পাতা:ব্যবসায়ে বাঙালী.djvu/১০৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


$8 ব্যবসায়ে বাঙালী এজেণ্ট গণ ঐ কারবারে সকলেই ধারে মাল দিয়াছেন। আমি একদিন কথাপ্রসঙ্গে কারবারের প্রকৃত মালিককে জিজ্ঞাসা করিলাম—- “হা মশাই, আপনার কারবারের নাম ‘এস মরেন কোং কেন ?” তিনি বলিলেন, “নাম সমরেন দত্ত, তাই ঐ নাম দিয়াছি।” কিছুদিন পরে যখন তিনি আমার প্রদত্ত ৬০০২ ও অন্যান্য এজেণ্টগণের পাচ, হাজার টাকা লইয়া একদিন কারবার বদ্ধ করিলেন, তখন অস্থসন্ধানে জানা গেল যে, এস, মোরেন তাহার এক নাবালক পুত্রের নাম । তাহার নাম হইতেছে, চারুচন্দ্র দত্ত। যাক, চারুবাবুকে তো ধরাছোয়ার মধ্যে আর পাওয়া গেল না । কিন্তু আমরা যারা ধার দিয়াছি—আমাদের চিস্তার ধারাটা কিরূপ ছিল ? আমরা কেবল খরিদ্ধারের ( customer ) মাল-কাটুতির ক্ষমতা লক্ষ্য করিয়াছি, আর এমন সোণার চাদ খরিদার হয় না মনে করিয়া ধারে মাল ছাড়িয়াছি । কিন্তু কারবারের যে গোড়ায় গলদ ছিল, তাহা আমাদের কাহারও লক্ষ্য করিবার অবসর ছিল না । সুতরাং ঘরের টাকা খুয়াইয়া তাহার প্রায়শ্চিত্ত করিতে হইল । আগেই বলিয়াছি—বাঙালী যে ব্যবসায়ে উন্নতি করিতে পারে না, তাহার একমাত্র কারণ তাহারা শ্ৰমকাতর, অলস ও অসাধু। একটুখানি লেখাপড়া শিখিয়াই তাহারা মনে করে, তাহারা জানে না এমন কিছুই নাই—একেবারে সবজাস্তা তারা। এজন্য কোন কাজে শিক্ষানবিশী করিতে নারাজ। মানিয়া লইলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্ৰী লাভ করিলে মূৰ্খ দুর্ণাম ঘুচিতে পারে, কেরাণীগিরি চাকুরীর দরখাতে উপাধির ফিরিস্তি দেওয়া চলে। কিন্তু একমাত্র পাঠ্য পুস্তকের ৰিষ্ঠ ছাড়া আর কোন অভিজ্ঞতা তার মধ্যে থাকে কি ? যে-শিক্ষায়