পাতা:আত্মচরিত (প্রফুল্লচন্দ্র রায়).djvu/৬৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বাহিরে তাঁহাদের সঙ্গে আমাদের কোন সম্বন্ধ ছিল না, সেম্বলে তাঁহারা যেন আমাদের অপরিচিত ছিলেন। হেয়ার স্কুলে চতুর্থ শ্রেণীতে আমাদের প্রধান শিক্ষক ছিলেন চণ্ডীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি মুখভঙ্গী করিতেন। তাঁহার অটুহাস্য ও মুখভঙ্গী, আমাদের মনে রাসের সঞ্চার করিত। তাঁহার বিশাল বলিষ্ঠ দেহ, ঘন গলফ এবং মুখাকৃতির জন্য তাঁহাকে বাঘের মত দেখাইত। সেই জন্য আমরা তাঁহার নাম দিয়াছিলাম বাঘা চণ্ডী । পক্ষান্তরে অ্যালবার্ট স্কুলে আমাদের শিক্ষকেরা শান্ত ও মধ্যর প্রকৃতির আদশ বরপ ছিলেন। আদশ শিক্ষকের যে সব গুণ থাকা উচিত, আদিত্যকুমার চট্টোপাধ্যায়ের সে সবই ছিল। আমি যেন এখনও চোখের উপর দেখিতেছি, তাঁহার অধরে মদ হাস্য এবং মুখ হইতে শান্ত জ্যোতি বিকীর্ণ হইতেছে! মহেন্দ্রনাথ দাঁকেও আমরা সমান ভালবাসিতাম। ই হারা উভয়েই সামাজিক নিষাতন হাসিমুখে সহ্য করিয়া ব্রাহাসমাজে যোগ দিয়াছিলেন। আমি এবং আমার দুই একজন সহাধ্যায়ী তাঁহাদের বাড়ীতে প্রায়ই যাইতাম এবং তাঁহাদের সঙ্গে সকল বিষয়ে খোলাখুলি আলাপ করিতাম। ব্ৰাহম সমাজের তত্ত্বসমহে তাঁহারা আমাদের নিকট ব্যাখ্যা করিতেন; অন্য ধমের সঙ্গে ইহার প্রধান পাথক্য এই যে ইহা অপৌরষেয় নহে; ইহার প্রধান fEfE 2ISII G TTfR (Rationalism and Intuition) 1 EFtATA að Elfa eign Intuition বা বোধির অথ* অনুধাবন করিতে চেষ্টা করিলাম। আদশ শিক্ষকের ব্যক্তিগত সংসগের প্রভাব কিরাপ তাহা আমি বুঝিতে পারিলাম। ইহার বহুদিন পরে যখন আমি Tom Brown's School Days নামক বইখানি পড়ি, তখন আমার পরাতন শিক্ষকের কথা মনে হইয়াছিল; রাগবী স্কুলের আণডি কেন যে ছাত্রপরম্পরাক্রমে সকলের হৃদয় জয় করিতে সমথ হইয়াছিলেন, তাহাও আমি বুঝিতে পারিয়াছিলাম। অধশতাব্দী পাবের কথা স্মরণ করিলে, আমি অ্যালবার্ট স্কুলের শিক্ষকদের কথা— তাঁহাদের সঙ্গে আমাদের স্নেহ ও সোঁহাদর্ঘ্যপণে সম্বন্ধের কথা সকৃতজ্ঞচিত্তে সমরণ করি। পরস্কার বিতরণের সময় আমি অবশ্য পরস্কার পাইলাম না, কেননা আমি বহুদিন স্কুলে অনুপস্থিত ছিলাম। কিন্তু শিক্ষকেরা ব্যাপারটি অশোভন হয় দেখিয়া পরামর্শ করিয়া আমাকে সকল বিষয়ে উৎকর্ষতার জন্য একটী বিশেষ পরস্কার দিলেন। পর বৎসর আমি পরীক্ষায় প্রথম হইলাম এবং বহু পসতক পরস্কার পাইলাম। ঐ সব পাস্তকের মধ্যে হাজলিট কতৃক সম্পাদিত সেক্সপীয়রের সমস্ত