সারদামঙ্গল

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

* * * * * * * * * * * * * * - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - - * * * * * * * - - - - - - - * * * “सङ्गमविरइविकल्प वरािइ विरही न सङ्गमस्तस्याः । सङ्ग सैव तथैका त्रिभुवनमपि तनप्रयं विरहे ।' S S S S S S S S S S S S S C S C S C T T T T T C S C S C S C S C C C S C S C S C S C S S S S S S S S S S S S S S S S •r শুামপুকুর স্ট্রীট, নম্বর ৩৮ । নুতন বাঙ্গালা যন্ত্রে ত্ৰযোগেন্দ্রনাথ বিদ্যারত্ন কর্তৃক মুদ্রিত ও প্রকাশিত। е Q সন ১২৮৬ | জ্ঞ ১২৭৭ সালে সারদামঙ্গলের রচনা আরম্ভ হইয়া অসম্পূর্ণ অবস্থায় পড়িয়া থাকে, ১২৮১ সালে “আৰ্যদর্শন" পত্রে তদবস্থাতেই প্রকাশিত হয় ; এক্ষণে সম্পূর্ণ হইল। উপহার। શ્રેઃ [ রাগিণী ভৈরবী,—তাল আড়াঠেক। } নয়ন-অমৃতরাশি প্রেয়সী আমার ! জীবন-জুড়ান ধন, হৃদি ফুলহার ! মধুর মূরতি তব ভরিয়ে রয়েছে ভব, সমুখে সে মুখ-শশী জাগে অনিবার ! কি জানি কি ঘুমঘোরে, কি চোকে দেখেছি তোরে, এ জনমে ভুলিতে রে পারিব না আর ! তবুও ভুলিতে হবে, কি লয়ে পরাণ রবে, কঁদিয়ে চাদের পানে চাই বারেবার ! কুসুম-কানন মন কেন রে বিজন বন, এমন পূর্ণিমা-নিশি যেন অন্ধকার । হে চন্দ্রমা, কার দুখে কঁাদিছ বিষণ্ণ মুখে ! অয়ি দিগঙ্গনে কেন কর হাহাকার ! হয় তো হলনা দেখা, এ লেখাই শেষ লেখা, অস্তিম কুসুমাঞ্জলি স্নেহ-উপহার,— ধর ধর স্নেহ-উপহার ! .# d -

