পাতা:মানিক গ্রন্থাবলী (প্রথম খণ্ড).pdf/১৪০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


S 3ë ওসৰ আমি জানি, আমি মুখু গেয়ে মেয়ে নই। মাদুলি নিলে মাথা ধরা সেরে না। যাক, উপকার হবে। ছাই হবে। কিছু উপকার হবেই। ভূতেও তো তোমার বিশ্বাস নেই, কিন্তু রাত দুপুরে এক এক শ্মশান ঘাটে গিয়ে দেখো তো, একবার ভয় না করলেও দেখবে কেমন কেমন লাগবে। অবিশ্বাস করেও তুমি একটা মাদুলি নাও, আমার কথা শুনে নাও, মাথার যন্ত্রণা অন্ততঃ একটু কম হবেই। মনোরমা। হঠাৎ গম্ভীর হইয়া গেল । মাথা ধরুক আর যাই হোক, কালীকে তোমার আনতে যেতে হবেই রাজুভাই। না গেলে কোনদিন তোমার সঙ্গে क९ २ानद नl । বেশ বুঝা যায়, মনোরম রাগ করে নাই, শুধু অভিমানে মুখ ভার করিয়াছে। মেহের অভিমান, দাবীর অভিমান। রাজকুমার মৃদু হাসিয়া বলিল, আচ্ছা, দেখি। যেতে পারলে যাব’খন । গিরীন্দ্ৰনন্দিনীর মা ঘরে ঘুমাইতেছিলেন। গিরি নিজেই দরজা খুলিয়া দিল। রোগী লম্বা পনের ষোল বছরের মেয়ে, 'তের বছরের বেশী বয়স মনে হয় না। রাজকুমারের পরামর্শে রসিকবাবু মেয়েকে সম্প্রতি একটি পুষ্টিকর টনিক খাওয়াইতে BBDD DBBDBDBDS BB DDD DBDDDBD DBBDB কাছে সংগ্ৰহ করিয়াছিল। অজিত বলিয়াছিল, এমন টনিক আর হয় না। রাজু। ভুল করে একবার একটা সাত বছরের মেয়েকে খেতে দিয়েছিলাম, তিন মাস পরে মেয়েটার বাবা পাগলের মত তার বিয়ের জন্য পাত্র খুজতে আরম্ভ করল। গিরি মাসখানেক টনিকটা খাইতেছে কিন্তু এখনও কোন ফল হয় নাই। তবু সেমিজ ছাড়া শুধু ডুরে শাড়ীটি পরিয়া থাকার জন্য গিরি ষেন সঙ্কোচে একেবারে কাবু হইয়া গেল। যতই হোক, বাঙ্গালী গৃহস্থ ঘরের মেয়ে তো, পনের ষোল ৰছর বয়স তো তার হইয়াছে। ডুরে শাড়ী দিয়া ক্ৰমাগত আরও ভালভাবে নিজেকে ঢাকিবার অনাবশ্যক ও খাপছাড়া চেষ্টার জন্য গিরির মত অল্প অল্প বোকাটে ধরণের সহজ সরল হাসিখুসীি ছেলেমানুষ মেয়েটাকে পৰ্য্যন্ত মনে হইতে লাগিল বয়স্ক পাকা মেয়েমানুষ। ছোট উঠান, অতিরিক্ত ঘষা থাকায় ঝকঝকে, তবু যেন অপরিচ্ছন্ন। কলের নীচে ছড়ানো এটো বাসন, একগাদা ছাই, বাসন মাজা স্থাত, ক্ষয় পাওয়া ঝাঁটা, নালার ঝাঁঝরার কাছে পানের পিকের দাগ, সিড়ির নীচে কয়লা আর ঘুটের সুপি, শুধু এই কয়েকটি সক্ষেতেই যেন সযত্বে সাফ করা উঠানটি নোংরা হইয়া যাইতেছে। G<fter offontse P. Vecca Rite ? একধাপ সিঁড়িতে উঠিয়া গিরি দাঁড়াইল এবং সেইখানে দাড়াইয়া রাজকুমার যা বলিতে আসিয়াছে শুনিল। তারপর মানিক-গ্ৰন্থাবলী কাতরভাবে অভিমানের ভঙ্গিতে খোচা দেওয়ার সুরে বলিল, তা খাবেন কেন গরীবের বাড়ীতে । আমার ভীষণ মাথা ধরেছে গিরি। भांथ चांगांद्र.