পাতা:বিশ্বপরিচয়-রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৬৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পরমাণুলোক চার্জ আর যে পরমাণু ছাড়া-ইলেকট্রনটাকে ধরেছে তার চার্জ নেগেটিভ বৈদ্যুতের। তারা যদি পরস্পরের যথেষ্ট কাছাকাছি অাসে তাহলে আবার হিসেব সমান করে নেয় । অসাম্য ঘুচলে তখন বৈদ্যুতধর্মের চাঞ্চল্য শান্ত হয়ে যায় । স্বভাবত হেলিয়ম-পরমাণুর থাকে দুটো ইলেকট্রন । কিন্তু রেডিয়ম থেকে আলফা-কণারূপে নিঃসৃত হয়ে সে যখন অন্ত বস্তুর মধ্যে দিয়ে ছুটতে থাকে তখনকার মতো তার সঙ্গী তুটো যায় ছিন্ন হয়ে । অবশেষে উপদ্রবের অন্ত হোলে ছুটে ইলেকট্রনদের মধ্যে থেকে অভাব পূরণ করে নিয়ে স্বধর্মে ফিরে আসে । এইখানে আর একটা কথা ব’লে এই প্রসঙ্গ শেষ করে দেওয়া যাক। সকল বস্তুরই পরমাণুর ইলেকট্রন প্রোটন ও নু্যট্রন একই পদার্থ। তাদেরই ভাগবাটোয়ারা নিয়ে বস্তুর ভেদ । যে পরমাণুর আছে মোট ছয়টা পজিটিভ চার্জ সেই হোলো কার্বনের অর্থাৎ আঙ্গারিক বস্তুর পরমাণু। সাতটা ইলেকট্রনওয়ালা পরমাণু নাইট্রোজেনের, আটটা অক্সিজেনের । কেবল হাইড্রোজেন পরমাণুর আছে একটা ইলেকট্রন । আর বিরেনববইটা আছে য়ুরেনিয়মের । পরমাণুদের মধ্যে পজিটিভ চার্জের সংখ্যা ভেদ নিয়েই তাদের জাতিভেদ । স্বষ্টির সমস্ত বৈচিত্র্য এই সংখ্যার ছন্দে । বৈদ্যুতসন্ধানীরা যখন আপন কাজে নিযুক্ত আছেন তখন তাদের হিসাবে গোলমাল বাধিয়ে দিয়ে অকস্মাৎ একটা 8 S