পাতা:রঙ্গমল্লী.djvu/১৪৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নিদিধ্যাসন ১৩৫ ধ্যান ভাঙতে লজ্জা হচ্ছে...হাঃ ! হাঃ ! হাঃ ! •..তা’ থাকু একটু জিরিয়ে নিই ততক্ষণ । তভক্ষণ ওহান সানের সব কথাবার্তা তোকে বলি শোন ; শুনতে ইচ্ছে হয় তো বল, অ্যা ? ( কম্বলের ভিতর সন্মতিস্থচক শিরশ্চালন) বেশ! বেশ! তবে বলি শোন। এখান থেকে বেরিয়ে তো এক রকম উদ্ধশ্বাসে ছুটতে সুরু করা গেল ; তা সত্ত্বেও পৌছুতে প্রায় সন্ধ্যা হ’য়ে গেল। মনে মনে ভাবছি ওহান সান আমার বিলম্ব দেখে না জানি কতই উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছে। চীনেদেব কবি লি-শং-য়িনের মতন সে হয় তো বলছে— “কথা দিয়েছিল, তবুও এল না, তৃতীয় প্রহর কাটিল জাগি ; দেবদারু বনে পল্লব নড়ে আমি ভাবি—মোর বন্ধু না কি ?” এই কথা ভাব তে ভাব তে চলিছি এমন সময় শুনতে পেলুম কে গুণ গুণ স্বরে গাইছে— বাতির আলো মলিন হ’ল বাইরে র্কাদে হাওয়ার বীণা ; পথ চেয়ে মন-ক্লান্ত-নয়ন, বলগে সে আজ আসবে কিনা! এ ওহানার গলা না হ’য়ে যায় না; আমি আস্তে আস্তে শিকলটি নাড়লুম। অমূমি ভিতর থেকে ওহান বলে উঠল ‘কে গো ? কে ?” তখন বৃষ্টি পড়ছে, আমি বল্লুম ‘এই বৃষ্টিতে কে এসেছে বলে বোধ হয় ? অম্নি পায়ের শব্দ, আর সঙ্গে সঙ্গে রিনিঝিন্‌ ক’রে খিড়কীর শিকূলী খুলে ওহান সান একেবারে