পাতা:কলিকাতা সেকালের ও একালের.djvu/১৭৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


১৩ই কলিকাতা সেকালের ও একালের । করিয়াছিলেন, তাহদেরও কোনরূপ দান-পত্ৰ নাই। কেহ কেহ অনুমান করেন, রাজা বসন্তরায়—যে সময়ে তাহার গুরু ভুবনেশ্বর ব্রহ্মচারীকে, কালীঘাটে প্রতিস্থাপিত করেন, এ দান হয়ত সেই সময়ের অনুষ্ঠিত। কিন্তু এসম্বন্ধেও কোন দানপত্রাদি দেখিতে পাওয়া যায় না। ১৫৮২খৃঃ অন্ধে সম্রাট আকবরের সময়, “ওয়াশীল-তুমার জমা” নামে বাঙ্গালার রাজস্বের যে হিসাব প্রস্তুত হয়, তাহতে প্রজাদিগের সহিত রাজস্ববন্দোবস্ত নিৰ্ধারিত হয়। সম্রাট-কৰ্ম্মচারীরা, প্রজাদিগের নিকট রাজস্ব আদায় করিয়া, বাদসহ সরকারে পাঠাইয়া দিতেন। ১৭২২ খৃঃ অব্দে, নবাব মুরশীদ কুলীখণর সময়ে, রাজস্বের তৃতীয়বার বন্দোবস্ত হয়। সেই সময়ে কেশব রায় এ অঞ্চলের জমীদার ছিলেন। এ সময়েও, কালীঘাটের রাজস্ব আদায় করিতে কাহাকেও দেখা যায় না । কোম্পানীর জর্মীদারী প্রাপ্তির পরও দেখা যায়, কালীঘাট—সাবর্ণদিগের বা কোম্পানীর জমীদারীভূক্ত ছিল না। অথচ এ সময়ে কালীর সেবায়েতগণ, কালীঘাটের ভূমি গুলি, র্তাহীদের ইচ্ছামত কুলীন-ব্রাহ্মণদের দান করিয়াছিলেন। সাবর্ণ জমিদারগণ তাহাতে কোনরূপ হস্তক্ষেপ করেন নাই । ইহা হইতে প্রমাণ হইতেছে, যে সাবর্ণ-জমীদারগণের বড়িশাবাসের অর্থাৎ ১৭১৬ খ্ৰীষ্টাব্যের পূৰ্ব্বে, কালীঘাটের ভূমি, কালীর সেবায়েতগণের দখলে ছিল। ১৭৫৭ খ্ৰীষ্টাব্দে, পলাশী যুদ্ধের পর, ইংরাজ কোম্পানী বৰ্দ্ধিত-প্রতাপ হইয়া উঠেন। ১৭৬৫ খ্ৰীষ্টাব্দে, কোম্পানী-বঙ্গ-বিহু ন-উড়িষ্যার দেওয়ানী লাভ করেন। রাজস্ব-সম্বন্ধীয় সমস্ত ব্যবস্থা এই সময়ে কোম্পানীর হাতে আসে । * হুজুরীমল বলিয়া একজন পঞ্জাবী, ১৭৬৪ খ্ৰীষ্টাব্দে, বক্সারযুদ্ধের সময় কোম্পানীর যথেষ্ট উপকার করেন। হুজুরীমল—উমিচাদের নিকট-আত্মীয়। আজও "হুজুরীমলস ট্যাঙ্ক লেন” বলিয়া, একটা গলি এই কলিকাতা সহরে তাহার নাম রক্ষাকরিতেছে। তদনীন্তন ইংরাজগবর্ণর ভেরেলষ্ট সাহেব হুজুরী মলের এই সহায়তার জন্য, তাহাকে পুরস্কৃত করিতে চাহিলে, তিনি অন্য কোন পুরষ্কার না লইয়া, কালীঘাটের মধ্যে ১২ বিঘা জমী প্রার্থনা করেন। ভেরেলষ্ট সাহেব, কালীঘাটের দেবোত্তর সম্পত্তিভুক্ত—বার বিঘা জমী, কালীর সেবায়েৎ S eB BBttt tBBB BBB BBBBBSBBBBB BBBBBBBBBDS BBB .ডাঙ্গদের অধীন, কলিকাতার হি দিপাছদিগকে কালীঘাটে কালীর পুঞ্জ দিবার জন্ম শতাধিক টকা দিয়াছিলেন, এপপ একটা জনশ্রুতি আছে। -