পাতা:বিশ্বকোষ প্রথম খণ্ড.djvu/৬৮৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অষ্ট্রেলিয়া ব্রিস্বেন। অষ্ট্রেলিয়ায় এখন প্রধান মগর অাছে,— প্রদেশ কুইন্সলান্স (পূৰ্ব্ব নাম মোর্জন ) } নব-দক্ষিণ-ওয়েলস } বিক্টোরিয়া দক্ষিণ-অষ্ট্রেলিয়া পশ্চিম-অষ্ট্রেলিয়া [ ৬৩১ ] এই কয়েকট প্রদেশ ও প্রধান নগর ব্রিসবেন, বোথামতন, মেরিবর্গ। সিদনী, পারামেত্ত ও উইনশির, লিবারপুল, বাথষ্ট । মেলবোরন, গিলঙ্গ, বাল্লারাত। আদিলেদ । পার্থ, ফ্রিমান্তল । পৰ্ব্বত—নীল পৰ্ব্বত, লিবারপুল শ্রেণী, অস্ত্রেলিয়ার আল্প, ইহার অপর নাম বরগঙ্গ পৰ্ব্বত ; গ্রাম্পিয়ান, পিরিনিস, ফুিলাস, স্তয়াওঁ শ্রেণী:সোলার শ্রেণী,বিক্টোরিয়া পৰ্ব্বত, দালিং শ্রেণী । ) নদনদী—হোঁকেসবরী, হন্টর, হেষ্টিংস, ব্রিসবেন , মরে এবং ইহার শাখা-মাকোইরি, দালিং, লচলান, মরদ্বিজী, টইমমেরা, যর-ঘর, সোয়ান, বিক্টোরিয়া, আলবার্ট ফুিলার্স গিলবার্ট মিচেল, গ্রেগরী, লিচাট। হ্রদ-বিক্টোরিয়া বা আলক্ষজান্দ্রিয় ; তোরেন্স, গেয়াদনার, এয়ার, হোপ । অন্তরীপ—যুর্ক, মেলবিল্লী, ফুাতারী, সন্দী, হাউ, উইলসন, ওতবে, স্পেন্সার, চাতাম, লিউবিল, উত্তরপশ্চিম-অন্তরীপ, দেবি ক, লন্দনারী, দেল। উপসাগরাদি—পূৰ্ব্বদিকে, শেলবোরন, প্রিন্সেস শালের্ণতী, হালিফাক্ষ, ব্রড সাউও, হার্বি, মোর্জন, মাকোয়ারী বন্দর, ষ্টেফেন্স বন্দর, জাক্ষন বন্দর। দক্ষিণে –পশ্চিম বন্দর, ফিলিপ বলার, পোৰ্ত্তলাও, এনকাউস্টার, সেণ্ট বিনসেণ্ট, স্পেন্সার, বৃহৎ অষ্ট্রেলিয়ান বাইট, কিং জর্জের সাউণ্ড। পশ্চিমে-ফুিলাস, জিওএাক্ষী, ফেসিস্তুস বন্দর, শার্ক, এক্ষমাউথ, কিং সাউণ্ড, কোলিয়ার, আদমিরালিতী, কাস্থি জ, বান-দিমান, এসিণ্টন বন্দর। উত্তরে-কাসলরিয়াগ, আরনছেম, লেবিল্লী, কাপেস্তারিয়৷ ৷ তান্মানিয়া—ইহার প্রধান নগর, ছোবার্ত এবং লসেন্টন। উপসাগর-বৃহৎ সোয়ান বদর, রম, নরফোঙ্ক, দালরিম্পল বন্দর, দেবী বন্দর, মাকোয়ার रुझछ। अरुप्रैौश्न–भिनाच्न, प्रक्रि५ अस्त्रौण, प्रक्रि५পশ্চিম অন্তরীপ, লোরেল, পশ্চিম পইন্ট, গ্রিম। পৰ্ব্বত অষ্ট্রেলিয়া বেনলোমন্দ, ওয়েলিণ্টন, পশ্চিমগিরি, কাম্ফেল