পাতা:শ্রীশ্রীহরি লীলামৃত.djvu/২২০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


যশে।n. ধরাপূর্ণ কবি সরকার। মনোহরানুজ জটাধর সরকার। রাঢ়দেশে আদি বাস মিশ্র বংশজাত । বংশ অনুক্রমে ক্রমে বঙ্গ দেশাগত ॥ শ্ৰীকাশীরাম চৌধুরী আদি কুলনাথ । যার বংশাবলী ভবে হয় অগণিত ॥ কাশীরাম স্থত যাদুরাম সে নৈষ্ঠিক । তস্ত পুত্র চাদ, তিতুরাম প্রামাণিক ৷ যবে রাজা সীতারাম ছিল নরপতি । গ্রাম শ্রেষ্ঠ বলে দের প্রামাণিক খ্যাতি ॥ তিতুরাম পুত্র নাম শ্রীরামজীবন। মুনিরাম প্রামাণিক তাহার নন্দন ॥ তস্য বংশধর শান্তিরাম প্রমাণিক ।” কৃষ্ণমন্ত্রী হরিভক্ত পরম নৈঠিক ॥ ভস্ত পুত্র রামদাস শুমদাস আর । রামদাস বংশধর দুইটি কুমার। জ্যেষ্ঠ শ্ৰীগোসাইদাস নাম সুপ্রচার । কনিষ্ঠ মধুসুদন দুইটি কুমার । গোসাইদাসের পুত্র শ্ৰীআনন্দ জ্যেষ্ঠ । হীরামন নাগর বনমালী কনিষ্ঠ ॥ হরিবর রঘুনন্দন যশোদ। নন্দন । শ্ৰীযদুনন্দন চারি আনন্দ নন্দন ॥ হরিবরের তনয় শ্ৰীকৃষ্ণ প্রসাদ । আনন্দে আনন্দ চিন্তা করে হরিপদ । হরিবর মনোহর কবি দুটি ভাই । উভয়ের গুরু হন তারক গোসাই ॥ মনোহর এক পুত্র করিয়াছে লাভ । তারকের বরপুত্র শ্রবেণীমাধব ॥ মধুসূদনের হ’ল এ তিন কুমার । । নীলমণি অক্রুর তৃতীয় বিশ্বস্তর ॥ নীলমণি পুত্র সে বরদাকান্ত নাম । কবিগানে বিশারদ অতি গুণধাম ॥ উমেশ নামেতে হীরামনের নন্দন। তস্ত পুত্র কমলাক্ষ সতীশ দুজন ॥ ওঢ়াক্টাদি হরিচাদে জগন্নাথ মানে । তেঁতুলের গোলা খায় ব্যাধির বিধানে। ওঢ়ার্কাদি প্রেমবন্ত উঠিল তুফান। . পঞ্চকাটা ভেঙ্গে চুরে ধীয় প্রেমবাণ । ব্রাহ্মণ ক্যু" পূদ্র বৈরাগী যাহার। পড়ি ীেন ছিণ্ডে ভক্ত হ’ল উর। অন্ত খণ্ড । ૨૪'s হাতিখাদ গ্রামবাণী তিলক বণিক । নারী সহ মাতোয়ারা পরম নৈষ্ঠি ক ॥ মল্লকাদি রামতনু শিরালী ছিলেন । ওঢ়াকাদি গিয়া পুত্র প্রাপ্ত হইলেন। মহাপ্রভু হরিচাদ দিয়াছিল বর। প্রাচীন বয়েসে দোহে পাইল কুমার । রামতনু শিরালীর পুত্ৰ হ’ল কর্ণ। দীননাথ পুত্র তিলকের বাঞ্ছাপূর্ণ। অপুত্রক আনন্দ অন্তরে দুঃখ পায়। পুত্রের কামনা করি ওঢ়ার্কাদি যায় ॥ পথে এক মেচ্ছ বলে যেতেছ কোথায় । আনন্দ বলিল যা’ব ওঢ়ার্কাদি গায় ॥ স্লেচ্ছ শুনে তুচ্ছ করে বলে গালি পাড়ি । খেতে নাহি দেয় শাল। যা ও তার বাড়ী। ওঢ়ার্কাদি গেলে ডেকে বলে ভগবান। পথে লোকে শাল বলে তুই এলি কেন । তাহা শুনি-আনন্দ লুঠিয়া পড়ে পায় । পয়ার প্রবন্ধে কবি তারক রচয় ॥ - সু৮লসং*ঃপ্ত প্রভুপদে আনন্দের অনুনয় । লঘু-ত্রিপদী শুনিয়া বচন, সজল লোচন, আনন্দ তখন কয় । বুঝিলাম আমি, তুমি অন্তৰ্য্যামী, দাসে রেখ রাঙ্গাপীয় ॥ হয়ে পুত্ৰ হীন, কাদি বহুদিন, শ্রীনন্দনন্দন হরি। হ’ল ছয় কন্তে, এক পুত্র জন্তে, অরণ্যে রোদন করি ॥ বলে দয়াময়, যাও নিজালয়, দিলাম তোমারে ক’য়ে। গর্ভবতী ধনী, তোমার রমণী, এবারও জন্মিবে মেয়ে ॥ মম বাক্য ধর; ব্রহ্মচর্য্য কর, বৎসরেক সুকঠোরে। থাকিও পবিএ, তাহলে মুম্পুত্র, জন্মিবে তোমার ঘরে ॥ অংশ নারায়ণ, জনম গ্রহণ, করিব তব অtলয়।