  • ... 1-

SAMAeeCGGeSeMSMSAAAAAAASAAAA প্রথম সর্গ। மணமகனுமாய গীতি । [ রাগিণী ললিত,—তাল আড়াঠেকা । ] ওই কে অমরবালা দাড়ায়ে উদয়াচলে, ঘুমন্ত প্রকৃতি পানে চেয়ে আছে কুতূহলে ! চরণ কমলে লেখা আধ মাধ রবি-রেখা, সৰ্ব্বাঙ্গে গোলাপ-মাভা, সীমান্তে শুকতার। জলে । সোগে যেন পায় ফুষ্টি সদয় করুণামূৰ্ত্তি, বিতরেন হাসি হাসি শান্তিসুধা ভূমণ্ডলে । হয় হয় প্রায় ভোর, ' ভাঙে ভাঙো ঘুমঘোর, মুস্বপ্নরূপিণী উনি, উষারাণী সবে বলে। সারদামঙ্গল । বিরল তিমির জাল, শুভ্র অভ্র লালেলাল, মগন তারকারাজি গগনের নীল জলে। তরুণ-কিরণাননা জাগে সব দিগঙ্গন, । জাগেন পৃথিবী দেবী স্বমঙ্গল কোলাহলে । এস মা উষার সনে বীণাপাণি চন্দ্রাননে, রাঙা চরণ দুখানি রাখ হৃদয় কমলে ! S AAAAAA SAAAAAS AAAAAS eAAASA SSASAS SS SAAAAAeS AASAASAA AAAS AAAAAS S S কে তুমি ত্রিদিবদেবী বিরাজ হৃদি কমলে । নধর নগনা লতা মগন কমলদলে । মুখখানি ঢল ঢল, আলুথালু কুন্তল, সনাল কমল দুটি হাসে বাম করতলে । ૨ কপোলে সুধাংশু ভাস, অধরে অরুণ হাস, নয়ন করুণাসিন্ধু প্রভাতের তারা জ্বলে। जॉब्लमांभन्न ठा । H মাথা ধুয়ে পয়োধরে কোলে বীণা খেলা করে, স্বৰ্গীয় অমিয় স্বরে জানিনে কি কথা বলে। 8 ভাবভরে মাতোয়ারা, যেন পাগলিনী পারা, অtহলাদে আপনা-হারা মুগুধ। মোহিনী, নিশাস্তের শুকতারা, চাদের সুধার ধারা, মানস মরালী মম আনন্দ-রূপিণী । তুমি সাধনের ধন, জান সাধকের মন, এখন আমার আর কোন খেদ নাই ম’লে । নাহি চন্দ্র সূর্য তারা, অনল-হিল্লোল-ধারা, বিচিত্রবিদ্যুত-দাম-দু্যতি ঝলমল ; তিমিরে নিমগ্ন उय, নীরব নিস্তব্ধ সব, কেবল মরুতরাশি করে কোলাহল । সারদামঙ্গল । \9 হিমাদ্রি শিখর পরে আচম্বিতে আলো করে _. অপরূপ জ্যোতি ওই পুণ্য তপোবনে ! বিকচ নয়নে চেয়ে হাসিছে দুধের মেয়ে,— তামসী-তরুণ-উষা কুমারীরতন। কিরণে ভুবন ভরা, হাসিয়ে জাগিল ধরা, হাসিয়ে জাগিল শূন্যে দিগঙ্গনাগণে । হাসিল অম্বরতলে পারিজাত দলে দলে, হাসিল মানস সরে কমল কানন । १ হরিণী মেলিল আঁখি, নিকুঞ্জে কৃজিল পাখী, বহিল সৌরভময় শীতল সমীর, उांत्रिल cशांएश्द्र फूल, জাগিল মানব কুল, হেরিয়ে তরুণ-উষা আনন্দে অধীর । "μ==aώμ=ωπή"παϊΕΓΕΓnωmΠüππάπίπ. সারদামঙ্গল । էր অস্বরে অরুণোদয়, তলে দুলে দুলে বয় তমসা তটিনী-রাণী কুলু কুলু স্বনে ; নিরখি লোচনলোভ। পুলিন-বিপিন-শোভা ভ্ৰমেন বাল্মীকি মুনি ভাবভোলা মনে । শাখি-শাখে রসসুখে ক্ৰৌঞ্চ ক্রৌঞ্চী মুখে মুখে কতই সোহাগ করে বসি দুজনায়, হানিল শবরে বাণ, নাশিল ক্রৌঞ্চের প্রাণ, রুধিরে আপ্লুত পাখী ধরণী লুটায়। > o ক্ৰৌঞ্চী প্রিয় সহচরে ঘেরে ঘেরে শোক করে, অরণ্য পূরিল তার কাতর ক্ৰন্দনে । চক্ষে করি দরশন জড়িমা-জড়িত মন, করুণ-হৃদয় মুনি বিহবলের প্রায় ; সারদামঙ্গল । সহসা ললাটভাগে জ্যোতির্ময়ী কন্যা জাগে, জাগিল বিজলী যেন নীল নব ঘনে । > X কিরণে কিরণময় বিচিত্র আলোকোদয়, ম্ৰিয়মাণ রবি-ছবি, ভুবন উজলে । চন্দ্র নয়, সূৰ্য্য নয়, সমুজ্জ্বল শান্তিময়, ঋষির ললাটে আজি না জানি কি জ্বলে ! Y R কিরণ-মণ্ডলে বসি জ্যোতির্ময়ী স্বরূপসী যোগীর ধ্যানের ধন ললাটিকা মেয়ে নামিলেন ধীর ধীর, দাড়ালেন হয়ে স্থির মুগ্ধ নেত্রে বাল্মীকির মুখ পানে চেয়ে । । > ● করে ইন্দ্ৰধনু-বালা, গলায় তারার মালা, সীমস্তে নক্ষত্র জ্বলে, ঝলমলে কানন ; সারদামঙ্গল । >‘> দোতুল চাচর চুল উড়িয়ে ছড়িয়ে পড়ে ঢাকিয়ে আনন। Y 8 হাসিহাসি-শশি-মুখী, कउद्दे कुउद्दे श्बी ! মনের মধুর জ্যোতি উছলে নয়নে । কতু হেসে ঢল ঢল, কতু রোধে জ্বল জ্বল, বিলোচন ছল ছল করে প্রতিক্ষণে । X { করুণ ক্রমদন রোল উত উত উতোরোল, চমকি বিহালা