পাতা:বেতালপঞ্চবিংশতি.pdf/৫৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটিকে বৈধকরণ করা হয়েছে। পাতাটিতে কোনো প্রকার ভুল পেলে তা ঠিক করুন বা জানান।
৪৯
৪৯
বেতালপঞ্চবিংশতি

কালে দংশন করিয়াছে এবং বার তিথি নক্ষত্র সমুদায়ের দোষ পাইয়াছে। স্বয়ং ধন্বন্তরি উপস্থিত হইলেও ইহাকে বাঁচাইতে পারিবেন না। এক্ষণকার যাহা কর্ত্তব্য থাকে করুন আমরা বিদায় হই। এই বলিয়া প্রণাম করিয়া বিষবৈদ্যেরা প্রস্থান করিল।

কিয়ং ক্ষণ পরেই মধুমালতীর প্রাণত্যাগ হইল। তখন ব্রাহ্মণ ব্রাহ্মণের পুত্ত্র এবং তিন বর পাঁচ জন একত্র হইয়া তদীয় মৃত দেহ শ্মশানে লইয়া গিয়া যথাবিধি দাহক্রিয়া করিলেন। ব্রাহ্মণ পুত্ত্র সহিত গৃহে আসিয়া নানাবিধ বিলাপ ও পরিতাপ করিতে লাগিলেন। বরেরা তিন জনেই এইরূপ অসুলভরূপনিধান কন্যানিধান লাভে হতাশ হইয়া বৈরাগ্য লইলেন। তন্মধ্যে ত্রিবিক্রম চিতা হইতে সমুদয় অস্থি সঞ্চয়ন করিলেন এবং বস্ত্রখণ্ডে বন্ধনপূর্ব্বক কক্ষে নিক্ষিপ্ত করিয়া দেশে দেশে ভ্রমণ করিতে লাগিলেন। বামন সন্ন্যাসী হইয়া তীর্থযাত্রা করিলেন। তৃতীয় মধুসূদন সেই শ্মশানের প্রান্ত ভাগে এক পর্ণশালা নির্মাণ করিয়া তাহার এক কোণে মধুমালতীর রাশীকৃত দেহভস্ম রাখিয়া যোগ সাধন করিতে লাগিলেন।

এক দিবস বামন ভ্রমণ করিতে করিতে মধ্যাহ্ন কালে এক ব্রাহ্মণের আলয়ে উপস্থিত হইলেন। ব্রাহ্মণ ভোজনকালে সন্ন্যাসী উপস্থিত দেখিয়া কৃতাঞ্জলি হইয়া কহিলেন মহাশয়