পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu/৩৫৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


द१४) [ రిex } ११* হইতে ১২ বৎসর অতিক্রম না করিলে স্থপঙ্ক ও কাটিবার উপযুক্ত হয় না। বাশ গাছ প্রধানতঃ যেরূপ ক্টোক্ষ লইয়া অৰুতি ছয়, পূর্ণমাত্রায় পরিবর্দ্ধিত হইলেও উহার গোড়ার পরিসর প্রায় একরূপই থাকে। দণ্ডের দৈর্ঘ্যতার বৃদ্ধি সহকারে ব্যাস তেমন স্থূলতর হয় না । বৎসরের পর বৎসর চলিয়া যায়, কিন্তু উহার দৈর্ঘ্যতার বা আয়তনের বিশেষ কোন তারতম্য লক্ষিত হয় না, কেবল উহার কাঠ পরিপক্ষ হইতে থাকে। মারিকেল, তাল, খর্জুরাদি বৃক্ষের যেরূপ ডালের চিহ্ন দেখিয়া বয়স নির্ণয় করা যায়, বঁাশ গাছের গ্রন্থি দৃষ্টি সেরূপ কোন কাল নির্দেশ করা যায় না। উহার পুষ্পোদগম বা বীজাধান দেখিয়া সাধারণে বয়স নির্ণয় করিয়া থাকে । মধ্যভারতের পাৰ্ব্বত্য প্রদেশেবাসী জাতিয়া পাৰ্ব্বত্য বঁাশের বীজাধান দেথিয় আপনাদের বয়স পর্য্যস্ত গণনা করিয়া থাকে। যে ব্যক্তি বাশের দুই “কাটঙ্গ” অর্থাৎ কুইবার বীজাধান দর্শন করে, তাহার বয়স ৬০ বৎসরের কম হয় না । উপরে র্যাশের পুষ্পোদগমের বিষয় লিখিত হইয়াছে। সাধারণতঃ ২৫ হইতে ৬৫ বৎসরের মধ্যে বঁাশ গাছে ফুল ধরে। অনেক সময় ৪৪ বৎসর পরে ফুল হইতে দেখা যায় । সময় সময় বঁাশ গাছের বীজ হইতে চাউল পাওয়া যায়। ঐ চাউল অনেকে খাইয়া থাকে। আমাদের দেশে অনেকের বিশ্বাস, দুর্ভিক্ষ বা মহামারী উপস্থিত লইলে সাধারণতঃ বঁাশ গাছে চাউল জন্মে; কিন্তু বস্তুতঃ সে সংস্কার ভিত্তিহীন । ১৮৩৬ খৃষ্টাব্দের Trans. Agri Horti. Soc of India Vol III p. 139-43 গ্রন্থে লিখিত আছে যে, ঐ সময় নানা স্থানে বঁাশ গাছে চাউল দেখা গিয়াছিল,কিন্তু তখন কুত্রাপি দুর্ভিক্ষ ছিলনা। ক্ষেত্রাদিতেও অপৰ্য্যাপ্ত ধান্ত উৎপন্ন হইয়াছিল। ঐ সময়ে ক্ষেত্ৰজ তণ্ডুল ১২ টাকায় ১৬ সের এবং বংশজ তণ্ডুল ১২ টাকায় ২• সের বিক্রীত হইয়াছিল। প্রত্যেক বঁাশ গাছে প্রায় ৪ সের হইতে ২• সের পর্য্যন্ত তণ্ডুল উৎপন্ন হয়। যে গাছ যত বিচ্ছিন্নভাবে ও যত উৰ্ব্বর ভূমিতে থাকে, তাহাতে ততই অধিক মাত্রায় চাউল পাওয়া যায়। চাউল উৎপন্ন হওয়া শেষ হইলেই গাছটা আপনা আপনি শুকাইয়া জাইসে,কিন্তু তাহার গোড়া হইতে পুনরায় কলা বাহির হয় এবং কখন কখন বীজ হইতেও বৃক্ষ উৎপন্ন করা হয়। পূর্বেই উল্লেখ করিয়াছি যে, মানুষে বীশের ৰোড়া बाअनांश्रिङ ग्रंथिब्रां जषद भांकांब्र कब्रेिब्रां षग्नि । श्रृंबांकि छड़ বাশপাত খাইতে ভাল ৰাসে । গোরুর এলোরোগে বঁাশ পাতা বিশেষ উপকারী। ১৮৯২ খৃষ্টাব্দের উড়িষ্যা-জুর্ভিক্ষে লক্ষ লক্ষ লোক বাশের চাল খাইয়া প্ৰাণ ধারণ করিয়াছিল। ১৮৬৫ খৃষ্টাঙ্গের মহামারীতে ধারবাড় ও বেলগাম্ব-জেলাবাসী প্রায় ৫০ হাজার লোক কাগাড়ায় আসিয়া ধাশের বীজ সঞ্চয়পূর্বক তাহার তখুলে প্রাণ ধারণ করিয়াছিল। ১৮৬৬ খৃষ্টাব্দে মালদহ জেলায় ১ টাকায় ১৩ সের ধাশের চাউল বিক্রীত হইয়াছিল। ঐ সময় তথায় প্রতি টাকায় ১০ সের চাউল ছিল । তুর্ভিক্ষের দায়ে পড়িয়া লোকে ধাশের চাউলে উদরপূর্ণ করিতে বাধ্য হইলেও উহা বিশেষ সুখকর নহে। ])r Biilie বলেন, উহাতে অঙ্কীর্ণ ও উদরাময় রোগ জন্মে । বংশদণ্ডের অত্যস্তরস্থিত ফাকের মধ্যে সময় সময় জল পাওয়া যায়। ঐ জল বিশেষ শৈত্যগুণসম্পন্ন। বায়ুরোগগ্রস্ত ব্যক্তিকে ঐ জল পান করাইলে বিশেষ উপকার দর্শে । বঁাশের উপকারিত সম্বন্ধে খনায় এইরূপ একটা বচন প্রচলিত আছে,-- “পূবে হাস, পশ্চিমে বঁাশ • • • • । उँख्ङ्ग (वाङ्ग, फ्रामिण cझरङ्ग, বাড়ী করগে ভেড়ের ভেড়ে।” অর্থাৎ পূৰ্ব্ব দিকে কুমুদকলোর পরিশোভিত হংস বিরাজিত পুষ্করিণী এবং পশ্চিমে বংশবন সমাচ্ছাদিত গৃহবাটিকা গৃহস্থের বিশেষ মঙ্গলপ্রদ । খাদ্যদ্রবারূপে ইহার উপযোগিতায় বিষয় সাধারণে বিশেষভাবে গৃহীত না হইলেও, গৃহস্থের নানা কাজে ইহার ব্যবহার দেখিয়া লোকে বঁাশঝাড় রক্ষার ও পালনের ব্যবস্থা করিয়া আসিতেছে । সহরতলীর অন্তভূক্ত খাপ রেলের ঘরসমূহ এবং তত্ত্বহিস্কৃত পল্লীপ্রদেশে উলু, গোলপাত, খড় প্রভৃতি দ্রব্যস্থার নিৰ্ম্মিত যে সকল চালা ঘর দেখা যায়, ভৎসমুদায়ই র্যাশ, দড়ি, খড় ও কাদার সাহায্যে নিশিত হইয়া থাকে। এ সকল ঘরের টা, রোয়া, বাতা,টানা প্রভৃতি সকলই বঁাশের দ্বারা প্রস্তত হয়। চারি পার্থের দেওয়ালগুলিতে র্যাশের টাটী, চেটাই, অথবা ছেঁচা র্যাশের কাচা বা চাচের বেড়া দেওয়া হয় । বাশের সঙ্গ গোলকাটা প্রস্তুত করিয়া স্থতার দ্বারা বিনাইয়া ‘চিক্‌ প্রস্তুত হয়। ঐ চিক্‌ দরজা জানাল প্রভৃতির সম্মুখে আবরকরূপে ব্যবহৃত হইয়া থাকে। ৰাস্তবিক পক্ষে একটা গৃহস্থ পরিবারের আবশ্বকীয় আসবাব প্রভৃতি সকল পদার্থই বঁাশ হইতে নিৰ্ম্মিত হয়। একটা কারণ পরিবারের গৃহের প্রতি লক্ষ্য করিলে, ইহার পরিস্ফুট চিত্র দৃষ্টিগোচর হইতে পারে। কয়েণগণ সপরিবারে অর্থাৎ ২•• হইতে ৩০৯ পর্যন্ত লোক একত্র একটী বাসঙ্কৰনে থাকে। উহা একটী ক্ষুদ্র গ্রাম বলিলেও চলে। উহার সকলই বংশনিশ্মিত। বাশের মাচা বা পাটাতন করিয়া তাহাতে শ্যাতল নির্শিত হয়। এভরি শেখাও বসিবাৰু ,