বালা চাহিলেন ফিরে ; হেরিলেন রক্তমাখা মৃত ক্রৌঞ্চ ভগ্ন-পাখ, কাদিয়ে কাদিয়ে ক্রৌঞ্চী ওড়ে ঘিরে ঘিরে। ○心 একবার সে ক্রৌঞ্চীরে আর বার বাল্মীকিরে নেহারেন ফিরে ফিরে, যেন উন্মাদিনী ; गांज्ञप्तांमक्रल । ృరి হাসিয়ে পাগল বলে পাগল সকল । సి এমন করুণা মেয়ে আছে যার মুখ চেয়ে, ছলিতে এসেছ তারে কেন গো চপল ! হেরে কন্যা করুণায় শোক তাপ দূরে যায়, কি কাজ—কি কাজ তার তোমায় কমলা । ૨ જ এস মা করুণরাণী, ও বিধু-বদন-খানি হেরি হেরি আঁখি ভরি হেরি গো আবার ; শুনে সে উদার কথা জুড়াক্ মনের ব্যথা, এস আদরিণী বাণী সমুখে আমার ! যাও লক্ষী অলকায়, যাও লক্ষী অমরায়, এস না এ যোগী-জন-তপোবন-স্থলে ! மயகயகமாக Y 3 সারদামঙ্গল । ミ> * ব্ৰহ্মার মানস সরে ফুটে ঢলঢল করে নীল জলে মনোহর সুবর্ণ-নলিনী, পাদপদ্ম রাখি তায় হাসি হাসি ভাসি যায় ষোড়শী রূপসী বামা পূর্ণিমা-যামিনী । २२ কোটি শশী উপহাসি উথলে লাবণ্য রাশি, তরল দর্পণে যেন দিগন্ত আবরে ; আচম্বিতে অপরূপ রূপসীর প্রতিরূপ হাসি হাসি ভাসি ভাসি উদয় অম্বরে। ર૭ ফটিকের নিকেতন, দশ দিকে দরপণ, বিমল সলিল যেন করে তক্‌ তক্‌ ; সুন্দরী দাড়ায়ে তায় হাসিয়ে যে দিকে চায় সেই দিকে হাসে তার কুহকিনী ছায়া, সারদামঙ্গল । °C@ নয়নের সঙ্গে সঙ্গে ঘূরিয়া বেড়ায় রঙ্গে, অবাক দেখিলে, হয় আমনি অবাক; চক্ষে পড়েনা পলক। তেমনি মানস সরে লাবণ্য-দপণ-ঘরে দাড়ায়ে লাবণ্যময়ী দেখিছেন মায়া — २8 যেন তারে হেরি হেরি, শূন্যে শূন্যে ঘেরি ঘেরি, রূপসী চাদের মালা ঘূরিয়া বেড়ায় ; চরণ কমল তলে নীলনভ নীলজলে কাঞ্চন-কমলরাজি ফুটে শোভা পায়। રc চাহিয়ে তাদের পানে আনন্দ ধরে না প্রাণে, আনত আননে হাসি জলতলে চান ; তেমনি রূপসী-মালা । চারি দিকে করে খেলা, অধরে মৃদুল হাসি আনত বয়ান । 'I ১২৩ সারদামঙ্গল । २७ রূপের ছটায় ভুলি শ্বেত শতদল তুলি অাদরে পরাতে যান সীমন্তে সবার, র্তারাও র্তাহারি মত পদ্ম তুলি যুগপত পরাতে আসেন সবে সীমন্তে র্তাহার। ≤ማ অমমি স্বপন প্রায় বিভ্রম ভাঙিয়া যায়, চমকি আপন পানে চাহেন রূপসী ; চমকে গগনে তারা, ভূধরে নিবার ধারা, চমকে চরণ তলে মানস-সরসী । २br কুবলয়-বনে বসি নিকুঞ্জ-শারদশগী ইতস্তত শত শত স্বরসীমন্তিনী সঙ্গে সঙ্গে ভাসি যায়, অনিমেষে দেখে তায়, যোগাসনে যেন সব বিহ্বলা যোগিনী । সারদামঙ্গল । S \ रैॐ কিবে এক পরিমল বহে বহে অবিরল ! শান্তিময়ী দিগঙ্গনা দেখেন উল্লাসে । শূন্যে বাজে বীণা বঁাশী, সৌদামিনী ধায় হাসি, সংগীত অমৃত-রাশি উথলে বাতাসে । তীরে ঘেরে, যোড় করে অমর কিন্নর নরে সম স্বরে স্তব করে, ভাসে অশ্রুজলে— অমর কিন্মর নরে ভাসে অশ্রুজলে ॥ \oo তোমারে হৃদয়ে রাখি সদানন্দ মনে থাকি, শ্মশান অমরাবতী দু-ই ভাল লাগে ; গিরিমালা, কুঞ্জবন, গৃহ, নাট-নিকেতন, যখন যেখানে যাই, যাও আগে অাগে । জাগরণে জাগ হেসে, ঘুমালে ঘুমাও শেষে, স্বপনে মন্দার-মালা পরাইয়ে দাও গলে ॥ ՖԵ' সারদামঙ্গল । מסא যত মনে অভিলাষ, তত তুমি ভালবাস, তত মন প্রাণ ভোরে আমি ভালবাসি ; ভক্তি ভাবে এক তানে মজেছি তোমার ধ্যানে ; কমলার ধনমানে নহি অভিলাষী । থাক হৃদে জেগে থাক, রূপে মন ভোরে রাখ, তপোবনে ধ্যানে থাকি এ নগর-কোলাহলে ॥ ७२ তুমিই মনের তৃপ্তি, তুমি নয়নের দীপ্তি, তোমা-হারা হ’লে আমি প্রাণ-হারা হই ; করুণা-কটাক্ষে তব পাই প্রাণ অভিনব অভিনব শান্তিরসে মগ্ন হয়ে রই। যে ক দিন আছে প্রাণ, করিব তোমায় ধ্যান, আনন্দে ত্যেজিব তনু ও রাঙা চরণতলে ৷ সারদামঙ্গল । ১৯ vSS) আদর্শন হ’লে তুমি, ত্যেজি লোকালয় ভূমি, অভাগা বেড়াবে কেঁদে নিবিড় গহনে ; হেরে মোরে তরু লতা বিষাদে কবে না কথা, বিষঃ কুসুম কুল বন-ফুল-বনে।

