পাতা:যশোহর-খুল্‌নার ইতিহাস প্রথম খণ্ড.djvu/১২২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

অষ্টম পরিচ্ছেদ—সুন্দরবনে মনুষ্যাবাস । ꬃ፭ পূৰ্ব্বদিকে গেলে বালুকার চড়ায় যেখানে খনন করা যায়, সেখানেই মিষ্টজল পাওয়া যায়। এজন্য এখানে লোকের বসতি ও ব্যবসায় করিবার সুবিধা হইয়াছে। উক্ত মিষ্ট পুকুরের পূর্ব দিকে ফুলজুরী বা মেহেরালির খাল। আধুনিক সময়ে মেহের আলি নামক এক সরিঙ্গের নামে উহার নাম মেহের আলি হইয়াছে। এই খালের আরও পূৰ্ব্বদিকে মাণিকদিয়া বা মাণিকখালি নদী। এই নদী পশর হইতে উঠিয়া সাগরে পড়িয়াছে। এই মাণিকদিয়া নদীর মধ্যে চট্টগ্রামের মৎস্যজীবিগণ এক সুন্দর উপনিবেশ স্থাপন করিয়াছে। নদীর দুইধারে জালিয়াদিগের বাড়ী, তাহার রাশি রাশি মৎস্ত ধরে এবং উহা শুকাইয়া বিদেশে চালান দেয়। সে স্থানে জালিয়াদিগের এমন বিস্তৃত উপনিবেশ বসিয়াছে, যে তাহাদের অভাব পূরণ জন্য নানা স্থান হইতে ব্যবসায়িগণ আসিয়া তথায় বাজার বদইয়াছে। শুকুন মংস্তের দুর্গন্ধে নদীর মধ্যে প্রবেশ করা দুষ্কর, কিন্তু ব্যবসায়ের লোভে সেই নদীর মধ্যে বহুসংখ্যক ব্যবসায়ী নৌকার মধ্যেই স্থায়ী দোকান খুলিয়া—বাজার বসাইয়াছে। যশোহর জেলারও কত দোকানদার এখানে ব্যবসায় করিয়া অর্থ সঞ্চয় করিতেছে । মিষ্ট জল পায় বলিয়া এসব লোক তথায় স্বচ্ছন্দে জীবিকানিৰ্ব্বাহ করিতেছে। সেই কারণে এ অঞ্চলে অনেক স্থলে পূৰ্ব্বে নেমক খালাড়ী ছিল। পশর হইতে একটি খাল পশ্চিমমুখে আসিয়া মজ্জাটায় মিশিয়াছে ; এই খালের নাম ভেদাখালি। ইহার উত্তর কুলে এবং নিকটবৰ্ত্তী দুবলা ভারানীর খালের উত্তরাংশে বহুসংখ্যক নেমক থালাড়ীর ভগ্নাবশেষ আছে। বাঙ্গড় নদীর মোহানার উত্তরাংশে একটি খাল আসিয়া দক্ষিণমুখে সমুদ্রে পড়িয়াছে ; এই খালের মোহানার একটা স্থানে লাল ও কালে পাথর প্রচুর পরিমাণে দেখা যায়। কিরূপে কখন এখানে পাথর আসিয়াছিল, তাহা নির্ণয় করিবার কোন উপায় নাই। তবে এসব নিদর্শন যে মানুষের প্রাচীন বসতি প্রভৃতির প্রমাণ দেয়, তাহাতে সন্দেহ নাই। শুধু মাণিকদিয়া নদীর মধ্যে নহে, বাঙ্গড়ার মোহন হইতে পশ্চিম দিকে প্রবাহিত মোরাদিয়া খালের মধ্যেও জালিয়াগণের একটা প্রধান আডিডা হইয়াছে।

    • रूधन बढ़ cमाकाननtaब्र नाम निर्धरिशत्रौ नाश, मk८कांग रिश्रणिा, वनाश्ब। এই নদীর মধ্যে ও কুলে নৌকা ও গৃহগুলি চট্টগ্রাম সদ্বীপ প্রকৃতির প্রথাক্ৰষে বীশের খোলার ছাওয়া । সেগুলি দেখিতে অতি স্বন্দর ।