পাতা:বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বিশ্বপরিচয় পৃথক নাম অসংগত। বড়ো ভাই নামজাদ, ছোটো ভাইকে কেউ জানে না, তবু বংশগত ঐক্য ধরে উভয়েরই থাকে একই উপাধি, এও তেমনি । আলোর ঢেউয়ের আপন দলের আরো একটি ঢেউ তাছে, সেটা চোখে দেখিনে, স্পর্শে বুঝি। সেটা তাপের ঢেউ । স্বষ্টির কাজে তার খুবই প্রতাপ । এমনিতরো আলোর ঢেউজাতীয় নানা পদার্থের কোনোট। দেখা যায়, কোনোটা স্পর্শে বোঝা যায়, কোনোটাকে স্পষ্ট আলোরূপে জানি তাবার সঙ্গে সঙ্গেই তাপরুপেও বুঝি, কোনোটাকে দেখাও যায় না, সম্পর্শেও পাওয়া যায় না | তামাদের কাছে প্রকাশিত অপ্রকাশিত তালো-তরঙ্গের ভিড়কে যদি এক নাম দিতে হয়, তবে তাকে তেজ বলা যেতে পারে । বিশ্বসৃষ্টির আদি অন্তে মধ্যে প্রকাশ্বে আছে বা লুকিয়ে আছে বিভিন্ন অবস্থায় এই তেজের কাপন । পাথর হোক লোহা হোক বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় তাদের মধ্যে কোনো নড়াচড়া নেই । তার যেন স্থিরত্বের অাদর্শস্থল ৷ কিন্তু এ-কথা প্রমাণ হয়ে গেছে যে তাদের অণুপরমাণু, অর্থাৎ অতি সূক্ষ্ম পদার্থ, যাদের দেখতে পাইনে, অথচ যাদের মিলিয়ে নিয়ে এরা আগাগোড়া তৈরি, তারা সকল সময়েই ভিতরে ভিতরে কাপছে । ঠাণ্ড৷ যখন থাকে তখনও কঁপিছে, আর র্কাপুনি যখন আরো চড়ে ওঠে তখন গরম হয়ে বাইরে থেকেই ধরা পড়ে আমাদের ^ o گروهي