  • হা দেবী, হা দেবী, বলি গুঞ্জরি কঁদিবে অলি ; নীরবে হরিণীবালা ভাসিবে নয়নজলে ॥

VX8 নিঝর ঝঝর রবে পবন পূরিয়ে যবে আঘোষিবে স্বরপুরে কাননের করুণ ক্ৰন্দন হাহাকার, তখন টলিবে হায় আসন তোমার,— হায় রে তখন মনে পড়িবে তোমার ! হেরিবে কাননে আসি অভাগার ভস্মরাশি, অথবা হাড়ের মালা, বাতাসে ছড়ায় ; করুণা জাগিবে মনে, ধারা ববে দুনয়নে, নীরবে দাড়ায়ে রবে, প্রতিমার প্রায় । সারদামঙ্গল । \O(t ভেবে সে শোকের মুখ বিদরে আমার বুক, মরিতে পারিনে তাই আপনার হাতে ; বেঁধে মারে, কত সয় ! জীবন যন্ত্রণাময় ছারখার চুরমার বিনি বজ্রাঘাতে। অন্তরাত্মা জর জর, জীর্ণারণ্য চরাচর, কুম্মকানন-মন বিজন শ্মশান ; কি করিব, কোথা যাব, কোথা গেলে দেখা পাব, হৃদি-কমল-বাসিনী কোথারে আমার ! কোথা সে প্রাণের আলো, পূর্ণিম-চন্দ্ৰিমাজাল, কোথা সেই স্থধামাখা সহাস বয়ান ! কোথা গেলে সঞ্জীবনী ! মণি-হারা মহা খনি আহে৷ সেই হৃদিরাজ্য কি ঘোর আঁধার ! তুমি তো পাষাণ নও, দেখে কোন প্রাণে সও, অয়ি সুপ্রসন্ন হও কাতর পাগলে ! দ্বিতীয় সর্গ। «, mm, Now গীতি । [ রাগিণী কালাংড়া,—তাল যৎ ।] হারায়েছি— হারায়েছি রে, সাধের স্বপনের ললনা ! মানস-মরালী अभाब्र কোথা গেল বলনা ! কমল কাননে বালা, করে কত ফুলখেলা, আহা, তার মালা গাথা হ’ল না ! প্রিয় ফুলতরুগণ, সুধাকর, সমীরণ, বল বল ফিরে কি আর পাবনা ! কেন এল চেতন ! 2 আহা সে পুরুষবর না জানি কেমন তর দাড়ায়ে রজতগিরি অটল সুধীর । উদার ললাট ঘটা, লোচনে বিজলী ছটা, নিটোল বুকের পাট, নধর শরীর। \>) ૨૨ সারদামঙ্গল ।

  • R সৌম্য মূৰ্ত্তি ফুৰ্ত্তি-ভরা, পিঙ্গল বল্কল পরা, নীরদ-তরঙ্গ-লীলা জটা মনোহর ; শুভ্র অভ্র উপবীত উরস্থলে বিলম্বিত, যোগপাটা ইন্দ্ৰধনু রাজিছে সুন্দর।

কুসুমিত। লতা ভালে, শ্মশ্ররেখা শোভে গালে, করেতে অপূৰ্ব্ব এক কুসুম রতন ; চাহিয়ে ভুবন পানে কি যেন উদয় প্রাণে, অধরে ধরেন। হাসি—শশীর কিরণ । কি এক বিভ্রম ঘটা, কি এক বদন ছট, কি এক উছলে অঙ্গে লাবণ্য-লহরী ! মন্দাকিনী আসি কাছে থমকে দাড়ায়ে আছে, থমকে দাড়ায়ে দেখে অমর অমরী। সারদামঙ্গল । షిరి • - নধর মন্দার রাজি নবীন পল্লবে সাজি দূরে দূরে ধীরে ধীরে ঘেরিয়ে দাড়ায়। গরজি গভীর স্বরে জলধর শির’পরে করি করি জয়ধ্বনি চলে দুলে স্কুলে । তড়িত ললিত বালা, করে লুকাচুরি খেলা, সহসা সমুখে দেখে চমকে পালায় । অপসারী বঁাশরী করে দাড়ায়ে শিখরী পরে আনন্দে বিজয় গান গায় প্রাণ খুলে । واي" দিগঙ্গনা কুতূহলে সমীর-হিল্লোল ছলে বরষে মন্দার-ধারা অাবরি গগন । আমোদে আমোদময়, অমৃত উখুলে বয়, कििलश्रृं-त्रांकनग्न ठांख्रि व्यांनान्म भ१ॉन ! জ্যোতিৰ্ম্ময় সপ্ত ঋষি প্রভায় উজলি দিশি, সন্ত্রমে কুসুমাঞ্জলি অপিছেন পদতলে ॥ ૨2 সারদামঙ্গল । সে মহাপুরুষ-মেলা, সে নন্দনবন-খেলা, সে চিরবসন্ত-বিকশিত ফুলহার, কিছুই হেথায় নাই ; মনে মনে ভাবি তাই, কি দেখে আসিতে মন সরিবে তোমার ! কেমনে বা তোমা বিনে দীর্ঘ দীর্ঘ রাত্র দিনে সুদীর্ঘ জীবন-জ্বালা সব অকাতরে, করি আর মুখ চেয়ে অবিশ্রাম যাব বেয়ে ভাসায়ে তনুর তরী অকুল সাগরে। సె কেন গো ধরণী রাণী বিরস বদনখানি, কেন গো বিষঃ তুমি উদার আকাশ, কেন প্রিয় তরু লতা ডেকে নাহি কহ কথা, কেন রে হৃদয় কেন শ্মশান উদাস! সারদামঙ্গল । ૨ઉઃ У о কোন সুখ নাই মনে, সব গেছে তার সনে ; খোলো হে অমরগণ স্বরগের দ্বার ! বল কোন পদ্মবনে লুকায়েছ সংগোপনে, দেখিব কোথায় অাছে সারদা আমার ! Y } অয়ি, একি, কেন কেন, বিষঃ হইলে হেন ! আনত অানন শশী, আনত নয়ন, অধরে মস্থরে আসি কপোলে মিলায় হাসি, থর থর ওষ্ঠাধর, স্ফোরেনা বচন । A R তেমন অরুণ-রেখা কেন কুহেলিক-ঢাকা, প্রভাত-প্রতিমা আজি কেন গো মলিন ! বল বল চন্দ্রাননে, কে ব্যথা দিয়েছে মনে, cक ७भन-cक ७भन झलग्न-दिशैन ! ২৩ সারদামঙ্গল । \రి বুঝিলাম অনুমানে, করুণা-কটাক্ষ দানে চাবেন! আমার পানে, কবেনাও কথা ; কেন যে কবেনা হায় হৃদয় জানিতে চায়, সরমে কি বাধে বাণী, মরমে বা বাজে ব্যথা ! Y 8 যদি মৰ্ম্মব্যথা নয়, কেন অশ্রীধারা বয় ! দেববালা ছলাকলা জানেনা কখন ; সরল মধুর প্রাণ, সতত মুখেতে গান, আপন বীণার তানে আপনি মগন । } & অয়ি, হ, সরলা সতী সত্যরূপ। সরস্বতী ! চির-অনুরক্ত ভক্ত হয়ে কৃতাঞ্জলি পদ-পদ্মাসন কাছে নীরবে দাড়ায়ে আছে, কি করিবে, কোথা যাবে, দাও অনুমতি! मांद्वग्नांमछल । २१ স্বরগ-কুসুম-মালা, নরক-জ্বলন-জ্বালা, ধরিবে প্রফুল্ল মুখে মস্তকে সকলি । তব আজ্ঞা সুমঙ্গল, যাই যাব রসাতল, চাইনে এ বরমালা, এ অমরাবতী ! >や分 নরকে নারকী-দলে মিশিগে মনের বলে, পরাণ কাতর হ’লে ডাকিব তোমায় ; যেন দেবী সেইক্ষণে অভাগারে পড়ে মনে, ঠেলন চরণে, দেখো, ভুলনা আমায় ! > ዊ অহহ ! কিসের তরে অভাগা নরকে জরে, মরু— মরু—মরুময় জীবন-লহরী ; এ বিরস মরুভূমে সকলি আচ্ছন্ন ধূমে, কোথাও একৃটিও অার নাহি ফোটে ফুল ; રાr সারদামঙ্গল | . কতু মরীচিকা মাজে বিচিত্র কুসুম রাজে, উঃ! কি বিষম বাজে যেই ভাঙে ভুল ! এত যে যন্ত্রণ জ্বালা, অবমান অবহেলা, তবু কেন প্রাণ টানে ! কি করি, কি করি! ᎼVy তেমন আকৃতি, আহা, ভাবিয়ে ভাবিয়ে যাহা আনন্দে উন্মত্ত মন, পাগল পরাণ, সে কি গো এমন হবে, মোর ছুখে স্থখে রবে, কাদিয়ে ধরিলে কর ফিরাবে বয়ান ! ) సె ভাবিতে পারিনে আর । অন্ধকার—অন্ধকার— ঝটিকার ঘুণী ঘোরে মাথার ভিতর ; তরঙ্গিয়া রক্তরাশি নাকে মুখে চোকে আসি বেগে যেন ভেঙে ফেলে ; ধর ধর ধর ;– সারদামঙ্গল । ২৯

