পাতা:বিশ্বকোষ সপ্তম খণ্ড.djvu/১৩৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জুনাগড় মৃত্তিকার রঙ সাধারণতঃ কাল ; কিন্তু স্থানে স্থানে অন্ত বর্ণও দেখা যায়। এই স্থানে চাসীগণ ক্ষেত্রের নিকট পর্যন্ত থাল কাটিয়া জল সঞ্চয় করিয়া রাখে এবং আবশুক মত সেই জল অথবা কূপ হইতে জল তুলিয়া মশকে পরিপূর্ণ করিয়া জমীতে সিঞ্চন করে । মোটের উপর এই স্থানের জলবায়ু" স্বাস্থ্যজনক, কিন্তু কেবলমাত্র গিৱনর পর্বতোপরি স্থান ব্যতীত আর সকল স্থানই চৈত্রমাসের মধ্যকাল হইতে শ্রাবণমাসের প্রথম পৰ্য্যন্ত অতিশয় গরম । এই রাজ্যে জর ও উদরাময় রোগ অতি প্রবল । এখানে পর্য্যাপ্ত পরিমাণে প্রস্তর পাওয়া যায় এবং অধিবাসিগণ তাহা দ্বার বাসগৃহাদি নিৰ্ম্মাণ করে । জুনাগড়ে তুলা, যব এবং ইক্ষু প্রচুর পরিমাণে জন্মে। বেরাবল বনার হইতে তুলা বোম্বাই সহরে প্রেরিত হইয়া থাকে । এখানে দেশীয় এবং মরিচসহরের ইক্ষুদও উভয়বিধই ৷ জন্সিয়া থাকে। তৈল ও মোটাকাপড় এখানে প্রস্তুত হয়। । দেশীয় বাণিজ্যের জন্য উপকূলভাগে কতকগুলি বন্দর আছে । এই বন্দরগুলিতে যে সময় ঝড় বৃষ্টি হয় না, তখন নৌকাদি নিরাপদে রাখা যাইতে পারে। যতগুলি বন্দর আছে, তাহার মধ্যে বেরাবল, নব-বন্দর এবং সুতরাপাড়া এই তিনটাই প্রধান । রাজ্যের মধ্যে কতকগুলি বড় বড় রাস্তা আছে । জুনাগড় হইতে জেতপুর ও ধোরাজীর দিকে এবং বেরাবল অভিমুথে যে যে রাস্তা গিয়াছে, সেইগুলিই প্রধান ও বড় ; আর যে রাস্তাগুলি অাছে, তাহ তত বড় ও প্রধান নহে, তবে বর্ষাকাল ভিন্ন অন্ত সময়ে সে সমস্ত রাস্তায় গাড়ী ঘোড়া চলিয়া থাকে, সামান্ত সামান্ত পণ্যদ্রব্য বোঝাই গাড়ী এই | রাস্তার উপর দিয়া চলে। জুনাগড়ে ৩৪ট বিদ্যালয় আছে। ] জুনাগড় অতি প্রাচীন স্থান ; এখানে অনেক পুরাতন । কীৰ্ত্তি পড়িয়া আছে। গির্নর পর্বতের উপরিভাগ বহুসংখ্যক জৈনমন্দির শোভিত । বেরবল বনার এবং সোমনাথের প্রভাসের ভগ্নমন্দির বিশেষ বিখ্যাত । কাঠিয়াবাড়ে অনেকগুলি ক্ষুদ্র দেশীয় রাজ্য আছে ; তন্মধ্যে জুনাগড় একট প্রধান । ১৮০৭ খৃঃ অকো জুনাগড়ের শাসনকৰ্ত্ত ইংরাজদিগের সহিত প্রথম সন্ধিসূত্রে আবদ্ধ হন। জুনাগড়ের রাজা মুসলমান ; তাহার নবাব’ উপাধি। নবাব ইংরাজদিগের নিকট হইতে ১১ট মান্ততোপ পাইয়া থাকেন। ১৮৮২ খৃঃ অম্বে বাহাদুর খাজি জুনাগড় সিংহাসনে অভি. बिद्ध श्न । ऊँीशंद्र छेकंङन नवभ शृङ्गश् ८णव्र थें बांबि 4हे [ ১৩২ ] জুনাগড় حافة বংশের আদিপুরুষ। জুনাগড়ের নবাব বৃটিশ গবর্মেন্ট ও বরদার গাইকবাড়কে বার্ষিক ৬৫৬০৪২ ੇ। কর" প্রদান করেন । নবাবের ২৬৮২ জন সৈন্থ আছে। এখানকার নবাবের জ্যেষ্ঠপুত্রই রাজ্যপ্রাপ্ত হইয়া থাকেন। ইহাদিগের দত্তকপুত্রগ্রহণের ক্ষমতা আছে । নবাবই তাহার প্রজাবর্গের দওমুণ্ডের কৰ্ত্তা* । তিনি ইংরাজ গবর্মেন্টের সহিত এইরূপ সন্ধিতে আবদ্ধ আছেন যে, তাহার রাজ্যে সতীদাহ প্রথা রহিত করিবেন এবং ঝড় বৃষ্টি অথবা অন্ত কোন প্রকার বিপদ হেতু যে সমস্ত জাহাজ তাহার বন্দরে প্রবেশ করিবে, সে সমস্ত জাহাজের কোন গুল্ক আদায় করিবেন না । মুসলমানদিগের প্রভূত্বের পূৰ্ব্ব নিদর্শন এখনও এই রাজ্যে বর্তমান । যদিও জুনাগড়ের নবাব বরদার গাইকবীড় ও বৃটিশ গবমেণ্টের অধীন, তথাপি তিনি কাঠিয়াবাড়ের অনেকগুলি ক্ষুদ্ররাজ্যের শাসনকৰ্ত্তাদিগের নিকট হইতে জোর-তলবি পাইয়া থাকেন । এই জোর-তলবি তিনি নিজের কৰ্ম্মচারী দ্বারা আদায় করেন না । কাঠিয়াবাড়স্থিত বড়লাটের ইংরাজ প্রতিনিধি র্তাহার কৰ্ম্মচারী দ্বারা আদায় করিয়া নবাবের নিকট প্রেরণ করেন । পূৰ্ব্বকালে জুনাগড় স্বরাষ্ট্র বা আনৰ্ত্তের হিন্দুরাজগণের অধীন ছিল। চুড়াসমাবংশীয় রাজপুতগণ বহুদিন এই প্রদেশ শাসন করিতেন । ১৪৭২ খৃঃ অবে আহ্মদাবাদের সুলতান মহম্মদ বেগর এই প্রদেশ অধিকার করেন। সম্রাট অকৃবরের রাজত্বকালে তাহার গুজরােটস্থ প্রতিনিধি এই রাজ্য দিল্লীসাম্রাজ্যের অন্তভুক্ত করেন । খ আজম্ সম্রাটু অর্কবর কর্তৃক গুজরাটের শাসনকৰ্ত্ত নিযুক্ত হইলে তিনি জুনাগড় অধিকার করিতে ইচ্ছুক হইলেন। জুনাগড়ের দুর্গ অতিশয় প্রসিদ্ধ ছিল। পূৰ্ব্বে কেহই সাহস করিয়া আক্রমণ করে নাই। গা আজম আক্রমণ করিলেন বটে ; কিন্তু দুর্গে প্রচুর খাদ্যদ্রব্য সংগৃহীত ছিল, দুর্গও অজেয় বলিয়া তাহাদিগের বিশ্বাস ছিল ; এই জন্ত দুৰ্গরক্ষীরা প্রথমে আক্রমণকারীদিগের অধীনতা স্বীকার করিল না। দুর্গের মধ্যে ১••ট কামান ছিল ; প্রত্যহ অনেকবার তাহার গোলাবর্ষণ করিতে লাগিল। খ-ই-আজম্ অন্য কোন উপায় না দেখিয়া একটী উচ্চস্থানে কতকগুলি কামান প্রেরণ করিলেন এবং সেই স্থান হইতে দুর্গোপরি গোলাবর্ষণ করিতে আদেশ দিলেন । অনবরত গোলা বর্ষণে দুর্গবাসিগণের মনে ভয় হইল। তাহারা আত্মসমর্পণ করিল। সেই অবধি জুনাগড় মোগলদিগের অধিকারভুক্ত হইল। y

  • यबाषिcण* श्रौषन ७ शृष्ट्र नवtt१त्र ३अशद्र फेंगब्र निि ቖርጸ !