পাতা:শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পঞ্চম ভাগ.djvu/২০৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ গ্রীরামকৃষ্ণ, গিরীশ, শশধৱ পণ্ডিত প্রভৃতি ভক্তসঙ্গে ঠাকুরের অসুখ সংবাদ কলিকাতার ভক্তেরা জানিতে পারিলেন। আল্জিভে অসুখ হইয়াছে সকলে বলিতেছেন। রবিবার ১৬ই আগষ্ট অনেক ভক্ত র্তাহাকে দর্শন করিতে আসিয়াছেন— গিরীশ, রাম, নিত্যগোপাল, মহিমা চক্ৰবৰ্ত্তী, কিশোরী (গুপ্ত, ) পণ্ডিত শশধর তর্কচূড়ামণি প্রভৃতি ঠাকুর পূর্বের ন্যায় আনন্দময়, ভক্তদের সঙ্গে কথা কহিতেছেন। ঐরামকৃষ্ণ—রোগের কথা মাকে বলতে পারি না । বলুতে লজ্জা হয়। গিরীশ—আমার নারায়ণ ভাল করবেন । রাম—ভাল হয়ে যাবে। শ্রীরামকৃষ্ণ (সহস্তে )—ই, ঐ আশীৰ্ব্বাদ কর । ( সকলের হাস্ত্য )। গিরীশ নুতন নূতন আসিতেছেন, ঠাকুর তাহাকে বলিতেছেন, ‘তোমার অনেক গোলের ভিতর থাকতে হয়, অনেক কাজ ; তুমি আর তিনবার এস।” এইবার শশধরের সহিত কথা কহিতেছেন। [ শশধর পণ্ডিতকে উপদেশ–ব্রহ্ম ও আদ্যাশক্তি অভেদ ] শ্রীরামকৃষ্ণ ( শশধরের প্রতি –তুমি আছাশক্তির কথা কিছু বল। শশধর—আমি কি জানি। ' গ্রীরামকৃষ্ণ (সহস্তে )–একজনকে একটী লোক খুব ভক্তি করে। সেই ভক্তকে তামাক সাজার আগুন আনতে বলুলে ; তা সে বললে, আমি কি আপনার আগুন আম্বার যোগ্য? আর আগুন আনলেও না ! ( সকলের হান্ত ) ৷ শশধর—আজ্ঞা, তিনিই নিমিত্ত কারণ, তিনিই উপাদান কারণ । তিনিই জীব জগৎ সৃষ্টি করেছেন, আবার তিনিই জীব জগৎ হয়ে রয়েছেন ; যেমন