  • ● ধর, আত্মা, ধৈর্য্য ধর, ছিছি একি কর কর, মর যদি, মরা চাই মানুষের মত ;

থাকি বা প্রিয়ার বুকে, যাই বা মরণ-মুখে, এ আমি, আমিই রব ; দেখুকু জগত । 3> মহান মনেরি তরে জ্বালা জ্বলে চরাচরে, পুড়ে মরে ক্ষুদ্রেরাই পতঙ্গের প্রায় ; জুলুক্‌ যতই জ্বলে, পর জ্বালা-মালা গলে, নীলকণ্ঠ-কণ্ঠে জ্বলে হলাহল-দ্যুতি ; হিমাদ্রিই বক্ষ পরে সহে বজ্ৰ অকাতরে, জঙ্গল জ্বলিয়া যায় লতায় পাতায় ; অস্তাচলে চলে রবি, · কেমন প্রশান্ত ছবি ! তখনো কেমন আহা উদার বিভূতি । 8 ^©e সারদামঙ্গল । Jr. 之之 হা ধিক্ অধীর হেন ! দেখেও দেখনা কেন দুখে দুখী অশ্রুমুখী প্রাণপ্রতিমায় ! প্রণয় পবিত্র ধনে সন্দেহ করোনা মনে, নাগরদোলায় দোলা শিশুরি মানায় । সারদা সরলা বালা, সবেন। সন্দেহ জ্বালা, ব্যথা পাবে স্বকোমল হৃদয় কমলে ॥ w*ళా-ూజూ్కూ-తా-శాస్తొ=i్మత్కాల*^=***F তৃতীয় সর্গ। । গীতি । [ রাগিণী বিভাস,—তাল আড়াঠেকা । ] বিরাজ সারদে কেন এ স্নান কমলবনে! আজো কিরে অভাগিনী ভালবাস মনে মনে । মলিন নলিন বেশ, মলিন চিকণ কেশ, মলিন মধুর মূৰ্ত্তি, হাসি নাই চন্দ্রাননে! মলিন কমল-মালা, মলিন মৃণাল-বালা, আর সে অমৃত-জ্যোতি জলেনাক বিলোচনে ! চির আদরিণী বীণা, কেন, যেন দীনহীন ঘুমারে পায়ের কাছে পড়ে আছে অচেতনে ! জীবন-কিরণ-রেখা, অস্তাচলে দিল দেখা, এ হৃদি-কমল দেবী ফুটিবেন। আর ! যাও বীণা লয়ে করে, ব্ৰহ্মার মানস সরে, রাজহংস কেলি করে মুবর্ণ নলিনী সনে । ৩২ সারদামঙ্গল । S তাজি এ বিষণ্ণ বেশে কেন দেখা দিলে এসে, কাদিলে কাদালে দেবী জন্মের মতন ! পূর্ণিমা-প্রমোদ-আলো, নয়নে লেগেছে ভাল ; </ মাঝেতে উথলে নদী, দুপারে দুজন— চক্রবাক চক্রবাকী দুপারে দুজন । २ নয়নে নয়নে মেলা, মানসে মানসে খেলা, অধরে প্রেমের হাসি বিষাদে মলিন ; হৃদয়-বীণার মাজে ললিত রাগিণী বাজে, মনের মধুর গান মনেই বিলীন । সেই আমি, সেই তুমি, সেই এ স্বরগ-ভূমি, সেই সব কল্পতরু, সেই কুঞ্জবন ; সেই প্রেম সেই স্নেহ, সেই প্রাণ, সেই দেহ ; কেন মন্দাকিনী-তীরে দুপারে দুজন । সারদামঙ্গল । ৩৩ 8 আকুল ব্যাকুল প্রাণ, মিলিবারে ধাবমান ; কেন এসে অভিমান সমুখে উদয় – কান্তি-শান্তি-ময় তনু, অপরূপ ইন্দ্ৰধনু, তেজে যেন জ্বলে মন, অটল-হৃদয়, (? কাতর পরাণ পরে চেয়ে আছে স্নেহভরে, নয়ন-কিরণ যেন পীযুষ-লহরী ; এমন পদার্থে হেলি যাবনা যাবনা ঠেলি, উভয়-সঙ্কটে আজ মরি যদি, মরি। يوم কেনগো পরের করে সুখের নির্ভর করে, আপনা আপনি স্বর্থী নহে কেন নর ! সদাশিব সদানন্দ, সতী বিনে নিরানন্দ, শ্মশানে ভ্ৰমেন ভোলা থেপা দিগম্বর । X)3 সারদামঙ্গল । o হৃদয়-প্রতিমা লয়ে । থাকি থাকি স্বর্থী হয়ে, অধিক সুখের অাশা নিরাশ শশান ; ভক্তিভাবে সদা স্মরি, মনে মনে পূজা করি, জীবন-কুসুমাঞ্জলি পদে করি দান । タ বাসনা বিচিত্র ব্যোমে খেলা করে রবি সোমে পরিয়ে নক্ষত্র তার হীরকের হার, প্রগাঢ় তিমির রাশি ভুবন ভরেছে আসি অন্তরে জ্বলিছে আলো, নয়নে আঁধার । S বিচিত্র এ মত্তদশা, ভাবভরে যোগে বসা, হৃদয়ে উদার জ্যোতি কি বিচিত্র জ্বলে ! কি বিচিত্র স্থরতান ভরপুর করে প্রাণ, কে তুমি গাহিছ গান আকাশ মণ্ডলে ! সারদামঙ্গল । HI “) о জ্যোতির প্রবাহ মাজে বিশ্ববিমোহিনী রাজে । কে তুমি লাবণ্য-লতা মূৰ্ত্তি মধুরিমা, মৃদু মৃদু হাসি হালি বিলাও অমৃত রাশি, আলোয়, করেছ আলো প্রেমের প্রতিমা । o Y ফুটে ফুটে হাসে সব শতদল, অবিরল গুঞ্জরিয়ে ভ্রমর বেড়ায় ; সমীর সুরভিময় মুখে ধীরে ধীরে বয়, লুটায়ে চরণ তলে স্তুতিগান গায়। છે ૨ আচম্বিতে এ কি খেলা । নিবিড় নীরদমালা ! হা হা রে, লাবণ্য-বালা লুকা’ল, লুকা’ল ! এমন ঘুমের ঘোরে জাগালে কে জোর কোরে, সাধের স্বপন আহা ফুরা’ল, ফুরা’ল ! সারদামঙ্গল । S) বসন্তের বনবালা ঘুমের রূপের ডালা মায়ার মোহিনী মেয়ে স্বপন সুন্দরী ! মনের মুকুর তলে পশিয়ে ছায়ার ছলে কর কত লীলাখেলা ; কতই লহরী ! > 8 কোথা থেকে এস তারা, মাখিয়ে সুধার ধারা, জুড়াতে কাতর প্রাণ নিশান্ত সময়ে ! (লয়ে পশু পক্ষী প্রাণী ঘুমায় ধরণী রাণী,) কোথায় চলিয়ে যাও অরুণ উদয়ে ! > @ ফের এ কি আtল এল ! কই কই, কোথা গেল, কেন এল, দেখা দিল, লুকাল আবার । কে আমারে অবিরত খেপায় খেপার মত, জীবন-কুসুম-লতা কোথারে আমার ! সারদামঙ্গল । ৩৭ >や কোথা সে প্রাণের পার্থী, বাতাসে ভাসিয়ে থাকি আর কেন গান কোরে ডাকেন অামায় ! বল দেবী মন্দাকিনী ! ভেসে ভেসে একাকিনী সোণামুখী তরীখানি গিয়েছে কোথায় ! S q - এই না, তোমারি তীরে দেখা আমি পেনু ফিরে, তুলে কেন না রাখিমু বুকের ভিতরে । হা ধিক্ রে অভিমান, গেল গেল গেল প্রাণ, করাল কালিমা ওই গ্রাসে চরাচরে । >* হারায়ে নয়ন-তারা হয়েছি জগত-হারা, ক্ষণে ক্ষণে আপনারে হারাই হারাই ; ওহে ভাই দাও বোলে কোন দিকে যাব চোলে, ওকি ওঠে জোলে জোলে, কোথায় পালাই ! (t সারদামঙ্গল । שסי పిసి ওকি ও, দারুণ শবদ, আকাশ পাতাল স্তব্ধ; দারুণ আগুন স্থছ ধুধু ধুধু ধায় ; তুমুল তরঙ্গ ঘোর, কি ঘোর ঝড়ের জোর, পাজর বর্ণঝর মোর দাড়াই কোথায় ! 求o তবে কি সকলি ভুল ! নাই কি প্রেমের মূল ! বিচিত্ৰ গগন-ফুল কল্পনা লতার ? মন কেন রসে ভাসে প্রাণ কেন ভালবাসে আদরে পরিতে গলে সেই ফুলহার ? १७ শত শত নর নারী । দাড়ায়েছে সারি সারি, নয়ন খুজিছে কেন সেই মুখখানি ? হেরে হারা-নিধি পায়, না হেরিলে প্রাণ যায় ; এমন সরল সত্য কি আছে না জানি । नांद्रमांभणका । \ర్సి रै२ ফুটিলে প্রেমের ফুল धूएन्न मन पूुन्। ध्रुब्न् Վջ یا به ۹ به আপন সৌরভে প্রাণ আপনি পাগল ; সেই স্বৰ্গ-সুধা পানে কত যে আনন্দ প্রাণে, অমায়িক প্রেমিকে তা জানেন কেবল । ఇరి নন্দন-নিকুঞ্জবনে বসি শ্বেত শিলাসনে খোলা প্রাণে রতিকাম বিহরে কেমন ! আননে উদার হাসি, নয়নে অমৃত রাশি ; অপরূপ আলো এক উজলে ভুবন । ૨8 পারিজাত মালা করে, চাহি চাহি স্নেহভরে অাদরে পরসপরে গলায় পরায় ; মেজাজ গিয়েছে খুলে, বসেছে দুনিয়া ভুলে, স্বধার সাগর যেন সমুখে গড়ায় । সারদামঙ্গল । க २é

