পাতা:১৯০৫ সালে বাংলা.pdf/৫৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


[ 8१ ] পারিলাম না বলিয়া বড়ই দুঃখিত হইয়াছি। অন্তকার সভার কাৰ্য্যে আমার আস্তরিক সহানুভূতি আছে। এই সকল লাঞ্ছিত মহাত্মাগণকে রাজদণ্ডে দণ্ডিত জ্ঞানে ঘৃণা করা বড়ই নীচতার পরিচায়ক । দেশের মঙ্গলের জন্য র্যাহারা রাজদণ্ড দেখিয়াও বিচলিত হন নাই, তাহাদিগকে ঘৃণা করা ঐতিহাসিক অথবা দার্শনিক কাহারও দৃষ্টিতে যুক্তিসঙ্গত নহে। রাজপুরুষগণ অনেক সময়ে ভ্রমে পতিত হইয়া প্রকৃত মহাত্মাদিগকে লাঞ্ছিত করেন সত্য, কিন্তু মহাত্মারা কখনও রাজপুরুষগণের ভ্রুকুট ভঙ্গীতে বিচলিত হন না। যে যিশুখৃষ্টকে আজ সমগ্র ইউরোপ পূজা করিতেছেন বলিয়া প্রকাশ, সেই খৃষ্টও বিধিসঙ্গত বিচারালয়ে রাজদণ্ডে দণ্ডিত হইয়াছিলেন ; ফ্রান্সের উদ্ধারকত্রী জোয়ান অফ আর্ককে রাজপুরুষগণ রাজ বিধানের দোহাই দিয়া দগ্ধ করিয়াছিল ; মাটিন লুথার, গ্যালিলিও এবং আমাদের সমকালে বহু সংখ্যক নন্‌কনফাৰ্মিষ্ট মন্ত্রী কারাদণ্ড ভোগ করিয়াছেন। যে সকল মহাত্মা সমগ্র পৃথিবীর নিকট সপ্রমাণ করিয়াছেন যে, বাঙ্গালী কেবল বাক্যবীর নহেন, কৰ্ম্মবীর, তাহারাও দেশের কল্যাণের জন্য সকল প্রকার উৎপীড়ন সহ্য করিতে পারেন, সেই সকল মহাত্মা বাস্তবিকই আমদের আস্তরিক ধন্যবাদের পাত্র। অন্তকার সভাতে আমরা যাহা উপহার জিতেছি, তাহাই উtহাদের চরম পুরস্কার নহে; দেশের সকলেই যে র্তাহাদের পদাঙ্ক অনুসরণ করিতে চেষ্টা করিবে, ইহাই তাহাদের প্রকৃত পুরস্কার। যিনি দুৰ্ব্বল ও বলবানকে সমদৃষ্টিতে দেখিয় সমান