পাতা:মহর্ষি মনসুর - মোজাম্মেল হক.pdf/৬০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

8৫ চতুৰ্থ পরিচ্ছেদ সংহার-মূরতি সমর-প্রাঙ্গণে, কেলী-লীলা-ভূমি প্ৰমোদ কাননে, সূক্ষ বালুকণে, মানবের মনে, দীনের কুটীরে, রাজার ভবনে, তোমাতে, অামাতে, ধনী, বিত্তহীনে, পতঙ্গ, কীটাণু, পশু-পক্ষী-মীনে, আরো অাছে যত নাম কব কত ? সব তাতে তার বিরাজ সতত ! আহা ! তিনি সকল স্থানেই সকল সময়েই সমানভাবে বিরাজিত রহিয়াছেন । কিন্তু কি আশশ্চৰ্য্য ! আমি তোমাদের কথায় বুঝিতেছি, তিনি যেন কোন সুদূর অপরিজ্ঞাত স্থানে অবস্থান করিতেছেন। আমরা খুজিয়া খুজিয়া পরিশ্ৰান্ত ও অবসন্ন হইয়া পড়িয়াছি, তবুও তাহার দৰ্শন মিলিতেছে না, সে হারান ধনের—সে অমূল্য রত্নের উদ্দেশ পাইতেছি না । এ কি অদ্ভুত কথা তোমাদের ! কি অযৌক্তিক প্ৰলাপ-বচন ! কি ভয়ানক ভ্ৰান্তি ! চক্ষুষ্মান বিবেকী ব্যক্তি কখন কি একথা বলিতে পারে ? ভ্ৰাতৃগণ । তিনি কি হারাইবার সামগ্ৰী? দেখ দেখ ঐ দেখ, যদি নয়ন থাকে, তবে তাহা উন্মীলন করিয়া দেখ, অপরাপ বিরাটরুপে নয়ন-মন বিমোহিত করিয়া তিনি চতুৰ্দ্দিকে বিরাজিত রহিয়াছেন । চন্দ্ৰ, সূৰ্য্য ও অসংখ্য গ্ৰহ-নক্ষত্ৰাদির আধার যে অনন্ত আকাশ, তাহা কি ক্ষুদ্ৰ নয়নের অন্তরালে লুকায়িত হইতে পারে ? বিস্তীৰ্ণ মহাবারিধির লয় নাই, তাহা চিরদিনই সমভাবে