পাতা:কলিকাতা সেকালের ও একালের.djvu/৮২৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


૧ાનના কলিকাতা সেকালের ও একালের । খুঃ অব্দে এগুলির অস্তিত্বমাত্র ছিল না। এজন্য লালদীঘির ཤོག་་་ এই মিসন-রো পৰ্য্যম্ভই বিস্তৃত ছিল। ১৭৫৬ খৃঃ অব্দে, নবাৰ সেরাজউদ্দৌলার কলিকাতা আক্রমণ সময়ে, এই স্থানে ইংরাজ ও নবাবপক্ষে ভয়ানক যুদ্ধ বাধে। বর্তমান স্কচ-গির্জার সন্নিকটে, মিসন-রোর পাশে একট ব্যাটারী ৰ৷ তোপখানা স্থাপিত হইয়াছিল। হলওয়েল এই স্থানে বহুক্ষণ যুদ্ধ করিয়া, তৎপরে দুর্গে প্রত্যাবৰ্ত্তন করেন। এই মিলন-রো আগে “Rope-walk” নামে পরিচিত ছিল । লালবাজার ও মিসন-রোর কোণে, একটা বাড়ী ছিল—সেই বাড়ীটি প্রাচীন কলিকাতার পুরাতন থিয়েটার। নবাব-সৈন্য এই থিয়েটার-গুহটী দখল করিয়া, তাহীদের আশ্রয়-কেন্দ্র করে। মিসন-রোর মধ্যে ১নং ও ৮নং বাড়িট ঐতিহাসিক বাড়ী। ১নং বাড়ী অর্থাৎ যে বাড়ীটি, ঠিক ওল্ড-মিসন-চার্চের সম্মুখে, সেই স্থানে ওয়ারেণ হেষ্টিংসের কৌন্সিলের অন্যতম সদস্য, জেনারেল মন্সন বাস করিতেন। ৮নং বাড়ী যাহা এখন টমাস কোংর অফিস—সেই বাড়ীতে হেষ্টিংস-কেন্সিলের অন্যতম সদস্য, স্যর জন ফ্লেভারিংএর মৃত্যু হয়। মনসনের মৃত্যু হুগলীতে হইয়াছিল। পূৰ্ব্বোক্ত থিয়েটার-গৃহের কয়েকথানি বাড়ীর পরে—একটী বাড়ীতে লেডী রসেল বাস করিতেন । তাহার স্বামী স্যর ফ্যান্সিস রসেল ১৭৩১ খ্ৰীঃ অব্দে কলিকাতা--কেন্সিলের সদস্য ছিলেন। ইংলণ্ডের ইতিহাসে সুপ্রসিদ্ধ, অলিভার ক্রমওয়েলের কন্যা লেডী ফ্রান্সেস, স্যর ফ্র্যাদিস রসেলের মাতামহী ছিলেন । নবাব কর্তৃক কলিকাতা আক্রমণ সময়ে, লেডী রসেল, ফলতায় পলায়ন করেন। সেইখানেই তাহার মৃত্যু হয়। দেড় শতাধিক বৎসরের মধ্যে, এই স্থানগুলির যথেষ্ট পরিবর্তন সাধিত হইয়াছে । অনেকে নিত্য এই সব পথ অতিৰাহিত করিয়া, আপিস, ব্যাঙ্ক ও কালেক্টরিতে যান-কিন্তু র্তাহারা জানেন-না, সেই পুরাকালে এই সমস্ত স্থান একদিন ভীষণ গোলাগুলি বর্ষণে, সমরক্ষেত্রের অংশরূপে পরিবর্তিত হইয়াছিল।" ম্যাঙ্গো-লেন বহুদিনের। ১৭৫৩ খৃষ্টাব্দে, কাপ্তেন উইলস কলিকাতার যে নক্সা তৈয়ারি করেন, তাহাতে এই “ম্যাঙ্গে-লেনের” নাম লিখিত ছিল। বোধ হয়, এই গলিতে পথের ধারে, বা কোনস্থানে রসাল বৃক্ষের প্রাচুর্য্য জন্য, এইরূপ নামকরণ হইয়াছিল। ২৫ নং ম্যাঙ্গোলেন, অর্থাৎ যে বাড়ীতে আজকাল লায়াল-মার্শাল কোম্পানীর অফিস ৰসিতেছে, সেই বাড়ীটি পুরাকালে “ব্যাঙ্ক" ছিল। ব্যারেটাে কোং, এই ব্যান্ধের স্বত্বাধিকারী