পাতা:বিশ্বকোষ পঞ্চম খণ্ড.djvu/১৫৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


গঙ্গাধর কবিরাজ গ্ৰহলাঘববিবৃতি, তাজি করত্ন, পঞ্চপক্ষীপ্রকাশ, পাটীলীলাবতীবিবেক, পরাশরপন্থতি, বর্ষফলতা ও অক্ষামূক্ত সাগরী নামে লীলাবতীর টকা। ৩৩ ভৈরবদৈবজ্ঞের পুত্র, ইনি প্রশ্নভৈরব ও মুহূৰ্ত্তভৈরব নামে জ্যোতিঃশাস্ত্র রচনা করেন । ৩৪ রামচন্দ্ৰেয় পুত্র ও ৰাঞ্জিকনারায়ণের ভ্রাতা। ১৬১৬ খৃষ্টাব্দে স্তম্ভতীর্থে বিদ্যমান ছিলেন। ইনি অনেক সংস্কৃত গ্রন্থ রচনা করেন, তন্মধ্যে এই কয়খনি পাওয়া যায়—প্রকৃতিবিকৃত্যিাগকালবিবেক, প্রবাসকৃত্য, সৰ্ব্বতোমুখপদ্ধতি । ৩৫ শিবপ্রসাদের পুত্র, সেতুসংগ্রহ নামে মুগ্ধবোধের টীকাকার। ৩৬ একজন প্রসিদ্ধ সংস্কৃত গ্রন্থকার । বীরেশ্বর মহাড়করের পৌত্র, সদাশিবের পুত্র এবং অদ্বৈতানন্দ যতির, শিষ্য। ১৭৬২ খৃষ্টাব্দে বিদ্যমান ছিলেন । ইনি অনেক সংস্কৃত গ্রন্থ রচনা করেন, তন্মধ্যে এই কয়খনি পাওয়া যায়— আরামাদিপ্রতিষ্ঠাপদ্ধতি, গঙ্গাস্তোত্র, তর্কচন্ত্রিকা, তীর্থ কাশিকা, তৈত্তিরীয়সারার্থচঞ্জিকা, ধ্যানবল্লরী, নামকৌমুদী, নারায়ণতত্ববাদ, গ্রপঞ্চসারবিবেক, ভাবসারবিবেক, মণিকণিকাস্তোত্র, মন্ত্রবল্লরী, মন্ত্রমহোদধিটক, রামস্তুতি, বিষ্ণুসহস্রনাম, শারীরকস্বত্রসারার্থচন্দ্রিক। গঙ্গাধর কবিরাজ, বঙ্গের একজন অসাধারণ পণ্ডিত। ১২০৫ বঙ্গাবে ( ১৭২০ শকাবা ) ২৫এ আষাঢ় কৃষ্ণপক্ষীয় অষ্টমী তিথিতে যশোর জেলার মাগুর গ্রামে গঙ্গাধর জন্মগ্রহণ করেন। তাহার পিতার নাম কবিরাজ ভবানীপ্রসাদ রায়। গঙ্গাধর ৫ম বৎসর বয়স কালে জন্মভূমিস্থ গোপীকান্ত চক্রবর্তীয় নিকট বিদ্যারম্ভ করিয়া ১০ম বর্ষ পৰ্য্যন্ত র্তাহার নিকট শিক্ষালাভ করেন। সেই চক্রবর্তী মহাশয় ছাত্রের মেধা ও স্বভাব চরিত্র দেখিয়া বিস্মিত হইয়া ভবানীপ্রসাদকে বলেন, “গঙ্গাধর বিখ্যাত কবিরাজ এবং পণ্ডিত হইবে।” গোপীকান্তের স্বলক্ষণ পরীক্ষার যে বিশেষ শক্তি ছিল বলা বাহুল্য। তৎপরে গঙ্গাধর তাহার পিতৃক শ্ৰেয় নন্দকুমার সেনের নিকট মুগ্ধবোধ ব্যাকরণের কিয়ংশ পাঠ করেন এবং অবশিষ্ট মাণিক্যচন্দ্র বিদ্যাসাগরের নিকট সমাধা করেন। তৎপরে ঐ যশোরের বারুইখালি গ্রাম নিবাসী রামরত্বচুড়ামণির নিকট অভিধান, श्रणकांग्र, কাব্য ইত্যাদি পাঠ করেন। পরে প্রায় ১৮ বৎসর যয়ঃক্রম কালে রাজশাহীর (বৈদ্য ) বেলঘরিয়া গ্রামনিবাসী রাম, কান্তু সেনের নিকট আয়ুৰ্ব্বেদীয় চরকাদি গ্রন্থ পাঠ করেন। তাহার