পাতা:কালান্তর - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বিবেচনা ও অবিবেচনা इहे८ठ झब्र° कब्रिब्रां चांनिब्रांटझ् । এই ছঃসাহসিকের দল নিজের সমাজের মধ্যেও যে লক্ষ্মীছেলে হইয়া ঠাও হইয়া বসিয়া আছে তাহা নহে । বাহা আছে তাহাই যে চূড়ান্ত, এ কথা কোনোমতেই তাছাদের মন মানিতে চায় না । বিজ্ঞ মানুষদের নিয়ত ধমকানি খাইয়াও এই অশাস্তের দল জীর্ণ বেড়া ভাঙিয়া, পুরাতন বেড়া সরাইয়া, কত উৎপাত করিতেছে তাছার ঠিকানা নাই। প্রাণের চাঞ্চল্য তাহাদের স্বভাবতই প্রবল বলিয়াই, তাহদের সাহসের অন্ত নাই বলিয়াই, সেই বিপুল বেগেতেই তাহারা সমস্ত সীমাকে কেবলই ধাক্কা মারিয়া বেড়ায় । ইহা তাহদের স্বভাব । এমনি করিয়াই আবিষ্কৃত কইয়া পড়ে, যেখানে সীমা দেখা যাইতেছিল বস্তুতই সেখানে সীমা নাই । ইহার ছুঃখ পায়, ছুঃখ দেয়, মানুষকে অস্থির করিয়া তোলে এবং মরিবার বেলায় ইহারাই মরে । কিন্তু বাচিবার পথ ইছারাই ৰাছির করিয়া দেয় । আমাদের দেশে সেই জন্মলক্ষ্মীছাড়া কি নাই ? নিশ্চয়ই আছে। কারণ তাছারাই যে প্রাণের স্বাভাবিক সৃষ্টি, প্রাণ যে আপনার গরজেই তাহাদিগকে জন্ম দেয়। কিন্তু পৃথিবীতে যে-কোনো শক্তিই মানুষকে সম্পূর্ণ আপনার তাবেদার করিতে চায় সে প্রাণের লীলাকেই সব চেয়ে ভয় করে— সেই কারণেই আমাদের সমাজ ঐসকল প্ৰণবহুল ছরস্ত ছেলেকে শিশুকাল হইতে নানাপ্রকার শাসনে এমনই ঠাও। করিতে চায় যাহাতে তাছাদের ভালোমাম্বুধি দেখিলে একেবারে চোখ জুড়াইয়া যায়। মানা, মানা, মানা— শুইতে বসিতে কেবলই তাছাদিগকে মালা মালিয়া চলিতে হুইবে । যাহার কোনো কারণ নাই, যুক্তি নাই, তাছাকে মানাই যাহাদের নিয়ত অভ্যাস, মানিয়া চলা তাছাদের এমনি আশ্চর্ষ ছুরন্ত হইয়া উঠে যে, যেখানে কাহাকেও মানিবার নাই সেখানে তাহার্য চলিতেই পারে না। এই প্রকার হতবুদ্ধি হতোন্তম মাছুষকে জাপন তর্জনিসংকেতে 总建