  1. এক ভাবেতে ভোর,

কি যেন নেশার ঘোর, টলিয়ে ঢলিয়ে পড়ে নয়নে নয়ন ; গলে গলে বাহুলতা, জড়িমা-জড়িত কথা, সোহাগে সোহাগে রাগে গলগল মন । ૨૭ করে কর থরথর, টলমল কলেবর, গুরুগুরু কুরুন্ডুরু বুকের ভিতর ; তরুণ অরুণ ঘটা আননে আরক্ত ছটা, অধর কমল-দল কাপে থরথর । 는업 প্রণয়-পবিত্ৰ কাম, সুখ-স্বৰ্গ-মোক্ষ-ধাম । আজি কেন হেরি হেন মাতোয়ার বেশ ! ফুলধমু ফুলছড়ি । দূরে যায় গড়াগড়ি ; রতির খুলিয়ে খোপা আলুথালু কেশ । * ५ •. / • *. 鼠 . | " اینر مسیه " د؟" 尊 , ": منہ .. I i n of g : i f க' 霸 7・ . . . . . ; ; , *鹹 1 3r 帖 १b' & \ of . . . . . . . . ; I' w , * @ . . . . বিহ্বল fi গল ©it. • --- * . s --

    • , , o . o | " a *} চেয়ে সতী পতি পানে, HAী এ

গলিয়ে গড়িয়ে কোথা চলে গেছে মন ; মুগ্ধ মত্ত নেত্র দুটি, আধ ইন্দীবর ফুটি, দুলুন্ডুলু ঢুলুঢুলু করিছে কেমন । శిసె আলসে উঠিছে হাই, ঘুম আছে, ঘুম নাই, কি যেন স্বপন মত চলিয়াছে মনে ; সুখের সাগরে ভাসি কিবে প্রাণখোলা হাসি । কি এক লহরী খেলে নয়নে নয়নে ! উখুলে উধুলে প্রাণ উঠিছে ললিত তান, ঘুমায়ে ঘুমায়ে গান গায় দুই জন ; স্বরে স্বরে সমৃ রাখি ডেকে ডেকে ওঠে পার্থী, তালে তালে ঢ’লে ঢ’লে চলে সমীরণ | "بية گسس 3。 সারদামঙ্গল । מסא কুঞ্জের আড়াল থেকে চন্দ্রমা লুকায়ে দেখে, প্রণয়ীর সুখে সদা সুখী সুধাকর ; সাজিয়ে মুকুল ফুলে আহলাদেতে হেলে দুলে চৌদিকে নিকুঞ্জ-লতা নাচে মনোহর । সে আনন্দে আনন্দিনী, উথলিয়ে মন্দাকিনী, করি করি কলধ্বনি বহে কুতুহলে। ૭૨ এ ভুল প্রাণের ভুল, মৰ্ম্মে বিজড়িত মূল, জীবনের সঞ্জীবনী অমৃত-বল্লরী ; এ এক নেশার ভুল, অন্তরাত্মা নিদ্রাকুল, স্বপনে বিচিত্র-রূপা দেবী যোগেশ্বরী। ৩৩ কতু বরাভয় করে, চাদে যেন সুধা ক্ষরে করেন মধুর স্বরে অভয় প্রদান ; কখন গেরুয়া পরা, ভীষণ ত্রিশূল ধরা, সারদামঙ্গল । 3● পদভরে কাপে ধরা ভূধর অধীর ; দীপ্ত সূৰ্য্য হুতাশন ধ্বক্ ধ্বক ছনয়ন, হুঙ্কারে বিদরে ব্যোম, লুকায় মিহির ; ঘোরঘাট আট হাসি ঝলকে পাবক রাশি ; প্রলয়-সাগরে যেন উঠেছে তুফান । vව8 কতু আলুথালু কেশে শ্মশানের প্রান্ত দেশে জ্যো’স্নায় আছেন বসি বিষগ্ন বদনে ; গঙ্গার তরঙ্গ মালা সমুখে করিছে খেলা, চাহিয়ে তাদের পানে উদাস নয়নে । শোকভরে ধীরে ধীরে শ্ৰীঅঙ্গে মাখায়, শ্বেত করবীর বেলা, চামেলি মালতী মেলা, ছড়াইয়ে চারি দিকে কাদিয়ে বেড়ায়। 33 সারদামঙ্গল । OL হায় ফের বিষাদিনী ! কে সাজালে উদাসিনী ! ~/সম্বর এ মুৰ্ত্তি দেবী সম্বর সম্বর ! বটে এ শ্মশান মাজে এলোকেশী কালী সাজে দানব-রুধির-রঙ্গে নাচে ভয়ঙ্কর । J)ፃ আবার নয়নে জল ! ওই সেই হলাহল, ওরি তরে জীর্ণজরা জীবন আমার ; গরজি গগন ভোরে দাড়াও ত্রিশূল ধোরে ! সংহার-মুরতি অতি মধুর তোমার। N○ゲ আমার এ বজ্রবুক, ত্ৰিশূলেরো তীক্ষ মুখ, দাও দাও বসাইয়ে এড়াই যন্ত্রণা ! সমুখে আরক্তমুখী, মরণে পরম স্বর্থী, এ নহে প্রলয়-ধ্বনি, বাঁশরী-বাজনা । সারদামঙ্গল । és ঔ৯ অনন্ত নিদ্রার কোলে অনন্ত মোহের ভোলে অনন্ত শয্যায় গিয়ে করিব শয়ন, আর আমি কাদিব না, আর আমি কাদাব না, নীরবে মিলিয়ে যাবে সাধের স্বপন ! 8 e তপন-তপণ-অাল অসীম যন্ত্রণা-জাল, প্রশান্ত অনন্ত ছায়া অনন্ত যামিনী ; সে ছায়ে ঘুমাব সুখে, বজ্র বাজিবে না বুকে, নিস্তব্ধ ঝটিকা ঝঞ্জা, নীরব মেদিনী । 82 বঁধে বুক, ত্যজ ভয়, পুণ্য এ, পাতক নয় ; খুনে আর পরিত্রাণে অনেক অন্তর । ভালবাসা তারি ভাল, সহে যারে চির কাল ; বঁাচুক্ৰ বঁাচুক্ৰ তারা হউকু অমর ! 3° সারদামঙ্গল । 6있 হবে না হবে না আর, হয়ে গেছে যা হবার, ধোরে না ধোরো না, বৃথা রুধ না আমাকে ! এ পোড়া পিঞ্জর রাখি উড়ুক পরাণ পাখী, দেখুক দেখুক যদি আর কিছু থাকে ! ছাড় । আন ! যাও যাও ! বেগে বুকে বিঁধে দাও ! ওই সে ত্রিশূল দোলে গগন মণ্ডলে । চতুর্থ সর্গ। গীতি । [ রাগিণী ভৈরবী—তাল ঠুংরি। ] কোথাগো প্রকৃতি সতী সে রূপ তোমার ! যে রূপে নয়ন মন ভুলাতে আমার। 源 সেই সুরধুনী-কুলে ফুলময় ফুলে ফুলে, বেড়াইতে বনবালা পরি ফুলহার। নবীন-নীরদ-কোলে সোণার যে দোলা দোলে, ক্ষণেক দুলিতে, ক্ষণে পালাতে আবার । স্বধাংশুমণ্ডলে বসি খেলিতে লইয়ে শশী, হাসিয়ে ছড়িয়ে দিতে তারকারতন ;– হাসি দিগঙ্গনা গণে ধরি ধরি সে রতনে খেলিত কন্মুক-খেলা, হাসিত সংসার। এ তমান্ধ তলাতলে কি বিষম জ্বালা জলে, কেবল জলিয়ে মরি ঘোচেন আঁধার । চল দেবী লয়ে চল, যথা জাগে হিমাচল, উদার সে রূপরাশি দেখি একবার ! 3げ সারদামঙ্গল । অসীম নীরদ নয় ; ७-हे भित्रि श्धािंज्ञग्न ! উখুলে উঠেছে যেন অনন্ত জলধি ; ব্যেপে দিগ দিগন্তর, ऊङ्गलिग्नां cघांब्राउब्र, প্লাবিয়া গগনাঙ্গন জাগে নিরবধি । १ বিশ্ব যেন ফেলে পাছে কি এক দাড়ায়ে আছে ! কি এক প্রকাগু কাও মহান ব্যাপার ! কি এক মহান মূৰ্ত্তি, কি এক মহান স্ফূৰ্ত্তি, মহান উদার স্বষ্টি প্রকৃতি তোমার ! \) পদে পৃথ্বী, শিরে ব্যোম, তুচ্ছ তারা সূৰ্য্য সোম নক্ষত্র, নখাথে যেন গণিবারে পারে ; সমুখে সাগরান্বর ছড়িয়ে রয়েছে ধরা, কটাক্ষে কখন যেন দেখিছে তাহারে । সারদামঙ্গল। 8:S 8 कउ श्रृंउ अङ्कामग्न, কতই বিলয় লয়, চক্ষের উপর যেন ঘটে ক্ষণে ক্ষণে ; হরহর হরহর בי স্বর নর খরখর প্রলয়-পিণাক-রাব বাজেন শ্রবণে । & ঝটিকা দুরন্ত মেয়ে, বুকে খেলা করে ধেয়ে ধরিত্রী গ্রাসিয়া সিন্ধু লোটে পদতলে । জ্বলন্ত-অনল-ছবি ধ্বক্ ধ্বক্ জ্বলে রবি, কিরণ-জ্বলন-জ্বালা মালা শোভে গলে । & কালের করাল হাসি দলকে দামিনী রাশি, কক্কড়, দন্তে দন্তে ভীষণ ঘর্ষণ; ত্ৰিজগত ত্ৰাহি ত্ৰাহি ; কিছুই ক্ৰেক্ষেপ নাহি ; কে যোগেন্দ্র ব্যোমকেশ যোগে নিমগন ! সারদামঙ্গল । o ওই মেরু উপহাসি । অনন্ত বরফ রাশি । যুবন তপন করে বক্‌ বক্‌ করে ! উপরে বিচিত্র রেখা, চারু ইন্দ্ৰধনু লেখা, অলকা অমরাবতী রয়েছে ভিতরে— লুকান লুকান যেন রয়েছে ভিতরে ॥ も* ওই কিবে ধবধব তুঙ্গ তুঙ্গ শৃঙ্গ সব উৰ্দ্ধমুখে ধেয়ে গেছে ফুড়িয়া অম্বর ! দাড়াইয়ে পাদদেশে ললিত হরিত বেশে র নিকুঞ্জ-রাজি সাজে থরেখর । Gò সানু আলিঙ্গিয়ে করে শূন্যে যেন বাজি করে বপ্র-কেলি-কুতুহলে মত্ত করিগণ ; নবীন নীরদমালা সঙ্গে সঙ্গে করে খেলা, দশন বিজলী-বালা বিলসে কেমন ! ஆ_ம்தயம்_ம்ாம். সারদামঙ্গল । - .)ל 3. o ওই গগুশৈল-শিরে গুল্মরাজি চিরে চিরে বিকশে গৈরিক-ঘটা ছটা রক্তময় । তৃণ তরু লতাজাল, অপরূপ লালেলাল ; মেঘের আড়ালে যেন অরুণ উদয় ।

  • }

কাছে কাছে স্থানে স্থানে নীচ-মুখে উচ-কাণে চরিয়া বেড়ায় সব চমর চমরী, সুচিকণ শুভ্র কায় মাছি পিছলিয়া যায়, অনিলে চামর চলে চন্দ্রিমা-লহরী ॥ t) ... > R কিবে ওই মনোহারী দেবদারু সারি সারি দেদার চলিয়া গেছে কাতারে কাতার ! দূর দূর আলবালে, কোলাকুলি ডালে ডালে, পাতার মন্দির গাথা মাথায় সবার । ( ૨ সারদামঙ্গল । }\} তলে তৃণ লতা পাতা সবুজ বিছানা পাতা ; ছোট ছোট কুঞ্জবন হেথায় হেtথায় । কেমন পাকম ধরি, কেকারব করি করি, ময়ূর ময়ূরী সব নাচিয়া বেড়ায় ।