পাঠ্যাবস্থায় নিয়ম ছিল, প্রত্যহ ১rপাতা পুথি পাঠ লইতেন এবং তাং অভ্যাস করিয়া মনে দৃঢ়ন্ধিত করণার্থ ( sty ) - स्थान গঙ্গাধর কবিরাজ এবং লিপিকার্ধ্যে পটুতা সম্পাদনার্থ প্রত্যহ সেই ১৮ পাত লিপিবদ্ধ করিতেন। এই লিখন পঠনের মধ্যে রামকান্তঅধ্যাপকের অম্ভাষ্ঠ ছাত্রগণকে ব্যাকরণ, অভিধান, সাহিত্যাদির পাঠ দিতেন। এই সময়ে মুগ্ধবোধ ব্যাকরণের একখানি টকা করিয়াছিলেন। • 2 এই স্থানে আয়ুৰ্ব্বেদের পাঠ সমাপ্তি করিয়া নাটোর নগরে গমন করেন, তথায় তাহার পিত! কবিরাজ তৰানীপ্রসাদ রায়, নাটোর মহায়াজের প্রধান চিকিৎসক ছিলেন। সেই সময়ে নাটোর রাজধানীতে একজন লস্কনাম প্রসিদ্ধ অধ্যাপক আসিয়াছিলেন । তিনি গঙ্গাধরের বাল্যাবস্থায় লিখিত টীকার কিয়দংশ পাঠ করিয়া ভবানীপ্রসাদকে বলেন, “ইহা অতি প্রাচীন টীকা কোথায় পাইলেন ? এ টকা প্রচার নাই।” ইহা শুনিয়া ভবানীপ্রসাদ একটু হাসিলেন। তাহাতে অধ্যাপক মহা যিয়ক্ত হইলেন দেখিয়৷ হাস্তের প্রকৃত কারণ প্রকাশ করিলেন। উহা তাহার সন্তানের প্রণীত গুনিয়৷ অধ্যাপক অবাক্ হইলেন এবং গঙ্গাধরকে বহু আশীৰ্ব্বাদ করিলেন। গঙ্গাধর নাটোরে পিভার নিকট অল্প দিন থাকিয়াই কলিকাতা গমন করেন । তথন কলিকাতা ইংরাজী বিদ্যার নবামুরাগে অন্ধp এবং পাশ্চাত্য ডাক্তারীর বিশেষ পক্ষপাতী, মুতরাং তথায় তাহার বিদ্যাবৰ্দ্ধন ও ব্যবসায় বিস্তারের বিশেয সুবিধা বুঝিলেন না। মুর্শিদাবাদ প্রাচীন রাজধানী, দুর্দশাগ্রস্ত হইলেও প্রাচীনত্বে বহু অধ্যাপকের বাঘ, সংস্কৃতের চর্চা এবং আয়ুৰ্ব্বেদোক্ত চিকিৎসার সমাদর প্রচুর আছে শুনিয়া সেখানে মৈদাবাদে আগমন করেন। তথন তাহার বয়স ২১ বৎসর। গঙ্গাধর সেই অল্প বয়সে প্রধান প্রধান চিকিৎসক ও অধ্যাপকের সহিত বাদামুবাদ দ্বার স্বীয় মত স্থাপন করায় এবং বহুবিধ উৎকট রোগগ্রস্তকে আরোগ্য করায় নানা স্থানে বহুদেশে তাহার খ্যাতি প্রতিপত্তির পরিচয় হইতে লাগিল । ইনি বাল্যকালে পাঠ্যাবস্থায় মুগ্ধবোধের যে টীকা প্রণমন করেন, যে টীকা দেখিয়া একজন প্রসিদ্ধ অধ্যাপক নাটোরে অমিত প্রশংসা করেন, সেই টকার শ্লোক সংখ্যা ১. সহস্র। তৎপরে বোপদেব গোস্বামী তাহার যুদ্ধবোধের যে অংশ শেষ করিয়া জান নাই, সেই অংশ সমাধ৷ করিয়া (পূৰ্ব্বোক্ত টীকা ব্যতীত) সমগ্র মুগ্ধবোধের পুনরায় টীকা করেন। ব্যাকরণের এই দুইখানি प्लेकाहे उ शब्र दिना, दूििन Gर्थम्, खविउंौन ७ अडूठ रौढेिं। यषभ টীকার শ্লোক সংখ্যা ১. সহস্র এবং দ্বিতীয়ের সংখ্যা শুদপেক্ষা অধিক ।