পাতা:বিশ্বকোষ প্রথম খণ্ড.djvu/৪৬৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


* TT অভিজ্ঞানশকুন্তল দিকের ছায়ার পূর্বদিকে ঘুরিয়া আসিবার কাল । | দিবসের অষ্টম মুহূর্ত। কুতুপ কাল। অপরাহে তু সম্প্রাপ্তে অভিজিদ্রোঠিণোদয়ে। যদত্র দীয়তে জন্তোস্তদক্ষয় মুদাহৃতং। (মৎস্ত পু০)। অভিজিৎ এবং রোহিণ রূপ গৌণ অপরাহ প্রাপ্ত তইলে তৎকালে জস্তুর অর্থাৎ পিতৃ উদেশে যাহা প্রদত্ত হয় তাঙ্গর কখন ক্ষয় হয় না । ( অভিজিদুষ্টম ঘটিকা রোহিণং নবম ঘটিকা। স্মার্ক্স ) । যাত্রা করিবার লগ্ন বিশেষ । অগ্নিষ্টেম যাগাঙ্গ যাগ বিশেষ। পচিশ দিন অধিক পাচ মাস। পাচশ দিন অধিক পাচ মাসে কর্তৃব্য অতিরাত্র যাগাদি । যদুবংশীয় ভবের বা চন্দনোদকদুন্দুভির পুত্র। (বিষ্ণুপুরাণ)। অভিজিতোইপত্যম অভিজিৎ অণ ততে য এ আভিজিত্য । অভিজিতের পুত্র । * । অভিজিৎ ইত্যাদি । পা ৫। ৩ । ১১৮। অভিজিৎ প্রভৃতি অণ অন্ত প্রতিপদিকের উত্তর স্বার্থে য এ প্রত্যয় হয় । আভিজিতা: । আভিজিতেী। অভিজিতা: | অভিজিতে—মুহূর্ত্যে, স্থালীপাক ইত্যাদি অর্থে স্বার্থে गु इक्वेद न] । অভিজিত (পুং ) অভিজীয়াং অন্যান অভিজি-সংজ্ঞায়াং ক্ত। অৰ্দ্ধরাত্র সম্বন্ধী মুহূৰ্ত্ত ক্ৰিচুক্তে চ সংজ্ঞায়া । পা ৩। ৩। ১৭৪। সংজ্ঞা বুঝাইলে আশীৰ্ব্বাদ অর্থে ধাতুর | উত্তর ক্তিচ, এবং স্তু প্রত্যয় হয়। অভিজিতি ( স্ত্রী) অভিজি ভাবে ক্তিন । অভিজয়। সৰ্ব্বপ্রকারে জয় । অভিজ্ঞ (ত্রি) অভিজানাতি অভি জ্ঞা-ক। নিপুণ | পণ্ডিত। জ্ঞানাশ্ৰয় | অভিজ্ঞ (স্ত্রী) অভি-জ্ঞা-অঞ্জ, টপ। প্রথমে যে জ্ঞান উৎপন্ন হয়। স্মৃতি। পূর্বে দেখিয়া শুনিয়া মনে যে দৃঢ় সংস্কার হইয়া থাকে, তাহাকে অভিজ্ঞ কহে। অভিজ্ঞাত (ত্রি ) অভিজ্ঞায়তে স্ব অভিজ্ঞা-কৰ্ম্মণি ৰ্ত্ত । পূৰ্ব্ব পরিচিত। যে বিষয়ে পূৰ্ব্ব হইতে সংস্কার জন্মিয় আছে। প্রতীত। জানিত। ধূত । অভিজ্ঞান (ক্লী) অভিজ্ঞায়তে (জ্ঞাতুং শক্যতে ) অনেন অভিজ্ঞা-করণে লুটি। চিহ্ন। যাহা দেখিয়া শুনিয়া পূৰ্ব্ব বিষয় স্মরণ হইতে পারে এরূপ চিহ্ন। স্মারক চিহ্ন। ভাবে লুটি নিশ্চয় জ্ঞান। অভিজ্ঞানশকুন্তল (ক্লী) অভিজ্ঞানং অঙ্গুরীয়দর্শনেন পূৰ্ব্ব বিবরণক্ষয়ণং শকুন্তলায় যত্র। বছৰী,গোঁণে