পাতা:১৫১৩ সাল.pdf/৪৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটিকে বৈধকরণ করা হয়েছে। পাতাটিতে কোনো প্রকার ভুল পেলে তা ঠিক করুন বা জানান।
৩৪
১৫১৩ সাল।

তাই ছেলেকে দিয়া চৌবাচ্চা ভাঙ্গাইয়াছে। বোধ হয়, ঘুস খাইয়া সেফ্‌টাও ভাঙ্গিতে চেষ্টা করিয়াছিল। স্বচক্ষে উহা ভাঙ্গিতে দেখি নাই। কিন্তু চৌবাচ্চা ভাঙ্গা প্ৰায় শেষ হইয়াছে, এমন সময় আমি আসিয়া পড়ি। আমায় দেখিয়া সে পলায়। আমি তাহাকে ধরিবার চেষ্টা করিয়াছিলাম, কিন্তু পারি নাই।”

 হরিশের কথা শুনিয়া আমরা উভয়েই কিয়ৎক্ষণ স্তম্ভিত হইয়া বসিয়া রহিলাম। তাহারপর ঝিকে একটু পীড়াপীড়ি করাতে সে সকল কথা স্বীকার করিল ও পুনঃ পুনঃ ক্ষমা প্রার্থনা করিতে লাগিল। তাহার দোষ বিশেষ কিছু দেখিলাম না। কেন না, সে এক চক্রীর হস্তের ক্রীড়া-পুত্তলিকা মাত্র ছিল।



ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ

 বল মহাশয়ের কাণ্ড আমরা আপাততঃ প্রকাশ করিব না স্থির করিলাম। কিন্তু সপ্তাহ কাটিতে না কাটিতে এমন এক ঘটনা ঘটিল যাহাতে উহা প্ৰকাশ হইয়া পড়িল।

 একদিন প্রাতে আমরা পত্ৰ পাইলাম যে অংশীদারগণের এক বিশেষ অধিবেশন হইবে। তাহাকে আমাদিগকে, অর্থাৎ ডাইরেক্টারগণকে, কার্য্যের এক হিসাব উপস্থিত করিতে হইবে, এবং সেই সময় একজন অংশীদার একটী প্ৰস্তাব করিবেন।

 কাজটা বেআইনী হইলেও আমরা যথাসময় সভাস্থলে উপস্থিত হইলাম। দেখি, সকল অংশীদারগণই উপস্থিত। তাঁহাদিগের মধ্যে একজন এই বলিয়া কার্য্য আরম্ভ করিলেন:—

 অদ্যদার সভা আহ্বানের একটী বিশেষ কারণ আছে। আমি অনেকদিন হইতে ডাইরেক্টারগণ কি করিতেছেন তাহা জানিবার জন্য