শ্রেণী, হম্বন্ট। নদ—দাবেণ্ট, তমর, জর্দান। - অষ্ট্রেলিয়ার উত্তরাংশের অনেক স্থান এখনও পতিত আছে, সেখানে আজও অধিক লোকের বাস হয় নাই । উত্তরভাগ একে অতিশয় উষ্ণ তাহাতে আবার সেখানে জলের অনাটন। তজ্জন্ত ইউরোপীয়ের তথায় উপনিবেশ করিতে পারেন নাই। এই দ্বীপের দক্ষিণদিকই সমৃদ্ধিশালী । অষ্ট্রেলিয়ায় তাদৃশ উচ্চ পৰ্ব্বত নাই। পশ্চিম ও পূৰ্ব্বধারে দুইটা পৰ্ব্বত শ্রেণী আছে, তাহার মধ্যে পূৰ্ব্ব দিকের পর্বতশ্রেণী ৮৫০ ক্রোশ দীর্ঘ এবং গড়ে ১৫০ • ফিট উচ্চ। ইহার পূর্বধার হইতে অনেক ছোট ছোট নদী আছে। তাহারা পশ্চিম বাহিনী হইয়৷ অষ্ট্রেলিয়ার মধ্যে হ্রদ ও বিলের সঙ্গে মিশিয়া গিয়াছে। অষ্ট্রেলিয়ায় এরূপ আকার দেখিয়া ভূতত্ত্ববিদ্‌ পণ্ডিতেরা অনুমান করেন যে, পূৰ্ব্বে এখানে সমুদ্র ছিল। পরে সাগরগর্ভে অগ্ন্যুৎপাত হয়, তাহাতে ক্রমে মাটা জাগিয়া উঠিয়াছে। কিন্তু মধ্যস্থলে এখনও ভালরূপ মাটী হয় নাই, তাই সে স্থান খাল বিলে পরিপূর্ণ। অষ্ট্রেলিয়ার জল বায়ু শরীরের পক্ষে গুণকর । কিন্তু দ্বীপট অতি বৃহৎ, তজ্জন্ত সকল স্থানের অবস্থা সমান নহে । উত্তর এবং মধ্যভাগ উষ্ণ, দক্ষিণ দিক্‌ নাতিশীতোষ্ণ । মধ্যভাগে জলের অতিশয় অভাব। সেখানে গ্ৰীষ্মকালে লু চলে এবং ভূমি তাতিয়া তন্মুরের মত হইয় উঠে। প্রশাস্ত মহাসাগর হইতে জলবাষ্প উড়িয়। আসে, তাহাতেই উত্তর-পশ্চিম দিকে বর্ষাকাল হয়। সেখানকার বর্ষাকাল অগ্রস্থায়ণ হইতে ফাল্গুন মাস পৰ্য্যন্ত। অষ্ট্রেলিয়ার দক্ষিণদিকের সমুদ্র হইতেও বাষ্প উড়িয়া আসে। কিন্তু উচ্চ পৰ্ব্বত নাই, তজ্জন্ত সেই বাপ কিছুতে আটকাইয়া জমিয়া জল হইতে পায় না। আমাদের দেশে রাজপুতানায় যেমন কখন কখন অল্প বর্ষ। হয়, এখানেও সেই রকম। দক্ষিণ অষ্ট্রেলিয়ার আদিলেদ নগরে গড়ে বৃষ্টির পরিমাণ ১৫-২০ ইঞ্চের অধিক নয়। কিন্তু বিক্টোরিয়া এবং নব-দক্ষিণ ওয়েললে পর্বত আছে, তাই সেখানকার বৃষ্টির গড় পরিমাণ ৪৪-৪৮ ইঞ্চ । কুইন্সলাওে ৫০ ইঞ্চ । আরও উত্তরদিকে বড় বড় পৰ্ব্বত আছে, তাই সেখানকার পরিমাণ প্রায় ১• ইঞ্চ । বিক্টোরিয়া প্রভৃতি স্থানের ঋতু এই রূপ,—তাত্র মাসের অর্থ হইতে অগ্রহায়ণ মাসের অৰ্দ্ধ পৰ্য্যস্ত [ ১৬৬]