পাতা:আমিষ ও নিরামিষ আহার প্রথম খণ্ড.djvu/৭৮

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


이le অশ্রধারা বিগলিত হয় তাই ই হাদিগকে “অশ্রমুখ” নামে অভিহিত করা হইয়াছে। প্রপিতামহের পূৰ্ব্বে র্যাহারা তাহারা অমূৰ্ত্ত এবং নাদীমুখ অর্থাৎ তাহাদিগের মূৰ্ত্তি স্থতির অবিষয়ীভূত এবং তাহাদিগের কথা মনে পড়িলে শোক দূরে থাক্ বরঞ্চ আননা হয়। আনন্দ কিসে না তাহাদিগের বংশাবলী এখনও সংসারে বিচরণ করিয়া লোকোপকার করিতেছে। তাই বিবাহ, উপনয়ন প্রভৃতি শুভকৰ্ম্মে আনন্দের জন্য হিন্দুদিগের নান্দীমুখ শ্রাদ্ধের ব্যবস্থা আছে। কিন্তু এই গৃহের পিতৃ পিতামহের সহিত পিতৃগণের কোন লম্বন্ধই নাই। কেবল উ ভয়ের মধ্যেই পিতৃ ভাব সাধারণভাবে বিরাজ করিতেছে বলিয়া উভয়েই পিতৃনামের অধিকারী হইয়াছেন । এই পিতৃ ভাবের কারণে গৃহের পিতা যেমন পুত্র পৌত্রাদির নিকট শ্রদ্ধার পাত্র সেইরূপ পিতৃগণও স্বদেশরূপ গৃহে (home) সমগ্র জনসমাজের নিকট শ্রদ্ধার পাত্র। এই পিতৃগণ সচরাচর কবি নামে অভিহিত হইতেন । কবি’র অর্থ ক্রাস্তদশী পরমজ্ঞানী । ভৃগুনন্দন অম্বর গুরু শুক্র এই কারণে কবি নামে অভিহিত হইতেন । ৰু বীনামুশনা কবিঃ (छ१५भोंड) বেদেও আছে “লা ত্বা মন্ত্রা: কবিশস্ত বহস্বেনারাজন হবিঘামাদয়স্ব ॥ * “তোমার উদ্দেশে কবিদিগের মুখোচ্চারিত মন্ত্র সকল চলিতে থাকুক।” মহাভারতেও আছে—

  • উৎপন্ন যে স্বধায়াপ্ত সোমপ ৰৈ কবেস্তু যে ।”
  • ঋগ্বেদ দশম মণ্ডল ১৫ শুকে ।