  • 8

মধ্যমে ফেয়ারা ছোটে, যেন ধূমকেতু ওঠে, ফরফর তুপড়ি ফোটে, কেটে পড়ে ফুল ; কত রকমের পার্থী কলরবে ডাকি ডাকি সঙ্গে সঙ্গে ওঠে পড়ে, আহলাদে আকুল । Y 6. জলধারা করবার, সমীরণ সরসর, চমকি চরন্ত মৃগ চায় চারি দিকে ;– চমকি আকাশ-ময় ফুটে ওঠে কুবলয়, চমকি বিদ্যুল্লতা মিলায় নিমিখে । সারদামঙ্গল । $9 }\; একি স্থান অভিনব । বিচিত্র শিখর সব চৌদিকে দাড়ায়ে আছে ঘেরিয়ে আমায় ; গায়ে তরু লণ্ড পাতা খোলো থোলো ফুল গাথা, বরফের—হীরকের টোপর মাথায় । » ፃ তলভূমি সমুদয় ফুলে ফুলে ফুলময়, শিরোপরে লম্বমান মেঘের বিতান ; আকাশ পড়েছে ঢাকা, আর নাহি যায় দেখা তপনের সুবর্ণের তরল নিশান, Ꮌb~ কেবল বিজলী-মালা বেড়ায় করিয়ে খেলা ; কেন গো, বিমানে আজি অমরী অমর ! তোমরা কি সারদারে দেখেছ, এনেছ তারে । ভূষিতে এ প্রকৃতির প্রাসাদ সুন্দর! ($8 সারদামঙ্গল . . . . . . | డిసె হা দেবী, কোথায় তুমি! শূন্য গিরি-ফুলভূমি ! কোথায়—কোথায়—হায়—সারদা—সারদা!— আর কেন হাস্য-মুখে ! • ‘ হানো উগ্র বজ্র বুকে — কি ঘোর তামসী নিশি !—** ** ** & a আহা স্নিগ্ধ সমীরণ ! বুঝিলে তুমি বেদন । বুঝিল না স্থলোচনা সারদা আমার – হা মানিনী ! মানভরে & বল দে : কোন লোকান্তরে !— , বল বল কুশল তাহার ! &> অয়ি, ফুলময়ী সতী গিরি-ভূমি ভাগ্যবতী ! অভাগার তা তব রনি স্বজন ; দেখা যদি পাই তার, 2 দেখা হবে পুনৰ্ব্বার ; হলেম তোমার কাছে বিদায় এখন ॥ সারদামঙ্গল । 《创 रेरै ওই ওই ভূগুভূমে, আচ্ছন্ন তুহিন খুমে । রয়েছে আকাশে মিশে অপরূপ স্থান ! আবছা আবছা দেখা যায় গুহা গোমুখের প্রায়, পাতাল ভেদিয়া তায় ধায় যেন বান। ২৩ ফেনিল সলিলরাশি বেগভরে পড়ে আসি, চন্দ্রলোক ভেঙে যেন পড়ে পৃথিবীতে ; সুধাংশু-প্রবাহ পারা । गड শত ধায় ধারা, ঠিকরে অসংখ্য তারা ছোটে চারি ভিতে — অসংখ্য শীকর শিলা ছোটে চারি ভিতে । 及8 শৃঙ্গে শৃঙ্গে ঠেকে ঠেকে, লম্ফে লম্ফে কেঁকে বেঁকে, জেলের জালে মত য়ে ছত্রাকার, ঘুরিয়ে ছড়িয়ে পড়ে ; ফেনার আরশি `ಆದ್ಲಿ, উড়েছে মরাল যেন হাজার হাজার। @° সারদামঙ্গল । २G| আবরিয়ে কলেবর ঝরিছে সহস্ৰ বার, ভূগুভূমি মনোহর সেজেছে কেমন ! যেন ভৈরবের গায় আহলাদে উধুলে ধায় ফণা তুলে চুলবুলে ফণী অগণন । ૨૭ নেমে নেমে ধারাগুলি, করি করি কোলাকুলি, একবেণী হয়ে হয়ে নদী বয়ে যায় ; বারবার কলকল ঘোর রাবে ভাঙে জল, পশু পক্ষী কোলাহল করিয়ে বেড়ায় । ፰ ፃ সিংহ দুটি শুয়ে তটে অনিন আবরি জটে, মগন রয়েছে যেন আপনার ধ্যানে ; আলসে তুলিছে হাই, কা’কেও দৃকপাত নাই, গ্রীবাভঙ্গে কদাচিৎ চায় নদী পানে । সারদামঙ্গল । ミb" কিবে ভূগু-পাদমূলে উখুলে উধুলে দুলে ট’লে ঢ’লে চলেছেন দেবী স্বরধনী ! কবির, যোগীর ধ্যান, ভোলা মহেশের প্রাণ, ভারত-সুরভি-গাভী, পতিত-পাবনী । পুণ্যতোয় গিরিবালা ! জুড়াও প্রাণের জ্বালা । জুড়ায় ত্রিতাপ-জ্বালা মা তোমার জলে । ● ጫ পঞ্চম সৰ্গ । । ജ്ജമ്മു গীতি । [ রাগিণী বেহাগ-তাল रुt७प्रांजौ ।] মধুর রজনী, মধুর ধরণী, মধুর চন্দ্রম, মধুর সমীর ! ভাগীরথী-বুকে ভাসি ভাসি মুখে চলে ফুলময়ী তরী ধীর ধীর! আলুথালু কেশ, আলুথালু বেশ, ঘুমায় কামিনী রূপসী রুচির! অপরূপ হাস আননে বিকাশ, অধরপল্লব অলপ অধীর । না জানি কেমন দেখিছে স্বপন মধুৱ—মধুর—মূৰ্বতি মদির! Y বেলা ঠিক দ্বিপ্রহর । দিনকর খরতর, নিঝুম নীরব সব—গিরি, তরু, লতা। কপোতী মৃদুর বনে ঘুঘু—ঘু করুণ স্বনে কাদিয়ে বলিছে যেন শোকের বারতা। সারদামঙ্গল । @》 २ তৃষায় ফাটিছে ছাতি, জল খুজে পাতিপাতি বেড়ায় মহিষ যুথ চারি দিকে ফিরে । এলায়ে পড়িছে গা, লটপট করে পা, ধুকিয়ে হরিণগুলি চলে ধীরে ধীরে। \O কিবে স্নিগ্ধ-দরশন, তরু রাজি ঘনঘন, অতল পাতালপুরী নিবিড় গহন ! যত দূর যায় দেখা ঢেকে আছে উপত্যকা, গভীর গম্ভীর স্থির মেঘের মতন । 8 কায়াহীন মহা ছায়া বিশ্ব-বিমোহিনী মায়া মেঘে শশী ঢাকা রাকা-রজনী রূপিণী, অসীম কানন-তল ব্যেপে আছে অবিরল ; উপরে উজলে ভানু, ভূতলে যামিনী । সারদামঙ্গল । ঘোর ঘোর সমুদয়, কি এক রহস্যময়, শান্তিময়, তৃপ্তিময়, ভুলায় নয়ন ; অনন্ত বরষাকালে অনন্ত জলদ জালে লুকায়ে রেখেছে যেন জ্বলন্ত তপন । ט\ পত্র-রন্ধ ধরি ধরি কিরণের বারা বারি মাণিক ছড়িয়ে যেন পড়েছে কাননে, চিকণ শাদ্বল দলে দীপ্‌ দীপ কোরে জ্বলে তারকা ছড়ান যেন বিমল গগনে ॥ usaramma~=...» নভ-চুম্বী শৃঙ্গবরে ও কি দপদপ করে । কুঞ্জে কুঞ্জে দবানল হইল আকুল ; তরু থেকে তরুপরে, বন হতে বনান্তরে ছুটে, যেন ফুটে ওঠে শিমূলের ফুল— রাশি রাশি শিমূলের ফুল। সারদামঙ্গল । ২৩১

  • অচ্চিপুঞ্জ লক লক, ভূক ভূক, ধ্বক ধ্বক, দাউ দাউ ধুধু ধুধু ধায় দশ দিকে ;

