পাতা:কাশীদাসী মহাভারত.djvu/৪০৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২৪৬ শরণ্যে ত্র্যম্বকে গৌরি নারায়ণি নমোহস্তুতে ॥ [ মহাভারত । সেই যজ্ঞে অধিষ্ঠান হইয়। আপনি । आद्र यड স্বৰ্গপুরে বৈসে সিদ্ধ মুনি । বলিলেন যজ্ঞে করি আগুসার । - তুমি না আসিতে পূর্বে করেছি বিচার ॥ {এই দেখ সুসজ্জ যতেক দেবগণ । গরি মেঘ অষ্ট হস্তী সকল পবন । }ম্বর্গের যতেক দ্রব্য পৃথিবী দুল্লভ । ঠব যজ্ঞ হেতু দেখ সাজাইল সব ॥ এই আমি চলিলাম যজ্ঞের সদন । টুমি যাও অন্যজনে কর নিমন্ত্রণ ॥ শ্ৰমুখে শুনি পার্থ আনন্দিত মন । aণমিয়া অন্যদিকে করেন গমন ॥ থিবী দক্ষিণে সূৰ্য্যস্থতের ভবন। থাকারে চলিলেন ইন্দ্রের নন্দন ॥ "ত্রসেন বহে রথ পবনের গতি । ভুর্তেকে উত্তরিল যথা প্রেতপতি ॥ । ;ণমিয়া বসিলেন অর্জুন সভায় । දූ করিয়া যম জিজ্ঞাসেন তায় ॥ কান হেতু হেথায় তোমার আগমন । করিব প্রিয় তব ইন্দ্রের নন্দন ॥ জ্জন বলেন দেব কর অবধান। jজসূয় যজ্ঞেতে হইবে অধিষ্ঠান ॥ তামার পুরীতে নিবসয়ে যত জন। বাকারে ল’য়ে যজ্ঞে করিব গমন ॥ {ীকার করেন যম পার্থের বচনে। নিরপি জিজ্ঞাসেন অৰ্জ্জুন শমনে ॥ রদ কহেন তবে সভার কথন । বসে এখানে মৰ্ত্তে মরে যতজন ॥ নিয়াছি প্রত্যেক পিতার বিবরণ। মই বার্তা পেয়ে রাজসূয় আরম্ভন ॥ খন সে সব জনে নাহি দেখি কেনে । পতা আদি আমার আছেন কোনখানে ॥ সিয়ু বলেন যম তবে অর্জনের। মরিল তাহারে দেখিবা কি প্রকারে। }বে স্বতে কোথাও নাছিক দরশন। নিয়া বিস্ময়াপন্ন হৈলেন অর্জন ॥ যমে নিমন্ত্রিয়া তথা পাইয়া মেলানি । বরুণ আলয়ে যান বীর চূড়ামণি ॥ পশ্চিম দিকেতে জলপতির অালয় । ভথাকারে চলিলেন বীর ধনঞ্জয় ॥ বরুণেরে কহেন যজ্ঞের বিবরণ । ধৰ্ম্ম যজ্ঞস্থানে তুমি করিব গমন ॥ তোমার পুরেতে আর যত জন বৈসে । সবাকে লইয়া সঙ্গে যাবে মম বাসে ॥ বরুণ বলিল যজ্ঞে করিব গমন । ! যজ্ঞেতে লইব পুরে আছে যত জন ॥ কেবল দানব দৈত্য নাহি অধিকার । | | | যত যত জন আছে অলিয়ে আমার ! তাহা সব লইবারে যদি আছে মন । আপনি তথায় গিয়া কর নিমন্ত্রণ ॥ বরুণের বচনে গেলেন ধনঞ্জয় ; ! কতদূরে ভেটিল দানবরাজ ময় ॥ ময় জিজ্ঞাসিলে পার্থ কহিল সকল । পূর্ব উপকার স্মরি স্বীকার করিল ॥ এখানে নিবসে দৈত্য যতেক দানব । বলেন আমার যজ্ঞে ল’য়ে যাবে সব { এত শুনি ময় তারে বলিল বচন । সবারে লইয়া যজ্ঞে করিব গমন ॥ । তুমি চলি যাও, যথা আছে প্রয়োজন । শুনিয়া অর্জন করিলেন আলিঙ্গন । তথা হৈতে যান পার্থ পৃথিবী দক্ষিণে । লঙ্কাপুরে নিমন্ত্রিতে রাজা বিভীষণে ॥ ইন্দ্র যমপুরী যেন বিচিত্ৰ নিৰ্ম্মান । রাক্ষসের লঙ্কাপুরী তাহার সমান ॥ সিংহাসনে বসেছিল রাক্ষস ঈশ্বর । প্রণাম করেন গিয়া ইন্দ্রের কোঙর ॥ জিজ্ঞাসেন বিভীষণ তুমি কোন জন । প্রত্যক্ষ সকল কথা কহেন অৰ্জ্জুন ॥ রাজসূয় যজ্ঞ করেছেন যুধিষ্ঠির । তোমা নিমন্ত্রিতে কহিলেন যদুবীর ॥ অর্জনের মুখে শুনি হৃষ্টচিত্ত হৈয়া । বসাইল ধনঞ্জয়ে আলিঙ্গন দিয়া ॥ "