হ্রস্বঃ *। { ১১২ ] [88& ) { অভিজ্ঞানশকুন্তল অধিকৃত্য কৃতে গ্রন্থে। পা ৪। ৩। ৮৭ * লুবাখ্যায়িকাথষ্ঠ প্রত্যয়ন্ত বহুলম্। তাহাকে অধিকার করিয়া কত গ্রন্থ, এই অর্থে প্রাতিপদিকের উত্তর যথাসম্ভব তদ্ধিত প্রত্যয় বিহিত হয়। আখ্যায়িকা বুঝাইলে অনেক স্থলে প্রত্যয়ের লোপ হইয় থাকে। এখানে বাৰ্বিক সুত্রামুসারে—অভিজ্ঞানশকুন্তলমধিকৃত্য কৃত আখ্যায়িক ইতি অর্ণ অভিজ্ঞানশকুন্তলম । এখানে প্রত্যয়ের লোপ হইল। লোপ না করিলে, 'আভিজ্ঞানশকুন্তলম্' এই প্রকার রূপ হইবে। s অভিজ্ঞানশকুন্তল সংস্কৃত ভাষায় সর্বোৎকৃষ্ট নাটক। কপিত আছে, রাজা বিক্রমাদিতোর সভাসদ মহাকবি কালিদাস ইঙ্গ রচনা করিয়াছেন। পূৰ্ব্বকালে রাজর্ষি বিশ্বামিত্র কঠোর তপস্থা আরম্ভ করেন । র্তাহার তপে বিঘ্ন ঘটাইবার জন্ত দেবরাজ ইন্দ্র, মেনকাকে পাঠাষ্টয়া দিলেন । সেই সময়ে বিশ্বামিত্রের ঔরসে মেনকার গর্ডে একটা কন্য। জন্মে। মেনকা কন্যাকে বনে ফেলিয়। স্বর্গে চলিয়া গেলেন। কয়েকটা শকুন্ত ( পক্ষী ) তাহাকে পাগ; ঢাকা দিয়। রক্ষা করিয়াছিল বলিয়া ঐ কস্তার নাম শকুন্তল হইল । - তাহার পর কামুনি সেই কন্যাকে প্রতিপালন করি, তেন। ক্রমে শকুন্তলার যৌবন কাল উপস্থিত হইল। মহর্ষি কণু আশ্রমে নাই,—সোমতীর্থে গিয়াছেন। এই সময়ে দুষ্মান্ত রাজা তাহার আশ্রমে আসিয়া শকুন্তলাকে গান্ধৰ্ব্বনিয়মে বিবাহ করিলেন । দুয়্যন্ত মহারাজচক্রবর্তী, অস্তঃপুরে অসংখ্য রাষ্ট্র মহিষী। মৃগয়া করিতে গেলেও সেখানে তাহার সঙ্গে পুষ্পমালাভূষিত যবন কন্যা গিয়া থাকে। তিনি তপোবনে আসিয়া বল্ললধারিণী ঋষি কন্যাকে গোপনে বিবাহ করিয়া গেলেন। অতএব নিজ নগরে ফিরিয়া গেলে শকুন্তলাকে ক দিন মনে থাকিবে ? পাছে তাহাকে ভুলিয়া যান, তাই স্মরণের নিমিত্ত আপনার হাতের অঙ্গুরীয় খুলিয়া শকুন্তলাকে দিলেন। মহ্লারাজ আপনার নগরে ফিরিয়া গেলেন, এখানে শকুগুলা এক মনে আপনার প্রাণপতিকে ভাবিতেছেন; দুয়াস্তের ধ্যানে তিনি ডুবিয়া আছেন,-বাহিরে জ্ঞান নাই। এমন সময়ে দুৰ্ব্বাসা অতিথি হইবার জন্ত দ্বারে উপস্থিত। শকুন্তলা তাহার অভ্যর্থনাও করিলেন না। তছন্ত দুৰ্ব্বাস মুনি ক্রোধে এই শাপ দিলেন,— ‘তুমি যাহাকে ভাবিতেছ,সে তোমাকে ভুলিয়া যাইবে।”