পাতা:শ্রীশ্রীহরি লীলামৃত.djvu/২২২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


جة চক্ষে দেখে রাইচরণ সাহা । মায়ের মুরতী দেখিল তাহা ॥ তিন ভাই এসে সেই সভায় । আনন্দের পদে পড়িয় কয় ॥ আজন্ম বান্ধব তুমি গো ভাই । তবগুণে মাকে দেখিতে পাই ॥ বহুদিন আমি এপূজা করি । এরূপ নয়নে কভুনা হেরি ॥ তব আগমনে এসেছে মাত । তব পদে দাদা একটী কথ। সত্যকড়ার দেহ মম ঠাই । ঐচরণে তব এই ভিক্ষা চাই । যতদিন থাকিব জীবমান । মমবাড়ী দাদা করিবে গান ॥ সত্যে বন্দি হ’ল হইয়া হর্য। একারস্তে গান চৌদ্দ বর্ষ। পরে গান করতে গেলেন ঢাকা । স্বর্ণ দশভুজ মন্দিরে ঢাকা । এইরূপে গেল বৎসর নিন। সঙ্গী দোহারে বলে একদিন । , কোন মহারাজ সুবর্ণ দিয়ে । দশভূজা মাকে দিল গঠিয়ে ॥ আনন্দ বলেন সবে কি বল । মায়ের মূরতি কোথায় র’ল । যেইখানে বাজে বাজ মন্দিরে । মায়ের মূতি সেই মন্দিরে । শুনে নিরানন্দ বলে আনন্দ । , তোদের বাক্যেতে হইল সন্দ ॥ মন্দির মাঝারে আমিত যাই । স্বর্ণময়ী মাকে দেখিত নাই। পাষাণীর মেয়ে নিদয়া হ’য়ে । ঢাকা ঢাকা জাছে দেখা না দিয়ে ॥ অন্ন নাহি খাব যাব মন্দিরে । দেখি মা দেখা দেন কিনা মোরে ॥ আজ যদি দেখা না দেন মাত । পাষণে কুটিয়া ভাঙ্গিব মাথ । দয়াময়ী নামে কলঙ্ক রবে । পাথারে তারানাম ভেসে যাবে ॥ "হারে গেল মন্দির মাঝে । v স্কবা সাজে পাৰ্ব্বতী সাজে । দশভূজা শিবা সিংহ বাহিনী । 3> రి দশ করে দশ অস্ব ধারিণী ॥ ষড়ানন বামে শিকি উপর । দক্ষিণে গণেশ সুলম্বোদর ॥ চপল বরণী জলধি সুত । সঙ্গে রঙ্গে রঙ্গে ভারতী মাত ॥ অসুর নাশিনী করিয়া দৰ্প । বাম করে ধরে বিষধি সৰ্প ॥ মহেশ মহিষি মহিষ দমে । দশনে দংশিছে কেশরীযমে ॥ সাৰ্দ্ধ ত্ৰিহস্ত মুলম্বিত কায় । গলিত কাঞ্চন লাঞ্ছিত তায় ॥ নিস্পন্দ আনন্দ দেখিয়! তাই । কেঁদে কেঁদে দুঃখে ছেড়েছে হাই ॥ গুপত তপত কাঞ্চন বর্ণে ॥ দয়াময়ী দুর্গে ! হে অন্নপূর্ণে! ॥ গেল দুঃখে দিন তাতে ক্ষতি নাই । চরমে যেন মা চরণ পাই ॥ রবিমুতে আক্ৰমিবে যখন ! এরূপে দর্শন দিও তখন | দয়াময়ী নাম রাখিতে জঙ্গে । দীনে দেখা দিলে পাযাণ কঙ্গে ॥ পূজক ব্রাহ্মণ ছিলেন যারা । সঙ্গে সঙ্গে কান্না তুলিল তারা । পরবর্ষ ঢাকা গেল আনন্দ । - হরফে বিমর্ষ কি নিরানন্দ । সাৰ্দ্ধ ত্ৰিহস্ত দেখি মাতৃরূপ। এবর্ষ দেখি বিঘত স্বরূপ ৷ বিনয় বচনে কাতর স্বরে । বলে মাগে। বলি পদ নখরে ॥ চঞ্চল মানস স্থিরত) নাই ) নবকৃপ্ত খুন্সি স্কৃ"gদ তই ? এক মূৰ্ত্তি প্রতি বর্ষ দেখিলে । কল্পিত ভাবিয়া খেতাম ভুলে ৷ প্রতি বর্ষ নব মুরতী ধর । দাস অবিশ্বাস বিনষ্ট কর ॥ আনন্দ স্তাবক দুর্গাচরণে। তোটক স্বছন্দে তারক ভণে ॥