পাতা:শ্রীশ্রীহরি লীলামৃত.djvu/২১৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


*x. e है, তার অৰ্দ্ধ মুদ্র। এনে, বিলাইল দুঃখীজনে, দুই এক করি দরিদ্রকে। অগ্ৰেতে মস্তক মুড়ি, ফেলিল চৌগোপ দাড়ি, ডাকিয় আনি পরামাণিকে ॥ তসরের ধুতি ছিড়ে, ছেড়া এক কাণি ফেড়ে, ডেরিক কপিন বানাইল । পরিয়া ডোর কপিন, বলে আমি অতি দীন, হরি বলে নাচিতে লাগিল ॥ এমন কাঙ্গাল বেশে, পুন ওঢ়ার্কাদি এসে, লোটাইল ঠাকুরের পায়। ঠাকুর বলিল, শেষ, কোথা তোর সেই বেশ, এই বেশে কে তোরে সাজায় ॥ রাম ভরত বলে বাণী; যত সাজ কি সাজনী, সাজিতে কাহার সাধ্য হয় । যত সংসারের সাজ, সকল তোমার কাজ, - তোমা বিনে কেকারে সাজায় ॥ নাচিয়াছি যেবা নাচ, সাজিয়াছি যেবা কাচ, নাচ কাচ সব তুমি হও । তুমি স্বত্রধব হরি, এক মাত্র মুত্র ধরি, নাচ কাচ নাচাও কাচাও ॥ ঠাকুর তাহারে কয়, এই ভাব যার হয়, তার হয় এই সব সাজ । হরির্চাদ লীলাকথা, ভকত চরিত্র তথা, কহে দীন কবি রসরাজ ॥ রাম ভরতের ওঢ়াকাদি স্থিতি ॥ দীর্ঘ ত্রিপদী। ঠাকুর বলেন বাছ, সাজ সাজিয়োছ, সাচা, এখন কি ইচ্ছা তোর মনে । কহিছে রাম ভরত, আর নাহি কোন পথ, বিকাইকু তব শ্রীচরণে ॥ আর কাহা নাহি যাব, আন কথা নাহি কব, আর নাহি অন্য অভিলাষ ॥ স্থান দিয়া শ্রীচরণে, রাখ প্রভু নিজ গুণে, চরণে করিয়া নিজ দাস ॥ অমনি ঠাকুর বলে, তোরে করিলাম কোলে, যথাইচ্ছ। তথাকর কাজ । এই ওঢ়ার্কাদি বাড়ী, এ বাড়ী তোমার বাড়ী, বাড়ী মধ্যে তুমি মহারাজ । హ్రీ -- ইচ্ছামত খাও পর, যাহাঁইচ্ছ। তাহাকর, হরি নাম কর নিরন্তর । রাত্রিতে নিদ্র। যেওনা, ঘরে যেন চোর আসেন, নিদ্রাত্যাগ কর এইবার ॥ রহিল রামভরত তাহার যা অভিমত, সেই মত কাজ করে তথা । দিবানিশী হরিনাম, ত{হাতে নাহি বিরাম, কতু মুখে নাহি আন কথা ॥ প্রেমে গদ গদ চিত্ত, সদাই নামেতে মত্ত, অশ্রুপূর্ণ নেত্ৰ সৰ্ব্বক্ষণ । নামেপ্রেমে হ’য়ে ভোর, দেখি কোকিল ভ্রমর, ; কৃষ্ণ রূপ হয় উদ্দীপন ॥ কখন বা অনাহার, কখন করে আহীর, চারি পাচ দিন পরে খায়। - শাল্য আমান্ত তণ্ডুল, যুগ ছোগার ডাউন্ডু । ঘৃতপক্ক খিচড়ি পাকায় ॥ * এভাবে করেন বাস, , হরিনামে মনোল্লাস, পুকুরের ঘাটেতে যেতেছে। , দেখিল বাম দিকেতে, পশ্চিম ঘর কোণেতে, • শান্ত বসি মৎস্ত বানাইছে ৷ তাহা দেখি জ্ঞান শূন্ত, ক্রোধে হ’য়ে পরিপূর্ণ, বলে ওরে রে ডঙ্কিণী নারী । - কতপাপে পতিহার। জীবন থাকিতে মরা, পিশাচিনী মৎস্য মাংসাহারী ॥ ধাইয়। যাইয় কয়, তোরে আজ দিত ক্ষয়, নহে তোরে তাড়াইয়া দিব । করি মধুমতী পার, তোহারে দিব এবার, এদেশে না তোহারে রাখিব ॥ প্রভু হরিচাঁদ ডেকে, জিজ্ঞাসিল ভরতেকে, কি হ’য়েছে মোর ঠাই বল । রামভরত কহিছে, কেন ডঙ্কিণী রহিছে, এ বাড়ীতে প্রমাদ ঘটাল ॥ মহাপ্রভু বলে তারে, মাপ কর অবলারে, জ্ঞানহীন এর। যে আ বলা । এ মৎস্য দেশের চল, মাংসাদি খায় সকল, আগে ওরে না হ’য়েছে বলা ॥ ক্ষমা কর অপরাধ, আমাকে কর প্রসাদ, * হেন কৰ্ম্ম আর না করিবে । ঘটাইল যে বিপাক, থাকে থাক যায় যাকৃ, থাকে যদি গোপনে থাকিবে ।