পাতা:রবীন্দ্র-রচনাবলী (পঞ্চদশ খণ্ড) - বিশ্বভারতী.pdf/৪০৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রক্তকরবী @సి లి চন্দ্র। রাক্ষসী, তুই তাকে ধরিয়ে দিয়েছিল। তুই ওদের চর। । নন্দিনী। কোন মুখে এমন কথা বলতে পারলে। চন্দ্রা। নইলে এখানে তোর কী কাজ। কেবল সবার মন ভুলিয়ে ভুলিয়ে ঘুরে বেড়াস । t ফাগুলাল। এখানে সবাই সবাইকে সন্দেহ করে, কিন্তু তৰু তোমাকে আমি বিশ্বাস করে এসেছি। মনে-মনে তোমাকে— সে-কথা থাক্। কিন্তু আজ কেমনতরো ঠেকছে যে । নন্দিনী। হবে, তা হবে। আমার সঙ্গে এসেই বিপদে পড়েছে। তোমাদের কাছে নিরাপদে থাকত, সে-কথা নিজেই বললে । . . . চন্দ্র। তবে কেন আনলি ওকে ভুলিয়ে ! সর্বনাশী ! নন্দিনী। ও-যে বললে, ও মুক্তি চায়। চন্দ্র। ভালো মুক্তি দিয়েছিস ওকে। নন্দিনী । আমি তো ওর সব কথা বুঝতে পারি নে, চন্দ্র। ও কেন আমাকে বললে, বিপদের তলায় তলিয়ে গিয়ে তবে মুক্তি। ফাগুলাল, নিরাপদের মার থেকে মুক্তি চায় যে-মানুষ, আমি তাকে বাচাব কী করে। + চন্দ্র। ও-সব কথা বুঝি নে। ওকে ফিরিয়ে যদি না আনতে পারিস মরবি, মরবি । তোর ওই সুন্দরপানা মুখখান দেখে আমি ভুলি নে । ام ফাগুলাল । চন্দ্রা, মিছে বকবিকি করে কী হবে। কারিগরপাড়া থেকে দলবল জুটিয়ে আনি । বন্দীশালা চুরমার করে ভাঙব । নন্দিনী । আমি যাব তোমাদের সঙ্গে । ফাগুলাল। কী করতে যাবে। নন্দিনী । ভাঙতে যাব । চন্দ্র। ওগো, অনেক ভাঙন ভেঙেছ মায়াবিনী ! আর কাজ নেই। গোকুলের প্রবেশ গোকুল। সবার আগে ওই ডাইনীকে পুড়িয়ে মারতে হবে। চন্দ্র। মারবে ? তাতে ওর শাস্তি হবে না। ষে-রূপ নিয়ে ও সর্বনাশ করে, সেই রূপটা দাও ঘুচিয়ে । খুরপো দিয়ে যেমন করে ঘাস নিড়োয়, তেমনি করে ওর রূপ দাও নিড়িয়ে । . Y . গোকুল। তা পারি। একবার এই হাতুড়ির নামটা—