পাতা:১৯০৫ সালে বাংলা.pdf/৫৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


[ 89 J বিচার করেন, সেই সৰ্বনিয়ন্ত ভগবান এই সকল মহাত্মাদিগকে দেশের মুখ উজ্জল করিবার জন্য—চিরদুঃখিনী বঙ্গভূমির দুঃখ মোচন করিবার জন্য, সুদীর্ঘ আয়ুং প্রদান করুন, ইহাই আমার প্রার্থন । নিবেদক শ্ৰীভূপেন্দ্ৰ নাথ বস্থ । অনন্তর “দণ্ড দিকে চণ্ডমুণ্ডে এস চণ্ডি যুগান্তরে, পাষণ্ড প্রচণ্ড বলে অঙ্গ খণ্ড খণ্ড করে,” এই আগমনী সঙ্গীত গীত হইল । তৎপরে বানারীপড়ার ( বরিশাল ) শ্ৰীযুক্ত প্যারীমোহন গুহ ঠাকুরত। কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করিয়া একটী অনতিদীর্ঘ বক্তৃতা করেন। এই অশীতিপর বৃদ্ধের প্রত্যেক কথায় লোকের হৃদয় বিচলিত হইয়াছিল। কলিকাতার প্রধান প্রেসিডেন্সি ম্যাজিষ্ট্রেট, জানকীনাথ দত্ত নামক যে বালকটিকে বেত্ৰদণ্ডে দণ্ডিত করিয়াছিলেন, সেই বালকের পিতা বাবু বসন্তকুমার.দত্ত, পুত্রের মুখপাত্র স্বরূপ সভার অনুষ্ঠাতৃবর্গের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। অনন্তর হবিবপুরের লাঞ্ছিত ব্যক্তিদিগের অন্যতম বাৰু বিপিনচন্দ্র গুহ সভার কর্তৃপক্ষের ধন্যবাদ করিয়া সভাপতির হস্তে নয় অনা পয়সা দিয়া বলিলেন যে, তিনি এবং তঁtহার সহযোগীরা যখন কারামুক্ত হয়েন, তখন কারাধ্যক্ষ তাহাদের পাথেয় স্বরূপ এই নয় অান পয়সা প্রদান করিয়াছিলেন । এই পয়সা ন্যাশন্যাল ডিফেন্সফাণ্ডে প্রেরণ করিবার জন্য বিপিন বাবু সভাপতিকে অনুরোধ করিলেন ।