“আজ্ঞে অ্যামন আর কারো নাই“বলে; বাবুর গৌরব বাড়াচ্চেন ও মধ্যে মধ্যে “আপরুচি খানা ও পররুচি পিন্না” বয়েদটা নজির কচ্চেন। এই প্রকার অনেক তর্ক বিতর্ক ও বিবেচনার পর, হয়ত অ্যাক্টা বেয়াড়া রকমের পোশাক পরে, শেষে পোমেটম, ল্যাভেণ্ডার ও আতর ম্যেখে আংটী চেন ও ইষ্টিক বেচে নিয়ে দুঘণ্টার পর বাবু ড্রেসিংরুম হতে বৈটকখানায় বার দিলেন। হলধর, ভবানী, রামভদ্দর প্রভৃতি বৈটকখানাস্থ সকলেই আপনাদের কর্ত্তব্য কর্ম্ম বলেই য্যান” আজ্ঞে পোসাকে আপনাকে বড় খুলেচে” বলে নানা প্রকার প্রশংসা কত্তে লাগ্লেন, কেউ বল্লেন, হজুর” একি গিদ্সনের বাড়ির তইরি না? কেউ ঘড়ির চেন, কেউ আংটী ও ইষ্টিকের অনিয়ত প্রশংসা কত্তে আরম্ভ কল্লেন।
মোশাহেবদের মধ্যে যাঁদের কাপড় চোপড় গুলি, বাবুর ব্রিজ্কা ও বিলাতী জুড়ির যোগ্য নয়, তাঁরা বাবুর প্রসাদি কাপড় চোপর পরে, কানে আতরের তুলো গুঁজে, চেহারা খুলে নিলেন, প্রসাদি পোসাক পরে মোশাহেবদের আর আহ্লাদের সীমা রইলো না। মনে হতে লাগলো“বাড়ির কাছের উঠ্নোওয়ালা মুদি মাগি ও চেনা লোকেবা য্যান দেখতে পায়, আমি ক্যামন পোশাকে হুজুরের সঙ্গে যাচ্চি” কিন্তু দুঃখের বিষয় এই, যে অনেক মোসাহেব সর্ব্বদাই আক্ষেপ করে থাকেন যে, তাঁরা যখন বাবুদের সঙ্গে বড় বড় গাড়ী ও ভাল কাপড় চোপড় পরে বেরোন্ তখন কেউ তাঁদের দেখুতে পান না, আর গাম্ছা কাঁদে করে বাজার কত্তে বেরুলেই সকলের নজরে পড়েন।
৪