পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (চতুর্দশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৫১৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


sav ब्ररीौट-ब्रष्क्रमांबलौ ক্ষোভে, অহংকারের তাপে, কর্মের ভারে তার চিরন্তন সত্যটি আচ্ছন্ন হয়ে থাকত । তাহলে কেবলই মধ্যাহ্নের প্রখরত, প্রয়াসের প্রবলতা, কেবলই কাড়তে বাওয়া, ८कदणहे षांक थींeब्र, ¢कदणहे अख्शैन नर्थ, cकबलहे लकTशैन बांख-५ब्रहे ठेग्रांशनांब्र তপ্ত বাষ্প জমতে জমতে পৃথিবীকে যেন একদিন বুদ্ধদের মতো বিদীর্ণ করে ফেলত। এখনও দিনের বিচিত্র সংগীত তার সমস্ত মূছনার সঙ্গে বেজে ওঠে নি। কিন্তু এই দিন যতই অগ্রসর হবে, কর্মসংঘাত ততই বেড়ে উঠতে থাকবে, অনৈক্য এবং বিরোধের স্বরগুলি ক্রমেই উগ্র হয়ে উঠতে চাইবে । দেখতে দেখতে পৃথিবী জুড়ে উদ্বেগ তীব্র, ক্ষুধাতৃষ্ণার ক্ৰন্দনম্বর প্রবল এবং প্রতিযোগিতার ক্ষুদ্ধ গর্জন উন্মত্ত হয়ে উঠবে। কিন্তু তৎসত্ত্বেও স্নিগ্ধ প্রভাত প্রতিদিনই দেবদূতের মতো এসে ছিন্ন তারগুলিকে সেরেস্থরে নিয়ে যে মূল স্বরটিকে বাজিয়ে তোলে সেটি যেমন সরল তেমনি উদার, যেমন শাভ তেমনি গম্ভীর, তার মধ্যে দাহ নেই, সংঘর্ষ নেই, তার মধ্যে খণ্ডত নেই, সংশয় নেই।.সে একটি বৃহৎ সমগ্রতার সম্পূর্ণতার স্বর। নিত্যরাগিণীর মূর্তিটি অতি সৌম্যভাবে তার মধ্যে থেকে প্রকাশ পেয়ে ওঠে। এমনি করে প্রতিদিনই প্রভাতের মুখ থেকে আমরা ফিরে ফিরে এই একটি কথা শুনতে পাই যে, কোলাহল যতই বিষম হ’ক না কেন তৰু লে চরম নয়, আসল জিনিসট হচ্ছে শাস্তম্। সেইটিই ভিতরে আছে, সেইটিই জাদিতে আছে, সেইটিই শেষে আছে। সেইজন্তই দিনের সমস্ত উন্মত্ততার পরও প্রভাতে আবার যখন সেই শাস্তকে দেখি তখন দেখি তার মূর্তিতে একটু আঘাতের চিহ্ন নেই একটু ধূলির রেখা নেই। সে মূর্তি চিরস্নিগ্ধ, চিরশুভ্ৰ, চিরপ্রশাস্ত । সমস্ত দিন সংসারের ক্ষেত্রে দুঃখ দৈন্ত মৃত্যুর আলোড়ন চলেইছে কিন্তু রোজ সকালবেলায় একটি বাণী আমাদের এই কথাটিই বলে যায় যে, এই সমস্ত অকল্যাশই চরম নয়, চরম হচ্ছেন শিবম্। প্রভাতে র্তার একটি নির্মল মূর্তিকে দেখতে পাই—চেয়ে দেখি সেখানে ক্ষতির বলিরেখা কোথায়? সমস্তই পূরণ হয়ে আছে। দেখি যে, বুদ্ধ যখন কেটে যায় সমূত্রের তখনও কণামাত্র ক্ষয় হয় না। আমাদের চোখের উপরে বতই সমূত্রের ঢেউ যখন চঞ্চল হয়ে ওঠে তখন সেই ঢেউদের কাও দেখে সমুত্রকে আর মনে থাকে না । তারাই অসংখ্য, তারাই প্রকাগু, তারাই প্রচণ্ড এই কথাই কেবল মনে হতে থাকে। তেমনি সংসারের জনৈক্যকে বিরোধকেই সব চেয়ে প্রবল বলে মনে হয়। তা ছাড়া আর যে কিছু অাছে তা কল্পনাতেও আসে না। কিন্তু প্ৰভাতের