পাতা:১৯০৫ সালে বাংলা.pdf/১১১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


1 רכ ] থাকিবে কি না, সেই শঙ্কা, এই উদ্বেগ, পিতার প্রাণে কি দারুণ আঘাত করিতেছিল, তাহ অন্তৰ্য্যামিই জানেন । কিন্তু অস্তরের ভাষা বেশ সংযত করিয়া মনোরঞ্জন বাৰু যে বীরত্বের দৃষ্টান্ত দেখাইলেন, তাহা কি এই হতভাগ্য বঙ্গদেশে বিফল ইইবে ? শ্ৰীমান চিত্তরঞ্জন গুহ ঠাকুরতা। এই বীরবালক স্বপ্রসিদ্ধ বক্তা শ্ৰীযুক্ত মনোরঞ্জন গুহ ঠাকুরতার অন্যতম পুত্র। ইহার অঙ্গে এন্টিসাকুলার সোসাইটির নাম অঙ্কিত ছিল বলিয়া কাপুরুষ পুলিশের লোকেরা ইহাকে আক্রমণ করে । এদিক হইতে লগুড়ের আঘাতে উহাকে ওদিকে ফেলিয়া দেয় । বালক “বন্দেমাতরম্’ বলিতে বলিতে ওদিকে গিয়া পড়ে, আবার ওদিক হইতে লাঠির ঘায় বালককে এদিকে ফেলিয়া দিলে বালক বন্দেমাতরম্ বলিতে বলিতে এদিকে আসিয়া পড়ে। কঠোর আঘাতে একবারও বালক "বন্দেমাতরম্” বলিতে বিরত হয় নাই । শেষে পাষণ্ডের যখন তাহাকে পুষ্করিণীতে ফেলিয়া দিল ও লগুড়াঘাত করিতে লাগিল তখনও শ্রমান চিত্তরঞ্জন “বন্দেমাতরম" ধ্বনি পরিত্যাগ করে নাট । এই ভাবে তাহার প্রাণ-বিয়োগের সম্ভাবনা দেখিয়া একজন হিন্দুস্থানী পুলিশ কৰ্ম্মচারী তাহাকে পুষ্করিণীর পাড়ে তুলিয়া দেয়। বালকের তখন মাথা ঘুরিতেছিল, তীরে আসিয়া দারুণ যন্ত্রণায় তাহার সংজ্ঞা বিলুপ্ত হইলে, সে বিশ্রামলাভ করিল। তাহার পিতা আসিয়া যখন পুত্রকে" দেখিলেন, তখন বালক বলিল, q