব প্রকাশ করিতে লাগিল। এইরূপ মনোমালিষ্ঠে উভয়ের মধ্যে ঘোরতর বিরোধ উপস্থিত হয় । রাজা রত্নমল্ল একদিন স্বপ্ন দেখিলেন যে নীলতারা দেী তাহাকে বলিতেছেন, যদি তুমি কাস্তিপুরে যাইতে পার, তাহ। হইলে কাজীগণ তোমাকে নিশ্চয়ই রাজা করিবে” । তদনুসারে রাজা প্রাতঃকালে গাত্রোধান করির দেবীকে প্রণামপুৰ্ব্বক ঠাকুরীরাজগণের প্রধান কাজির নিকট উপস্থিত হইলে, কাষ্ঠী তাহার রাজ্যপ্রাধিবিষয়ে মঙ্গীকার করেন এবং নিজ প্রতিজ্ঞা রক্ষা করিবার জষ্ঠ কাজী এক দিবস দ্বাদশজন ঠাকুরীরাজকে স্বগৃহে নিমন্ত্ৰণ করিয়া ব্যঞ্জনাদির সহিত বিষগ্রয়োগে র্তাহাদিগকে শমলভবনে প্রেরণ করিলেন। রত্নমল্ল কাস্তিপুরের সিংহাসন অধিকার করিয়াই ঐ কাজির চরিত্রে বিশেষ সন্দিহান হইয়া, তাহার জীবন নাশ করেন। স্বপ্নদৃষ্ট বাক্য মিথ্যা হইলেও তিনি যে ভ্রাতার সহিত বিবাদ করির কান্তিপুর দখল করিয়াছিলেন, তাঁহাতে সন্দেহ নাই ।