শুনলেম, আমাদের “বাভ্রব্য” কঞ্চুকী নাকি সিংহলেশ্বরের অমাত্য বহুভূতির সহিত কোন প্রকারে প্রাণে-প্রাণে সমুদ্র-তীরে উত্তীর্ণ হয়েছেন। আর, সেই সময়ে কৌশল-রাজ্য জয়ের জন্য সেনাপতি রুমণ্বান্ যাচ্ছিলেন, তাঁর সঙ্গেও নাকি তাঁদের দেখা হয়। তা, প্রভুর এই কার্য্যটিতো প্রায় এক রকম নিষ্পন্ন করেছি, তবু যেন আমার মন সন্তুষ্ট হচ্চে না। ওঃ! ভৃত্য-ভাবের অশেষ কষ্ট!
প্রভুর উন্নতি-আশে
স্বেচ্ছায় প্রবৃত্ত হয়ে এ কার্য্যেতে হইয়াছি ব্রতী।
দৈব-ও সহায় এবে,
অভ্রান্ত সিদ্ধের কথা, প্রভু-ভয়ে তবু ভীত অতি॥
নেপথ্যে কলরব।
(কর্ণপাত করিয়া) এই যে, মৃদুমধুর মৃদঙ্গবাদ্যের সঙ্গে পুরবাসীদের সঙ্গীত-ধ্বনি শোনা যাচ্চে। তাই বুঝি, এই মদন-মহোৎসবে, পৌরজনের আমোদ-প্রমোদ দেখ্বার জন্য রাজা প্রাসাদের দিকে যাত্রা করলেন? এই যে, প্রভু প্রাসাদের উপরে উঠেছেন দেখ্চি।
ক্ষান্ত হয়ে যুদ্ধালাপে
পৌরজন-চিত্তবাসী সুবৎসল বৎস-দেশ-নাথ
দেখিতে নিজ উৎসব
সাক্ষাৎ কন্দর্প যেন সমুদিত বসন্তক-সাথ
এখন তবে গৃহে গিয়ে আরব্ধ কার্য্যটা কিরূপে শেষ করা যায় তার চিন্তা করিগে।(প্রস্থান)
ইতি বিষ্কম্ভক।