পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তদশ খণ্ড.djvu/৬০৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


தி বর্ণলিপি ৫৯৬ খৃঃ পূৰ্ব্বাবে ধরায়ুস বিস্তাম্প কর্তৃক উৎকীর্ণ কীলফলকের পাঠোদ্ধার করিয়া কীলফলকপাঠের যথেষ্ট সুবিধা করিয়া দেন । কীললিপির পাঠোদ্ধার হইতে প্রকৃতপক্ষে পারসিকদিগের পবিত্র ধৰ্ম্মগ্রন্থ অবস্তাশাস্ত্রপাঠেরও বিস্তর সুবিধা হয়। কারণ কীললিপির ভাষা ও অবস্তার ভাষা পরস্পরে বিশেষ নৈকট্যসম্বন্ধযুক্ত। যখন প্রাচীন পারস্তলিপির পাঠোদ্ধার হয়, তখন সুসান ও বাবিলোনিয়ার সমান্তরাল স্তম্ভশ্রেণীর গাত্রোৎকীর্ণ লিপি পাঠের অাশা হয়। পরবর্তিকালে এসিয়া মাইনরের নানাস্থানে কীললিপি আবিষ্কৃত হওয়ায় উক্ত ভাষালোচনার পথ অনেক মৃগম হইয়াছে এবং নিনিভে ও বাবিলনের ধ্বন্ত স্তু পরাশির অভ্যন্তরনিহিত মৃৎফলকসমূহের পাঠোদ্ধার হইয়া য়ুফ্রেটস্থ উপত্যকার ইতিবৃত্তকে সঞ্জীব করিয়া তুলিয়াছে। আকেদিয়ান ভাষায় কর্ণকে “পি” বলে। কীলাকার লিপিতে "পি" লিখিতে যে ভাবে কীলকগুলি (*) বিন্যস্ত হয় তাহার সহিত বাঙ্গাল প, হিব্রু “পি” ইংরাজি P এবং সংস্কৃত ঘএর বিশেষ সাদৃশু 四忆5日 অসমীয় ও বাবিলোনীয় হইতে এই কীলাকার লিপি বিভিন্ন দেশে বিস্তৃত হয়। কিন্তু ঐ সময়ে অপরাপর জাতির মধ্যে আর একটা ভিন্ন ভাষা প্রচলিত ছিল। তাহ কাললিপির উৎপাদক সুমারীয় জাতি বা তাহদের বিজেতা সেমিতিক বাবিলোনীয় দিগের ভাষা হইতে সম্পূর্ণ বিভিন্ন । এসিয়ার বিভিন্ন স্থানে, এমন কি, ইজিয়ান সাগরস্থিত দ্বীপপুঞ্জে এই ভাষার বহুশত শিলাফলক বিদ্যমান আছে। ঐ ভাষা হিটাইট ( Hittite ) নামে কথিত । ইহার লিপিকৌশল প্রথমাবস্থার চিত্রলিপি সম্ভূত হইলেও আক্ষরিক পরিণতিতে ইহা বাবিলোনীয় লিপি হইতে সম্পূর্ণ স্বতন্ত্র। অনেক চেষ্টার পর, এই ভাষার ফলকলিপিসমূহের পাঠোদ্ধারকাৰ্য আরম্ভ হইয়াছে বটে, কিন্তু এখনও তাহার প্রকৃষ্ট পন্থা নিৰ্দ্ধারিত হয় নাই । প্রাচীনকালে পিলোপেনিজ হইতে একটা গ্রীক উপনিবেশ সাইপ্রাসদ্বীপে যাইয়া বাস করে, তাহারা যে ভাষায় কথা কথিত, তাহা অনেকাংশে আর্কেডিয় ভাষার অনুরূপ। সমগ্ৰ গ্ৰীক জাতির মধ্যে এই শাখাই বর্ণমালায় লিখিতে জানিত না, তাহার এসিয়া-বাসীর সংস্রবে পড়িয়া ধষ্ঠাত্মক বর্ণলিপির অনুসরণ করে। বিখ্যাত পারস্তযুদ্ধের অবসানে সাইপ্রাস দ্বীপ গ্রীকরজের অধীন হইলে, গ্ৰীক ঔপনিবেশিকগণ স্বজাতীয়ের সংস্রব লাভ করে ঘটে, কিন্তু তাহারা মূল গ্ৰীকদিগের অভ্যস্ত বর্ণলিপি গ্ৰহণ না করিয়া আপনাদের পূর্বতন শব্দলিপিই ব্যবহার করিতে থাকে । সম্প্রতি বৃটশ মিউজিয়মের কর্তৃপক্ষদিগের যত্নে লাইপ্রাস [۹ هان ] বর্ণলিপি शैcभद्र क्रल एनब्रॉनिग्न भनबरूरी जीब्रछ श्रेहाश् । कूगै७ অন্বেষণ করিতে করিতে ভষ্মধ্য হইতে খৃঃ পূৰ্ব ৪র্থ শতানে উৎকীর্ণ এক খানি শিলাফলক দেখিতে পাওয়া যায়। ঐ ফলক খানিতে ডেমিটার ও পার্শিফোমের উদেশে উৎসর্গীকৃত ব্যাপারাংশ গ্রীক বর্ণমালায় এবং তল্পিমেয় ঘটনাবলী শঙ্কলিপিতে উৎকীর্ণ রহিয়াছে। উষ্কার গ্রীক বর্ণমালার পাঠ্যপ্রণালী বামদিকে আরম্ভ করিয়া ক্রমশঃ দক্ষিণে আসিতে হয় এবং শব্দলিপির প্রথা তাহার সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থাৎ বর্তমান আরবী বা পারসীর দ্যায় দক্ষিণ হইতে বাম দিকে । এই শাৰালিপিতে ৫ট স্বয়. বর্ণের চিহ্ন আছে, কিন্তু তাছার গ্ৰন্থ বা দীর্ঘ স্বরের পার্থক্য নির্ণয়ের সুবিধা এবং ব্যঞ্জনবর্ণে ও জিছামূলীয় তালব্য বা অমুনাসিকাদির উচ্চারণনির্ণয়ের উপায় নাই । भोक्नोल्ला क्वींभालोद्ध छै९श्रृद्धि । গৰ্ত্তীর গবেষণায় সহিত সাইপ্রায় বর্ণমালা আলোচনা করিতে করিতে স্বতঃই মনে বর্ণমালার উৎপত্তিপ্রসঙ্গ আসিয়া সমুদিত হয়। পাশ্চাত্য পণ্ডিতগণের বিশ্বাস, এই বর্ণমালা ফিনিসিয়া ও গ্রীস হইতে প্রথমে ভূমধ্যসাগরোপকূলবর্তী দেশসমূহে এবং পরে তথা হইতে দূরবর্তী জনপদসমূহে পরিব্যাপ্ত হইয়াছিল। ১৮৫৯ șżfrv ontwr" figyw Academie des Inscriptions সভায় লিপিতত্বের যে অভিমভ প্রকাশ করেন, তাহাতে তিনি মিসরীয় স্থায়রোগ্লিফিকৃ বা চিত্রলিপির অভিশপ্ত বা কুৎসিত আক্ষতি হইতেই ফণিক্‌ বর্ণমালার উৎপত্তি স্বীকার করিয়াছেন । তিনি এতদুভয় বর্ণমালায় সামঞ্জস্ত সাধনকালে উভয় ভাষাগত কতকগুলির অপূৰ্ব্ব বৈষম্য অবধারণ করিয়া গিয়াছেন । ১৮৭৭ খৃষ্টাব্দে অধ্যাপক Deecke ইমামুএল রুজের মত খণ্ডন করিয়া বলেন যে, অপেক্ষাকৃত পরবৰ্ত্তি-কালের বিকৃত অস্বীয় কীললিপি হষ্টতে সেমেটিক বর্ণমালার উৎপত্তি এবং ফণিক ভাষাও সেই অমুরীয় বর্ণমালার নিকট ঋণী ; কিন্তু এ বিষয়ে প্রমাণাভাব । যদি প্রমাণ পাওয়া যায়, তাছা হইলে অবশুই স্বীকার করিতে হইবে যে, ফণিক বর্ণমালা বর্তমান নিৰ্দ্ধারিত যুগ অপেক্ষ আরও সহস্ৰাধিক বৎসরের প্রাচীন বলিয়া গ্রহণ করিতে হইবে এবং বর্ণমালার ইতিহাসে একট যুগান্তর সাধিত হইবে। আবার মিসরের ধ্বস্ত অপরাশি অন্বেষণ করিতে করিতে অধ্যাপক ক্লিওসি পিটি ১৯•• খৃষ্টাৰো আবিডোস নগরের atgynfryts co fofo (Symbols like alphabetic character) উৎকীর্ণ দেখিতে পান, তাহা প্রাচীন হায়রোগ্লিফিকু ও চিহ্নলিপির সংযোগে উৎপন্ন। মিসর রাজ্যের ইতিহাসোঙ্ক প্রথম রাজবংশের রাজত্বকালেরও পূৰ্ব্বে অথবা খৃষ্টপূর্ব ৬••• বৎসর হইতে ১২০০ খৃঃ পূঃ পৰ্য্যস্ত ঐ চিহ্নলিপি জবাধে মিসররাজ্যে