পাতা:আর্য্য-নারী দ্বিতীয় ভাগ.djvu/৪১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

9& আর্য্য-নারী । সিংহ অজয়কে অন্যত্র পঠাইয়া নিজে তাহার স্থানে প্রাণ বিসর্জনে প্রস্তুত হইলেন । এদিকে চিতোর প্রায় বীর শুন্য হইয়াছে। এই শেষ যুদ্ধের পর চিতোররমণীর সম্মান রক্ষার জন্য আর কেহ থাকিবে না । দেবীর আদেশে রাজপুত্রগণের প্রাণ বিসর্জনের ফল কবে ফলিবে, দেবীই জানেন ; কিন্তু চিতোর যে, পাঠানের অধিকৃত হইবে, এ কথা সকলেই বুঝিতে পারিলেন। তখন পদ্মিনী, চিতোরবাসিনী রমণীগণকে সমবেত করিয়া কহিলেন,-“আমাদের স্বামী, পুত্র ও ভ্রাতারা, অনেকেই বীরশয্যায় শয়ন করিয়াছেন। বাকী যাহারা আছেন তঁাহারাও আজ সেই চিরগৌরবময় শয্যায় শয়ন করিবেন। আমাদের সম্মান রক্ষার ভার আজ আমাদের হাতে। রাজপুতলালন মরিতে ভয় পায় না। অগ্নিকুণ্ডে দেহ বিসর্জন রাজপুতবালার অবশ্যম্ভাবী নিয়তি, ধর্ম্মরক্ষার একমাত্র উপায়। রাজপুতবীরগণ প্রশান্তচিত্তে রণক্ষেত্রে দেহ বিসৰ্জন করিতেছেন, এস ভগিনীগণ, রাজপুতবীরের যোগ্য বীরাঙ্গনা আমরাও আজ অগ্নিতে দেহ বিসৰ্জন করিয়া ভঁহাদের অনুগামিনী হই। পাঠান “দেখুক, তাহাদের পাশিব শক্তির উপর আমাদের ধর্ম্মবল কত উচে । জগৎ দেখুকু রাজপুত বীরাঙ্গনা ধর্ম্মবলে কেমন করিয়া পাশব শক্তির উপরে আপনার মহােৱ প্রতিষ্ঠিত করিতে পারে।” সমুদায় রাজপুতলালন একবাক্যে পদ্মিনীর কথার অনুমোদন করিলেন। রাজপুরীর মধ্যে একটা গভীর ও বিশাল কূপ