७ १८द्र । स्त्रांथेि cछ थांद्दे ! তুমি এক নম্বরের পেটুক, খাবে বৈকি। আমি পেটুক না। আপনি পেটুক ? সেদিন অতগুলো ক্ষীরপুলি -গিরি খিলখিল করিয়া হাসিয়া ফেলিল। ডুরে শাড়ী সংক্রান্ত কুৎসিত সঙ্কেতের বিরক্তি সঙ্গে সঙ্গে রাজকুমারের মন হইতে মিলাইয়া গেল রোদের তেজে কুয়াশার মত। একটু গ্লানিও সে ৰোধ করিতে লাগিল। নিজের অতিরিক্ত পাকা মন নিয়া জগতের সরল সহজ মানুষগুলিকে বিচার করিতে গিয়া হয়তো আরও কতবার সে আমনি অবিচার করিয়াছে। নিজের মনের আলোতে পরের সমালোচনা সত্যই ভাল নয়। কৈফিয়ৎ দেওয়ার মত করিয়া সে বলিল, সন্ধ্যা থেকে ঘর অন্ধকার করে শুয়ে থাকব। কিনা, তাই খেতে আসতে পারব না । খেয়ে গিয়ে বুঝি শুয়ে থাকা যায় না ? DB DDB DBDD DDS BBD BBu BB DBD S গিরি গম্ভীর হইয়া বলিল, না খেলে মাথাধরা আরও BDS KLL DDB ODBDB KBB DD BDS S DBDD LLD ଖ୧୫, ୧୫ । রাজকুমার হাসিয়া বলিল, তোমার সেই ডাক্তার বলেছে। বুঝি যে তোমার নাড়ী খুজে পায় নি ? কয়েক মাস আগে গিরির জ্বর হইয়াছিল, দেখিতে আসিয়া ড়াক্তার নাক তার কব্জি হাতড়াইয়া নাড়ী খুজিয়া পান নাই । হয়তো নাড়ী খুব ক্ষীণ দেখিবা মন্তব্য করিয়াছিলেন, গিরির পালস নাই। সেই হইতে গিরি সগৰ্বে সকলের কাছে গল্প করিয়া বেড়ায়, সে এমন আশ্চৰ্য্য মেয়ে যে তার পালস পৰ্য্যন্ত নাই। সকলের যা আছে তার যে তা নাই, এতেই গিরির কত আনন্দ, কত উত্তেজনা। রাজকুমারের কাছেই সে যে কতবার এ গল্প বলিয়াছে তার হিসাব হয় না । রাজকুমার অনেকবার তাকে বুঝাইয়া বলিয়াছে, কি ভাবে মানুষের হাটের কাজ চলে, কি ভাবে শিরায় শিরায় রক্ত চলাচল করে-অনেক কিছু বুঝাইয়া বলিয়াছে। বোকা মেয়েটাকে নানা কথা বুঝাইয়া বলিতে তার বড় ভাল লাগে। কিন্তু গিরি বুবিয়াও কিছু বুঝিাতে চায় না। সত্যি আমার নাড়ী নেই। Fil বঁচিয়া থাকার সঙ্গে নাড়ীর সম্পন্দন বজায় থাকার অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কের কথাটা রাজকুমার অনেকবার গিরিকে বুঝাইয়া বলিয়াছে, কোনদিন তার হাত ধরিয়া নাড়ীর অস্তিত্ব প্ৰমাণ করার চেষ্টা করে নাই। আজ সোজাসুজি গিরির ভান হাতটি ধরিয়া বলিল, দেখি, কেমন তোমার নাড়ী নেই। গিরি বিব্রত হইয়া বলিল, না না, আজ নয়। এখন লয়। আপনার বুঝি বিশ্বাস