পাতা:শিখ-ইতিহাস.djvu/৩৬৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ইংরাজদের সহিত যুদ্ধ (9Հ Ֆ অকুল সমর সাগরে ভাসাইয়া, তিনি তাড়াতাড়ি পলায়ন করিলেন । র্তাহার অধীনস্থ সৈন্তগণের মধ্যে দারুণ বিশৃঙ্খল উপস্থিত হইল ; কিছুকালের নিমিত্ত তাহার কিংকর্তব্যবিমূঢ় হইয়া পড়িল। তখন ইংরাজদিগের গোলন্দাজ সৈন্যের যুদ্ধোপকরণ সকলই ফুরাইয়া গিয়াছিল ; তাহাদের একদল সৈন্ত ফিরোজপুরে, প্রস্থান করিতেছিল।" সেই সময় যদি শিখ-সৈন্ত সাহসিকতার সহিত অগ্রসর হইয়া ইরজিদিগকে আক্রমণ করিত, তাহা হইলে, ইংরাজগণ সহস্ৰ চেষ্টায়ও অবশিষ্ট সৈন্যদলকে রক্ষা করিতে পারিতেন না। এইরূপে একটি যুদ্ধে জয় হইল। ৭০টির অধিক কামান এবং বিজিত ও অধিকৃত রাজ্য লাভ হওয়ায়, বিজয়-শ্ৰী ইংরেজের অঙ্কশায়িনী হইলেন। কিন্তু বিজয়ী ইংরেজসেনার সপ্তমাংশ এই যুদ্ধে বিধ্বস্ত হইয়াছিল। অত্যধিক উত্তেজনা ও অশেষ পরিশ্রমে ইংরেজসৈন্য অনেকাংশে-অকৰ্মণ্য হইয়া পড়িয়ছিল। সেই সময়ে শিখগণ শতক্ৰ নদী পার হইয়া নূতন যুদ্ধের আয়োজন করিবার অবসর পাইয়াছিল। ইংরাজ-পক্ষের বেতনভোগী সিপাহী-সৈন্যগণকে এইবার সমশক্তিশালী শত্রুর সম্মুখীন হইতে হইল । কি অস্ত্র-শস্থে, কি সৈন্য সংখ্যায়, কি গোলাগুলি বর্ষণে উভয় পক্ষই সমকক্ষ ছিল। শিখদিগের কামান অপেক্ষ সিপাহীদিগের কামানগুলি নিকৃষ্ট ছিল বলিয়া, সিপাহীগণ ঘোর ৩৭। ফিরু সহরের যুদ্ধ-বৃত্তান্ত সম্বন্ধে লর্ড গাফের ডেসপ্যাচ দ্রষ্টব্য। ১৮৪৫ খ্ৰীষ্টাব্দের ২১শে ডিসেম্বর, লর্ড গাফ সেই ডেসপ্যাচ প্রেরণ করেন। লর্ড হাডিঞ্জও ৩১শে ডিসেম্বর আর একটা সংবাদ প্রেরণ কবেন। সেই সকল ডেপপ্যাচে ফিরুসহরের যুদ্ধবৃত্তান্ত বিশদরূপ বর্ণিত আছে। অশ্বারোহী সৈন্যদলের কার্যকারিতার বিষয় গবৰ্ণৱ-জেনারেল বিশেষরূপে লক্ষ্য করিয়াছিলেন। এই যুদ্ধে ইংরাজ পক্ষে ৬৯৪ জন সৈন্ত নিহত, এবং ১৭২১ জন আহত হয় । ‘Cofiñtaff:fes’ (‘Quaterly Review' for June, 1845, P. 203-206) or of sofst fife's' ( Calcutta Review for December, 1847, p. 498. ) witHä of Tiss of warfus বিষয়ের পরিচয় পাওয়া যায়। সেই সকল বিষয় এই ইতিহাসে উল্লেখ আবশ্যক। তন্মধ্যে দুইটি বিষয় প্রধান ;–(১) ২১শে ডিসেম্বর রাত্রিযোগে ফিরোজপুরে আশ্রয়গ্ৰহণ করার প্রস্তাব। (২) পর দিন প্রাহ্নে অধিক সংখ্যক ইংরাজ-সৈন্ত ফিরোজপুরের দিকে অগ্রসর হইবার ব্যবস্থ। । যদি শিখ-সৈন্ত সুকৌশলে পরিচালিত হইত, তাহা হইলে সমরণীতি অনুসারে ফিরোজপুর অভিমুখে ইংরাজ সৈন্যের প্রত্যাগমন করাই শ্রেয়ঃ ছিল ; কিন্তু কয়েকজন স্বদেশ-দ্ৰোহী বিশ্বাসঘাতকের DBBBS BBSBBB BBBBB BBBBS BBB BBSBB BBBBBS BBBBB BD DDDS মনে করিয়াছিলেন। লাল সিং এবং তেজ সিংহের অকৰ্মণ্যতা কিংবা বিশ্বাসঘাতকতার বিষয়, ইংরাজসেনানায়কগণ সম্পূর্ণরূপ অনুধাবন করিতে পারেন নাই, কিংবা তাহাতে সমূহ বিশ্বাস স্থাপন করিতে সাহস করেন নাই। এই কারণে সমগ্র ব্রিটিশ-রাজ্যের শাস্তি রক্ষার ভার যাহার উপর ন্যস্ত ছিল, তিনি তজ্জনা কিছু উদ্বিগ্ন হইয় পড়িয়াছিলেন। * যুদ্ধের অবসানে ফিরুসহরে দুই পক্ষের সেনাশিবাস-ক্ষেত্রে, উভয় পক্ষের অস্ত্র-শস্ত্রাদির অবস্থা উপলব্ধি হইয়াছিল। শিখ-গোলন্দাজদিগের কামানের বৃহৎ নালসমূহ এবং গোলাগুলির গুরুভার লক্ষিত হয় ; এবং ইংরেজদিগের যুদ্ধ কামানসমুহ তত্তলনায় নিকৃষ্ট বলিয়া বুঝা গিয়াছিল। শিখবিগের ৰে DDD BBB DDBDBB BBBD DDBBBS BDB BBB BDBB BDDBSBD DD DS DD ইংরাজদিগের কামানসমূহের তৃতীয়াংশ, গাড়ীর উপর অকৰ্মণ্য অবস্থায় দেখিতে পাওয়া গিয়াছিল। ૨8