বিষয়বস্তুতে চলুন

পাতা:সমাজ-সমস্যা - যামিনীমোহন ঘোষ.pdf/১৪২

উইকিসংকলন থেকে
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।
১৩৪
সমাজ-সমস্যা।

হো’ক, কর্তবপরায়ণ হো’ক। ছেড়ে দাও, আর জীর্ণসূত্র ধরে রেখোনা।

 এ ভ্রুণ হত্যার বাড়াবাড়ি আর কত দিন চলিতে থাকিবে? বাল্য বিবাহ প্রথানুসারে বালিকাদিগকে বিবাহ দিবে এবং যৌবনে পদার্পণ করিতে না করিতেই তাহার বিধবা হইবে, আর আজীবন তাহারা দীর্ঘ উষ্ণ নিশ্বাস ফেলিবে! কে'উ বা মহাকষ্টে মান রাখিবে আর অধিকাংশ আপনার সর্ব্বনাশ করিয়া আয়াস লইবে! একদিকে বারাঙ্গণাদের সংখ্যা বাড়িয়া চলিবে, অন্যদিকে সমাজে ভ্রুণহত্যার বাড়াবাড়ি চলিতে থাঝিবে! এ কেমন কথা? বিধবারা বিবাছ করিতে পারিবে না, কিন্তু তাহারা বিবাহিত জীবনের সমস্ত কার্ধা করিতে অধিকারী হইবে, তাহাতেও সমাজচ্যুত হুইবে না! তাহারা সমাজে থাকিয়। যাহা ইচ্ছা তাহ করুক, সমাজে দিন দিন ভ্রণহৃত্যা হ'তে থাক, কোন দোষ নাই! এ কেমন কথা? প্রকৃত কাধ্য সম্পাদনে দোষ নাই, কথায় দোষ? সমাজে থাকিয়া গুপ্ত প্রণয়ে আবদ্ধ হো”ক, ততফলে ভ্রণহত্যা বা যা'ইচ্ছ তা'ই হো”্ক, কোন দোষ নাই, তুমি শেষে তাহাকে কাশীতে পাঠাইবার ব্যবস্থা করিবে, কিন্তু তবু তাাকে পুনরায় বিবাহ দিয় সংসার স্থুথ ভোগ করিতে দিবে না! এ তোমার তেমন বিচার ? আর না দাও, তোমার অগ্তায় অধিকার পরিত্যাগ কর এবং স্টায়তঃ তুমি যে অধি- কারের অধিকারী তাহ! গ্রহণ কর। বাল্যকালে তাহাদিগকে বিবাহ দিও না । তাহাদের বিবাহে তোমার কোন অধিকার নাই । বিবাহ তাহাদের, তোমাণের নর়। সুতরাং তোমার তাহাতে কোন