বাল্কা বান্ধা হস্কা ছোটে, বোর্বে বোর্বে চক্কি লোটে, মাতাল ছুটেছে যেন মনের বেঠিকে। సె দেখিতে দেখিতে দেখ কেবল অনল এক, এক মাত্র মহাশিখা ওঠে নিরবধি ; আগ্নেয় শিখর পরে যেন ওঠে বেগভরে ভীষণ গগন-মুখী আগুনের নদী। У о দিগঙ্গন গণ যেন আতঙ্কে আড়ষ্ট হেন, অটল প্রশান্ত গিরি বিভ্রান্ত উদাস ; চতুৰ্দ্দিকে লম্ফে ঝম্পে, মত্ত যেন রণদস্ফে তোলপাড় কোরে ধায় দারুণ বাতাস– উঃ ! কি আগুন-মাখ। দারুণ বাতাস ! b সারদামঙ্গল | } } ত্রিলোক তারিণী গঙ্গে, তরল তরঙ্গ রঙ্গে এ বিচিত্র উপত্যকা আলো করি করি চলেছ মা মহোল্লাসে ! তোমারি পুলিনে হাসে, সুদূর সে কলিকাতা আনন্দ নগরী। । > R আহা, স্নেহ-মাখা নাম, আনন্দ—আনন্দ ধাম, প্রিয় জন্মভূমি তুমি কোথায় এখন ! এ বিজন গিরি-দেশে প্রকৃতি প্রশান্ত বেশে যতই সাস্তুনা করে, কেঁদে ওঠে মন ;— কেন মা ! আমার তত কেঁদে ওঠে মন । >N) হে সারদে দাও দেখা ! বঁচিতে পারিনে এক, কাতর হয়েছে প্রাণ, কাতর হৃদয় ; কি বলেছি অভিমানে শুনে না শুনো না কাণে, বেদন দিওনা প্রাণে ব্যথার সময় ! সারদামঙ্গল । > 8 অহ, আহ, ওহো, ওহো, কি মহান সমারোহ ! ঘোর-ঘটা মহাছটা কেমন উদার ! নিসর্গ মহান মূৰ্ত্তি চতুর্দিকে পায় স্মৃত্তি, চতুর্দিকে যেন মহা সমুদ্র অপার। Y (t ठानस्छ उतृत्र भोलो করিতে করিতে খেল। কোথায় চলিয়া গেছে, চলেন নজর ; দৃষ্টিপথ-প্রান্তভাগে মায়ায় মিশিয়া জাগে উদার পদার্থরাজি সাজি থরেথর । )や উদার—উদারতর দাড়ায়ে শিখর-পর . এই যে হৃদয়-রাণী ত্রিদিব-সুষমা ! এ নিসর্গ-রঙ্গভূমি, মনোরমা নটী তুমি, শোভার সাগরে এক শোভা নিরুপমা ! ७8 সারদামঙ্গল । እ ፃ আননে বচন নাই, নয়নে পলক নাই, কাণ নাই মন নাই আমার কথায় ; মুখখানি হাসহাস, আলুথালু বেশ বাস, আলুথালু কেশপাশ বাতাসে লুটায়। >bア না জানি কি অভিনব খুলিয়ে গিয়েছে ভব আজি ও বিহবল মত্ত প্রফুল্ল নয়নে । আদরিণী, পাগলিনী, এ নহে শশি-যামিনী ; ঘুমাইয়ে একাকিনী কি দেখ স্বপনে । }} আহা কি ফুটিল হাসি । বড় আমি ভালবাসি ওই হাসিমুখখানি প্রেয়সী তোমার, বিষাদের আবরণে বিমুক্ত ও চন্দ্রাননে দেখিবার অাশা আর ছিল না আমার ! সারদামঙ্গল । も亀 দরিদ্র ইন্দ্রত্ন লাভে কতটুকু মুখ পাবে, আমার মুখের সিন্ধু অনন্ত উদার ;– কবির সুখের সিন্ধু অনন্ত উদার ! २० ও বিধু-বদন-হাসি গোলাপ-কুসুম রাশি, ফুটে আছে যে জনার নেশার নয়নে ; সে যেন কি হয়ে যায়, সে যেন কি নিধি পায়, বিহবল পাগল প্রায়, বেড়ায় কি বোকে বোকে আপনার মনে, এস বোন, এস ভাই, হেসেখেলে চলে যাই আনন্দে আনন্দ করি আনন্দ কাননে ! এমন আনন্দ অার নাই ত্রিভুবনে ? &> এমন আনন্দ আর নাই ত্রিভুবনে । হে প্রশান্ত গিরি-ভূমি, 常 | o - * } জীবন জুড়ালে তুমি o “t. છે. o, エ জীবন্ত করিয়ে মম জীবনের ধনে । - এমন আনন্দ আর নাই ত্রিভুবনে । ७७ সারদামঙ্গল । ९२ প্রিয়ে সঞ্জীবনী লতা, কত যে পেয়েছি ব্যথা হেরে সে বিষাদময়ী মুরতি তোমার ! হেরে কত দুঃস্বপন পাগল হয়েছে মন, কতই কেঁদেছি আমি কোরে হাহাকার! ミや আজি সে সকলি মম মায়ার লহরী সম আনন্দ সাগর মাজে থেলিয়া বেড়ায় । দাড়াও হৃদয়েশ্বরী, ত্রিভুবন আলো করি, দুনয়ন ভরি ভরি দেখিব তোমায় ! ૨8 দেখিয়ে মেটে না সাধ, কি জানি কি আছে স্বাদ, কি জানি কি মাখা আছে ও শুভ আননে ! কি এক বিমল ভাতি, প্রভাত করেছে রাতি ; হাসিছে অমরাবতী নয়ন-কিরণে ! गांज्ञाशंभन्नल । । ७१ . ૨ઉ এমন সাধের ধনে প্রতিবাদী জনে জনে, দয়া মায়া নাই মনে, কেমন কঠোর } অাদরে গেঁথেছে বালা झनग्न-कूश्म-शांला, কৃপাশে কাটবে কেৰুে সেই ফুলডোর। وا چ পুন কেন অশ্রুজল ! বহ তুমি অবিরল ! চরণ কমল আহা ধুয়াও দেবীর । মানস-সরসী-কোলে সোণার নলিনী দোলে, আনিয়ে পরাও গলে সমীর সুধীর । বিহঙ্গম! খুলে প্রাণ ধর রে পঞ্চম তান ! সারদামঙ্গল গান গাও কুতূহলে। ट्रेलि । : ! . . - * لا { - }...“ - o - في بـ ، "F" * /* * "。 தி ( → f \ ーイ。 - * へ“ー。 - . o , * 早 “。 - -- গীতি। [ ब्रांगिी निकू-उब्ररौ,-उॉल ठू२ब्रि ] প্রিয়ে, কি মধুর মমোহর মূরতি তোমার ! সদ! যেন হাসিতেছে আলয় আমার ! সদা যেন ঘরে ঘরে কমলা,বিরাজ করে, ঘরে ঘরে দেববীণা বাজে সারদার । थांहे८ग्र श्ब्ररु-ख८द्र কল কোলাহল করে, হাসে খেলে চারিদিকে কুমারী কুমার ! হয়ে কত জালাতন করি অন্ন আহরণ, ঘরে এলে উলে যায় হৃদয়ের ভার ! মরুময় ধরাতল, তুমি শুভ শতদল, - করিতেছ ঢলঢল সমুখে আমার ! ক্ষুধা তৃষা দূরে রাখি, ভোর হ’য়ে ব’সে থাকি, নয়ন পরাণ ভোরে দেখি অনিবার – তোমায়, দেখি অনিবার। তুমি লক্ষ্মী-সরস্বতী, অামি ব্ৰহ্মাণ্ডের পতি, হোগগে এ বসুমতী যার খুসি তার ! সম্পূর্ণ।