গ্রন্থাবলী, ইয়ংয়ের Night Thoughts e RTFIR English Humorists fgM কৃষ্ণবিহারী সেন জয়পরে হইতে ফিরিয়া স্কুলের রেক্টরের কতব্যভার গ্রহণ করিলেন। তিনি সপণ্ডিত ছিলেন—ইংরাজী সাহিত্যে তাঁহার প্রগাঢ় অধিকার ছিল, তবে তিনি বস্তৃতা করতে পারিতেন না। এ বিষয়ে তাঁহার ভ্রাতা কেশবচন্দ্র সেনের তিনি বিপরীত ছিলেন। কেশবচন্দ্রের বামিতা বহন সভায় ব্রিটিশ শ্রোতৃমণ্ডলীকে পর্যন্ত বিচলিত করিয়াছিল। কৃষ্ণবিহারীর ছিল লিখিবার ক্ষমতা এবং সে ক্ষমতা তিনি উত্তমরপেই চালনা করিতে পারিতেন। তিনি “ইণ্ডিয়ান মিররের” বামসম্পাদক ছিলেন, অন্যতম সম্পাদক ছিলেন তাহার খল্লতাতন্ত্রাতা নরেন্দ্রনাথ সেন। মিররে যে রবিবার সংখ্যা প্রকাশিত হইত, ফকাবহারী একাই তাহার সম্পাদক ছিলেন। এই সংখ্যায় কেবলমাত্র ধর্ম সম্বন্ধেই আলোচনা থাকত। বস্তুতঃ ইহা ব্রাহাসমাজের অন্যতম মুখপত্র ছিল। কেশবচন্দ্র এবং তাঁহার সহকমীদের উদ্যোগে অ্যালবাট হল তখন সবেমাত্র স্থাপিত হইয়াছে। হলের নীচের তলার স্কুলের ক্লাস বসিত, উপর তলায় হলে এবং রিডিং রমের পালন কয়েকটি রেঞ্জ ক্লাস বসিত। রিডিং রনের টেবিলের উপর প্রধান প্রধান সামরিক(৬) শ্ৰীবত অক্ষয়কুমার চট্টোপাধ্যায় সম্প্রতি নিম্নলিখিত বিষয়টির প্রতি আমার দষ্টি আকর্ষণ (সম্ভবতঃ ইহা অক্ষয়বাবরে নিজের লেখা)। “রমিতারণ চট্টোপাধ্যায় ইন্টাশ" ক্যানেল ডিবিসনের খলনা জেলায় ডিবিসনাল অফিসার ছিলেন। দরখালিতে তাঁহার কম স্থান ছিল। তিনি খলনার ডেপটি ম্যাজিস্ট্রেট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, গীরদাস বসাক, ঈশ্বরচন্দ্র মিত্র এবং বলরাম মল্লিক, রাড়ালি-কাটিপাড়ার জমিদার হরিশচন্দ্র রার (ডাঃ পি, সি, রায়ের পিতা) সঙ্গে পরিচিত ছিলেন। প্রথম বয়সে তাঁহার একমাত্র "র অক্ষয়কুমার কলিকাতায় পড়িবার সময়ে হরিশচন্দের বাসায় থাকিতেন। হরিশচন্দ্রের পরামর্শ S BBBB BBBBB BBB BBD DDB BDDD DDBB DDBBBS D DDB BB DDDDD SgB BBBS BBBBBB BBBB BBB BBBBB BBBS BBBB BBBBB BBB DDD বিনা লিলে ধার দিরছিলেন। হরিশ্চন্দ্র যোগ্যপত্রের পিতা ছিলেন।.....যখন তিনি রামতারণের ফশ পরিশোধে অক্ষমতা বোধ করিলেন, তখন তিনি নিজের বাড়ীর নিকটবতী একটি মল্যবান গপত্ত্বি রামতারদের নামে রেজেম্মী দলিল বারা কবালা করিয়াছিলেন। রামতারণ কিন্তু এবিষয়ে অনেকদিন পর্যন্ত কিছুই জানিতেন না। একদিন রামতারণের সঙ্গে হরিশচলের সাক্ষাৎ হইলে, হরিশ্চন্দ্র ষ্ট্রঞ্জারণের হাতে দিয়া ঋণের দায় হইতে অব্যহতি প্রার্থনা করিলেন।