পাতা:শ্রীশ্রীরামকৃষ্ণ কথামৃত পঞ্চম ভাগ.djvu/৩৫৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ঐরামকৃষ্ণের সাঙ্গোপাঙ্গাদি ඵ්ථI: ঠাকুরকে জরীরসাজ পরান ও রূপার গুড়গুড়িতে তামাক খাওয়ান, ২০, ২ ; সঙ্গে বুন্দাবনে, স্বপ্নে রাখাল কৃষ্ণ দর্শন, ৮, ৩ ; ব্রাহ্মণী বলতে ‘প্রতাপ রুদ্র', ৩১, ২ ; পাচ জনের মধ্যে একজন রসদার, ৩১, ২ । ৫ম—বয়সকালে অনেক রকম করে ছিল, ১, ২ ঃ ঠাকুরকে দিয়ে মকদ্দমা জিততে মাকালীকে অৰ্ঘ্য দেওয়া, ১২, ১ । মাইকেল মধুসূদন—৪র্থ—নারায়ণ শাস্ত্রীর সহিত কথা প্রসঙ্গে, ১৫, ৩ ; ম্যাগাজিনের সাহেবের সঙ্গে মকদ্দমার জন্ত দ্বারিক বাবুর সঙ্গে এসেছিল ; দপ্তরখানার বড় ঘরে দেখা হল। আমায় বল্লে, কিছু বলুন, আমি বল্লাম 'আমার মুখ কে যেন চেপে ধরেছে’, ১৫, ৩ । রাসমণি—২য়—কালীঘরে অন্তমনস্ক হয়ে ফুল বাছা—দুই চাপড়, ১, ১১। লক্ষীনারায়ণ মাড়োয়ারী—৪র্থ—বেদাস্তবাদী—ভারি স্বক্ষবুদ্ধি; ঠাকুরের নামে টাকা লিখে দিতে, তাহাকে নিষেধ ২১, ৪ । শম্ভ মল্লিক—১ম—হাসপাতাল করার কথা, ২, ৯ ; ঐ, ১০, ৬ ; ঠাকুরকে ‘শাস্তিরাম সিং, বলা, ১৫, ২ ; আনন্দ পাও, তাই এস, ৭, ৫ । ২য়—কি ! তার নাম করে বেরিয়েছি আবার বিপদ’, ৬, ৪ আশীৰ্ব্বাদ কর, যাতে এই ঐশ্বৰ্য্য র্তার পাদপদ্মে দিয়ে মরতে পারি, ১০, ৪ । ৩য়—হাসপাতাল ডিসপেন্সারীর কথা, ১৬, ১ । ৪র্থ—ঘোর বিকার—সৰ্ব্বাধিকারী দেখে বলে ঔষধের গরম, ১২, ১ ; ওহে ই দ্যাংটা হয়ে বেড়াও, বেশ আরাম, ১৩, ২ ; ব্যারামের সময় বলত "হৃদু, পোটলা বেঁধে বসে আছি, ২০, ৭ ; নাকট টেপা ছিল, তাই তত সরল ছিল না, ২২, ৪ ; শস্তুর আফিম কাপড়ে বাধিয়া আনিতে ঠাকুর অক্ষম, ২৬, ৩ ; রাঙা মুখ করে বলেছিল, সরল ভাবে ডাকলে তিনি শুনবেনই শুনবেন, ২৭, ৪ ; শন্তু একজন রসদার—তাকে আগে থাকতে ভাবে দেখেছিলাম, গৌরবণ মাথায় তাজ, ৩১, ২ ৷ ৫ম—কেশব সেনকে সঙ্গে করে শ্রীঠাকুরকে দর্শন, ৩, ২ । শাল গ্রামের ভাই—৩য়—বিরাণী রকমের আসন জানতো—লোভে হাজার টাকার নোট গিলে ফেলেছে, ৬, ২ ।